Posted in

বৈচিত্র্য সুরক্ষায় তরুণ প্রজন্মকে সচেতন হতে হবে

হরিরামপৃুর, মানিকগঞ্জ থেকে মুকতার হোসেন

হরিরামপুর চরাঞ্চলে জয়পুর গ্রামে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও বারসিক’র আয়োজনে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক প্রাণবৈচিত্র্য দিবসকে কেন্দ্র করে র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে অংশগ্রহণ করেন তরুণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কৃষক-কৃষাণী, মৎস্যজীবী, এনজিও প্রতিনিধিসহ শতাধিক বিভিন্ন পেশার ও শ্রেণীর মানুষ। ‘খাদ্য ও স্বাস্থ্যর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আমাদের প্রাণবৈচিত্র্য’ এই বিষয়টিকে সবার মাঝে জাগ্রত করার জন্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

IMG_20190523_104855
এলাকার প্রাণ বৈচিত্র্যকে টিকে রাখতে হলে আগামী দিনের তরুণ প্রজন্মকে সচেতন করতে হবে। হরিরামপুর চরকে প্রাণবৈচিত্র্য ভরপুর রাখতে র‌্যালিতে সবার মুখে মুখে শ্লোগান ছিল ‘নদীনালা খাল বিল দূষণ করা চলবে না’, ‘পাখি আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ পাখি মারা চলবে না’, ‘অচাষকৃত খাদ্য নষ্ট করা যাবে না, খাদ্য রাসায়নিক মিশানো যাবে না।’ র‌্যালি শেষে আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।

আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সমাজসেবক আব্দুর রাজ্জাক, শিক্ষক সুমি আক্তার, বারসিক কর্মকর্তা বিমল রায়, সমাজ সেবক এ্যাডওর্য়াড জামান। আলোচকদের মধ্যে জয়পুর আদর্শ কিন্ডার গার্ডেন শিক্ষক সুমি আক্তার বলেন, ‘নদীনালা, খাল বিল, পাখি, গাছপালা সব কিছুই আমাদের বেঁচে থাকতে সহায়তা করে। তাই আমাদের প্রাকৃতিক সকল সম্পদকে টিকিয়ে রাখতে হবে। আর আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে সব কিছুই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভুমিকা রাখছে। কোন কিছু যেন আমাদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য আমাদের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে।’ আন্তর্জাতিক প্রাণবৈচিত্র্য দিবসে মধ্যে দিয়ে বেঁচে থাক সকল বৈচিত্র্য, টিকে থাকে প্রাণের সমাহার, ভালো থাকবে মানুষ এটাই ছিল চরবাসীর প্রত্যাশা।

IMG_20190523_104858
মানিকগঞ্জ জেলার অর্ন্তগত হরিরামপুর উপজেলা একটি দূর্যোগপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। প্রতিবছর বন্যা খরা, নদী ভাঙন, শিলাবৃষ্টি, বজ্রপাত সহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগের ফলে জান, মাল ও প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে নদী ভাঙনের ফলে হারিয়ে যায় আবাদী জমি, গাছপালাসহ অসংখ্য উদ্ভিদ প্রাণী। ফলে মানুষকে অনেক সমস্যার সন্মখীন হতে হয়। হরিরামপুর উপজেলার চরাঞ্চলের মানুষ প্রকৃতি নির্ভরশীল আর প্রাকৃতিক সম্পদের উপর নির্ভর করে এই অঞ্চলে মানুষ জীবন-জীবিকায়ন করে থাকে। এলাকা থেকে যত প্রাকৃতিক সম্পদ হারিয়ে যাবে মানুষ তত টিকে থাকার ক্ষমতা হারাবে।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.