পুষ্টি চাহিদা মেটাতে অচাষকৃত শাক-সবজির বিকল্প নেই

আসাদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা থেকে: আমাদের পুষ্টি চাহিদা মেটাতে অচাষকৃত শাক-সবজির কোন বিকল্প নেই। আমরা দিন দিন রাসানিক সার ও কীটনাশক সার দেওয়া শাক-সবজি খেয়ে নিজেদের ক্ষতি নিজেরাই করছি। কিন্তু আমাদের আশপাশে যেসব অচাষকৃত শাক-সবজি জন্মায়, তা খেলে আমাদের উপাকার ও পুষ্টির চাহিদা মিটবে। যেমন থানকুনি আমাশয় প্রতিষেধক, তেলাকচু ডায়াবেটিসের মহৌষধ, কলার মোচায় রয়েছে প্রচুর আয়রন আর কচুর পাতা চোখের জন্য ভাল।

এছাড়া আরও রয়েছে অত্যন্ত ব্রক্ষ্মি, কলমি, দস্তা কচু, হেলাঞ্চ, সাঞ্চি, বেতশাক, ডুমুর, বউটুনি, শাপলা, ঘ্যাটকল, কাটানটিশাক, পেপুলসহ নানা প্রজাতির অচাষকৃত শাক ও লতা-পাতা।

 

DSC00291
২০ এপ্রিল সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বারসিক ইনস্টিটিউট অব এ্যাপ্লাইড স্ট্যাডিজ এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিম আয়োজিত ‘এসো প্রকৃতিকে জানি, পুষ্টির গল্প শুনি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রকৃতিতে প্রাপ্ত আচাষকৃত শাক লতা-পাতার পুষ্টিগুণ তুলে ধরে পুষ্টির ফেরিওয়ালা খ্যাত যুব উদ্যোক্তা রুহুল কুদ্দুস ও বাবর আলী।

অনুষ্ঠানের আলোচনা পর্বে সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালক আলাউদ্দীন ফারুকী প্রিন্স এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখে স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষকা সানজিদা হোসেন, সোনিয়া ইসলাম, এস এম সালাউদ্দিন, গোলাম রহমান প্রমূখ।

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সাধারন সম্পাদক আসাদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি সামছুন্নাহার মুন্নি, প্রচার সম্পাদক নূরুল হুদা, সিনিয়র সদস্য সাঈদুর রহমান, গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের ফজলুল হক প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, “আমাদের সব খাদ্য দ্রব্যে এখন শুধু ভেজাল আর ভেজাল। মানুষ সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে এই সকল খাবার থেকে। তাই আমাদের অচাষকৃত উদ্ভিদ ও লতা-পাতার উপর নির্ভরশীলতা বাড়াতে হবে। আচাষকৃত সকল উদ্ভিদ ও লতা-পাতাকে সঠিকভাবে যত্ন নিতে হবে।”

happy wheels 2

Comments