সাম্প্রতিক পোস্ট

সবাইকে এক দিন প্রবীণ হতে হবে

সাতক্ষীরা শ্যামনগর থকেে ফজলুল হকঃ জন্ম হয়ছেে মৃত্যু হবে, আজ যুবক আছি কাল প্রবীণ হতে হবো, এটাই চরিন্তন সত্য। এক জন প্রবীণ মানুষ প্রায় একটি শশিুর মত আচরণ করে। একটি শিশুকে যেমন আদর যত্ন সহ সকল বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে বড় করতে হয়,ঠিক তেমনি একজন প্রবীণ মানুষ যে কয় দিন পৃথিবীতে বেঁচে থাকে সকল বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হয়। এই সমাজে প্রবীণ মানুষেরা বেশি অবহলো, নির্যাতন এবং অনশ্চিতি স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বীকার এর কথা শুনা যায়, র্বতমান সময়ে চলছে মাহামারী করোনা ভাইরাসরে প্রাদুরর্ভাব । আর এই প্রাদুরর্ভব সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যহীনতায় ভুগছে প্রবীণ মানুষ গুলো।

সেই সকল দিক বিবেচনা করে গত ২৮ শে আগষ্ট রোজ শনবিার বিকাল ৪ টায় শ্যামনগর উপজলোর বুড়গিোয়ালিনী ইউনয়িন এর পানখালী (আবাদ চণ্ডপিুর পাকড়াতলির আটি) স্থানীয় যুব সমাজের আয়োজনে বেসকারী গবষেণা প্রতিষ্ঠান বারসিক এর সহযোগীতায় পানখালী র্সাবজনীন রাধা -কৃষ্ণ মন্দির প্রাঙ্গনে মাহামারী করোনা কালীন সময়ে প্রবীণ স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মতবনিমিয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত মতবনিমিয় সভায় স্থানীয় প্রবীণ কৃষক-কৃষানী, যুব প্রতনিধি, মধ্য বয়স্ক মানুষ এবং বারসকিরে যুব সংগঠক ফজলুল হক উপস্থিত ছিলেন।

মতবনিমিয় সভায় প্রবীণ ব্যক্তিদের সকলের সমন্বতি কথোপকথনের মাধ্যমে জানা যায় বৃদ্ধ বয়স শারীরকি পরিবর্তন এর ্সাথে সাথে নানান রােগ দেখা যায়। যমেন চুল পেকে যাওয়া, ত্বকে বলিরেখা, দৃষ্টশক্তি কমে হওয়া,শ্বাসকষ্ট হওয়া, শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া, সঙ্গে পেশি র্দুবল, হাড় ক্ষয় হওয়া, এছাড়াও রক্তনালি সরু হয়ে যায়,ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ প্রভৃতি হতে পার। প্রবীণদের মস্তিস্কে ছোট হয়ে যাওয়া এসব রোগে স্মৃতশিক্তি কমে যায়, আবগে, অনুভূতি, বিচারবুদ্ধি বিবেচনাশক্তি চিন্তাক্ষমতা, কাজ করার ক্ষমতা কমে যাওয়া,এ ছাড়া মাথাঘোরা, হাত-পা কাঁপা সহ বভিন্নি ধরনরে সমস্যা দেখা দেয়।

মতবনিমিয় সভায় প্রবীণ ব্যক্তি শামসুর গাইন বলনে,এখন অনকে বয়স হয়ছে,শরীরে নানান সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে, তারই সাথে আবার করোনা ভাইরাস আয়েছে, খুব ভয়ে আছি । সবাই বলাবলী করে বৃদ্ধদের নাকি করোনা ভাইরাসে ধরলে আর ছাড়ে না,একে দম নিতে কষ্ট হয়,তাতে আবার মাস্ক পরে থাকতে হয়।

প্রবীণ নারী আরতী বলনে,এখন আমরা প্রায় সবাই ভাতা পাচ্ছি, সে ভাতার টাকা দিয়ে বৃদ্ধ বয়সে ঔষধ কিনে খেতে পারছি এবং সংসারে কিছু দিতে পারছি। করোনার ভাইরাসরে কারণে ছেলেদের আয় কমে গেছে, মাঝে মাঝে ঔষধ সহ প্রয়োজনীয় কিছু লাগলে চাইতে পারনিা ছেলেদের কাছে।

বর্তমান দূর্যেোগময় অবস্থায় দেশের প্রবীণ জনগণ করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকতিে এবং এ থেকে অধিকতর মৃত্যু ঝুঁকিতে রয়েছেন। সকল প্রবীণ মানুষদের আগে করোনা ভাইরাস এ টিকার আওতায় আনতে হবে, সকলকে সরকারী ভাতার আওতায় আনতে হবে । তারা যেন কোন বৈষম্যের স্বীকার না হয় সে দিকে আমাদের সকলের খেয়াল রাখতে হবে।

happy wheels 2
%d bloggers like this: