সাম্প্রতিক পোস্ট

নগরের প্রান্তিকএলাকার গৃহস্থালির জৈববর্জ্য থেকে কম্পোস্ট তৈরি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ঢাকা থেকে ফেরদৌস আহমেদ
ইউএস এইড এবং এফসিডিও এর অর্থায়নে এবং কাউন্টার পার্ট ইন্টারন্যাশনাল এর কারিগরি সহযোগিতায় ‘ঢাকাকলিং’ কনসোর্টিয়াম প্রকল্পের আওতায় বারসিক’র উদ্যোগে সম্প্রতি বালুর মাঠ হাজারিবাগ এলাকায় সিবিও কমিউনিটি সদস্যদের অংশগ্রহণে লালমাটিয়ার এনজিও ফোরাম সম্মেলন কক্ষে জৈব বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট তৈরির প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৯টায় থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ ও বারসিক’র পরিচালক এবিএম তৌহিদুল আলম। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বারসিক’র প্রজেক্ট ম্যানেজার ফেরদৌস আহমেদ, ডিএসকের প্রজেক্ট ম্যানেজার মো: রকিবুল ইসলাম, ডিএসকের মনিটরিং ও ডকুমেন্টশন অফিসার ফারহা হাদিয়া, সিএম সাবিনা নাঈম, কামরুন নাহার, সিবিও নেতা হারুন অর রশিদ প্রমূখ। প্রশিক্ষণে ২১ জন কমিউনিটি অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।


প্রশিক্ষণের শুরুতে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য ও প্রকল্প সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন ফেরদৌস আহমেদ। তিনি, প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য যাচাই করেন ও অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা প্রদান করেন। ফারহা হাদিয়া প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।


এবিএম তৌহিদুল আলম প্রশিক্ষণের শুরুতে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে কম্পোস্ট তৈরি সম্পর্কে একটি সচিত্র ধারণা উপস্থাপন করেন। পরবর্তীতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট সার তৈরির বিষয়টি বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেন। প্রশিক্ষণ থেকে তিনি চারটি ভিডিও ডকোমেন্টারি দেখান যেখানে বিস্তারিতভাবে সার তৈরির সচিত্র প্রতিবেদন দেখা যায়।


তিনি বলেন, ‘কম্পোস্ট তৈরি একটি ধৈর্য্যের কাজ। আমাদের বস্তি এলাকায় চাইলেই একজন মানুষ এটি করতে পারবে। তারা নিজেরা যেমন ব্যবহার করতে পারবেন, ঠিক একইভাবে তারা এটি বিক্রির উপযোগী করে তৈরি করতেও পারবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘কাজটি আন্তরিকভাবে করলে এটি দিয়ে প্রচুর অর্থ উপার্জন করাও সম্ভব। পৃথিবী অসংখ্য দেশে এই সার তৈরি ও বাজারজাত করা হচ্ছে। আমাদের দেশেও তা তৈরি হবে।’


তিনি অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘বারসিক দেশব্যাপী জৈবকৃষি নিয়ে ও কৃষি প্রাণ বৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করে। আমরা চাই এই কম্পোস্ট তৈরির কাজটি শহর অঞ্চলেও দৃষ্টান্ত স্থাপন করুক। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণ সম্পর্কে মুক্ত আলোচনা ও মতামত প্রদান করেন এবং মূল্যায়ন করেন।


উল্লেখ্য, ঢাকা কলিং প্রকল্পটি ডিএসকে, বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাসনলেজ (বারসিক), কোয়ালিশন ফর দ্যা আরবান পুওর (কাপ) এবং ইনসাইট্স এর মাধ্যমে জানুয়ারি ২০২১- ডিসেম্বর ২০২২ পর্যন্ত চলবে।

happy wheels 2
%d bloggers like this: