Posted in

রাজশাহীতে বেশি বৃক্ষরোপণে পুরুষ্কার ঘোষণা

রাজশাহী থেকে মো. শহিদুল ইসলাম

জলবায়ু সংকট মোকাবেলাসহ সকল প্রাণের খাদ্য নিরাপত্তায় গাছ একমাত্র অবলম্বন। বৃক্ষরোপণ করলে একদিকে মানুষসহ সকল প্রাণের খাদ্য নিরাপত্তা হয় অন্যদিকে পরিবেশ ভালো থাকে। কিন্তু দিনে দিনে মানুষ নানা কারণেই বৃক্ষ নিধন করে পরিবেশের ক্ষতি করছে। নানা অজুহাতে আমরা বড় বড় বৃক্ষগুলো কেটে ফেলছি। যেকোন উপায়েই হোক আমাদের বড় বড়বৃক্ষগুলো রক্ষা করা জরুরি হয়ে পড়েছে। তাই আর নয় বৃক্ষ কর্তন। সেই সাথে বেশি বেশি করে বৃক্ষরোপণ করা সকল নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

Tree contest

চলতি বর্ষা মৌসুমে রাজশাহীর সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়রসহ সচেতন তরুণরা নিজে বৃক্ষরোপণ করছেন, একই সাথে অন্যকে বৃক্ষরোপণ করতে উদ্বুদ্ধ করছেন। সরকাররি বেসরকারি এবং নাগরিক সমাজের যৌথ উদ্যোগে এবার রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে।

রাজশাহীর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন ‘যারা বেশি গাছ লাগাবেন, তাদের পুরুষ্কার দেওয়া হবে। যসব বাসাবাড়ির ছাদে কৃষি বাগান করবেন, বেশি গাছ লাগাবেন, তাদের হোল্ডিং ট্যাক্সে ছাড় দেয়া হবে। এবছর রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের উদ্যেগে ১০ হাজার গাছের চারা স্কুল-কলেজের শিক্ষিার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হবে। ১০ হাজার গাছের চারা লাগানো হবে।’

tree contest-
অন্যদিকে পরিবেশ বাঁচাতে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে সামাজিক আন্দোলন হিসেবে গড়ে তুলতে রাজশাহীব্যাপী বৃক্ষরোপণ প্রতিযোগিতা কার্যক্রম শুরু করেছে তরুণ সংগঠন সূর্যকিরণ বাংলাদেশ। এতে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছে বারসিক। সম্প্রতি নগরীর শিরোইল এলাকায় পরিবেশবান্ধব গাছ লাগানোর মধ্য দিয়ে দুই মাসব্যাপী কার্যক্রমটির উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। কার্যক্রমটি চলবে ৫ জুলাই ২০১৯ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। যেখানে রাজশাহী বিভাগ এর বিভিন্ন জেলার মানুষ অংশগ্রহণ করবে এবং সর্বোচ্চ বৃক্ষরোপণকারী পাঁচজনকে পুরষ্কৃত করা হবে।

সূর্যকিরণ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শাইখ তাসনীম জামালে সভাপতিত্বে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন- সূর্যকিরণ বাংলাদেশের উপদেষ্টা রাজশাহী প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক আসলাম-উদ-দৌলা, বারসিক বরেন্দ্র অঞ্চলের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শহিদুল ইসলাম, সূর্যকিরণ বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবী আসাদুজ্জামান জয়, রোজিব হোসেন সোহান, রাখি পারভিন মায়া, তামিম আলী, জুলফিকার নাঈমসহ অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবীববৃন্দ।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.