Posted in

নারী পুরুষের সমতাই আসবে উন্নয়ন

নেত্রকোনা থেকে রোখসানা রুমি
পৃথিবীর সভ্যতা তৈরি হওয়ার ক্ষেত্রে নারী পুরুষের সমান অবদান রয়েছে। কারও একার প্রচেষ্টায় এই পৃথিবী সমাজ ব্যবস্থা টিকে থাকেনি। কিন্তু আমরা দেখছি এই পৃথিবীর পদে পদে নারীরা বাধার সামনাসামনি হচ্ছে। নারীর প্রতি নির্যাতন, বৈষম্য বেড়েই চলেছে। কাউকে পিছনে ফেলে অগ্রযাত্রা টেকসই হবেনা। নারীর প্রতি সকল বৈষম্য ও অন্যায্যতা দূরীকরণে কাজ করছে নেত্রকোনার সদর উপজেলার কাইলাটি ইউনিয়নে অগ্রযাত্রা কিশোরী সংগঠন।
অগ্রযাত্রা কিশোরী সংগঠনের আয়োজনে ও বারসিক’র সহযোগিতায় ফচিকা গ্রামে বাল্যবিয়ে, নির্যাতন প্রতিরোধ, গর্ভবর্তী নারীদের জন্য পুষ্টিকর খাদ্য ও গাছ বিরতণের আয়োজন করা হয়। আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাইলাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক সানোয়ার জাহান, রক্তের বন্ধন যুব সংগঠনের সদস্য, ইউপি সদস্য গ্রামের নারীপুরুষ, অগ্রযাত্রা কিশোরী সংগঠনের সদস্য ও বারসিক’র কর্মকর্তাবৃন্দ।


প্রথমেই কিশোরী সংগঠনের সভাপ্রধান লাবণী আক্তার সংগঠনের কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি বলেন,‘আমরা গর্ভবতী মায়েদের প্রেসার মাপা, ওজন মাপা, ডায়াবেটিস মাপা ও এক মাসের পুষ্টিকর খাবার সহযোগিতা করাসহ সেবা ও পরামর্শ প্রদান করি। শিশু জন্মের পর তিন গাছ নিয়ে শিশুকে স্বাগত জানাই। মেয়ে শিশু হলে একটি গাছ বেশি প্রদান করি। বাল্যবিয়ে ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও নারী কর্মসংস্থানে কাজ করে যাচ্ছি।’


প্রধান অতিথির ভাষণে কাইলাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হক বলেন, ‘অগ্রযাত্রা কিশোরী সংগঠন এসডিজি বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ সরকার নারী নির্যাতন প্রতিরোধ,বাল্যবিবাহ ও নারীর প্রতি সকল অন্যায্যতা দূরীকরণে কাজ করছে। নারী ও শিশুদের উন্নয়নে যেভাবে কাজ করছেন আমি আপনাদের সাথে আছি। এই সংগঠনের অনেক কিশোরী আছেন যারা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হতে পারেন। আমি সেলাই মেশিন ও অন্যান্য সরকারি সেবা-পরিষেবা পেতে আপনাদের সহযোগিতা করবো।’


অনুষ্ঠানে পাঁচজন গর্ভবতী নারীকে চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ডিম, কলা, পেয়ারা, পুইশাক, কচুশাক, কলমীশাক, লেবুসহ শাকসবজি ও তিনটি করে ফল ও ঔষধি গাছ তুলে দেওয়া হয়। তিনি পরামর্শ প্রদান করেন যে নিয়মিত বাড়ির আশেপাশে অচাষকৃত খাদ্যসম্পদ শাকসবজি খাওয়ার, ওজন এবং প্রেসার মাপার জন্য।
নারীদের প্রতি কিশোরীদের এই ধরণের উদ্যোগ নারীপুরুষের সমতা রক্ষায়, নারীর ক্ষমতায়নে ও নারী নেতৃত্ব তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.