Posted in

বিশ্ব খাদ্য দিবস: মানুষসহ সকল প্রাণের খাবার নিশ্চিত করতে হবে

সিংগাইর মানিকগঞ্জ থেকে বিউটি সরকার

খাদ্য সুরক্ষার ভবিষ্যত’ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলার বায়রা ইউনিয়নের নয়াবাড়ি গ্রামে কৃষক সংগঠন এবং যুব সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২০ উদযাপন করা হয়েছে।

উক্ত অনুষ্ঠানে নিরাপদ খাদ্য প্রদর্শনী ও উপস্থাপিত নিরাপদ খাদ্যের গুরুত্ব এবং খাদ্য নিরাপদ রাখার বিষয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বারসিক সিংগাইর রিসোর্স সেন্টারের কর্মসূচী কর্মকর্তা শিমুল বিশ্বাস।

কৃষক ইমান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশ্ব খাদ্য দিবসের প্রতিবেদন পাঠ করেন কৃষক সংগঠনের সদস্য রিনা আক্তার। প্রতিবেদন পাঠের পর বিশ্বখাদ্য দিবসে গুরুত্ব বিষয়ে আলোচনা করেন যুব সংগঠনের সভাপতি আশিষ সরকার। তিনি বলেন,  শুধু মানুষ নয় পশুপাখিসহ সকল প্রাণের খাবার নিশ্চিত করা এখন বাধ্যতামূলক। তা না হলে পরিবেশ বাঁচবে না, পরিবেশ  না বাঁচলে – আমরা বাঁচবো না। আমাদের বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। প্রকৃতিকে এবং প্রকৃতির সকল প্রাণকে রক্ষা করতে হবে । তিনি আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য আমি নিজে খাবো অন্যদেরকেও খাওয়াবো, নিরাপদ সবজি নিজে উৎপাদন করবো এবং অন্যদেরকেও উৎপাদনে উৎসাহিত করবো।

প্রকৃতিপ্রেমিক ইব্রাহিম মিয়া বলেন, খাদ্য কীভাবে নিরাপদ রাখা যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। রাসায়নিক সার বাদ দিয়ে জৈব সার ব্যবহার করতে হবে। পশুপাখির আবাস স্থলের নিরাপত্তা দিতে  হবে। শুধু নিজের স্বার্থ নয় অন্যের স্বার্থও দেখতে হবে। তাই বেশি করে গাছ লাগাতে হবে।’ নয়াবাড়ি গ্রামের বাবুল মিয়া বলেন, ঔষধি গাছ এবং দেশী ফল খেলে ঔষধ খেতে হয় না, আমাদের সচেতন হতে হবে।

নিরাপদ খাবার বর্ননা করতে গিয়ে সংগঠনের সভাপতি কমলা বেগম বলেন,  জৈব সার ব্যবহার করে সব্জি চাষ করতে পয়সাও কম লাগবে আবার খাবার ও নিরাপদ থাকবে, রোগবালাই কম হবে। শিমুল বিশ্বাস বলন, কৃত্রিমতা দিয়ে বাঁচার উপায় নেই, উৎপাদন ব্যবস্থার পরিবর্তন আনতে হবে। আমাদের সুস্থভাবে বাঁচার জন্য প্রকৃতিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে খাদ্য উৎপাদন এখন বাধ্যতামুলক হয়ে পড়েছে। শুধু নিজের জন্য নয় প্রকৃতির সবার জন্য খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই আমরা ভালো থাকবো।

আলোচনার পর প্রকৃতি প্রেমিক ইব্রাহিম মিয়া অংশগ্রহণকারীদের হাতে দেশী জাতের সব্জির বীজ তুলে দেন। সবশেষে অংশগ্রহণকারীগণ দেশীয় ফলজ, বনজ, ঔষধি বৃক্ষরোপণসহ সকল প্রাণের খাদ্য নিরাপত্তার অঙ্গিকার করেন।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.