Posted in

সচেতনতাই পারবে সামাজিক সহিংসতা প্রতিরোধ করতে

মানিকগঞ্জ থেকে মো. নজরুল ইসলাম
‘নারীর প্রতি সামাজিক সহিংসতা বন্ধ করি, নারীবান্ধব সাংস্কৃতিক সমাজ গড়ি” এই ¯েøাগানকে ধারণ করে বারসিক’র আয়োজনে গতকাল মানিকগঞ্জ স্যাক কার্যালয়ে বৈশি^ক মহামারী করোনাকাল বনাম সমকালে নারী নির্যাতন ও বাল্য বিয়ে প্রতিরোধসহ নারীর অবস্থা ও অবস্থানের পরিবর্তন বিষয়ে সুশীল সমাজের ও সরকারি প্রতিনিধিদের সাথে সংলাপ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।


সংলাপ ও মতবিনিময়ে জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান শ্রীমতি লক্ষী চ্যাটার্জির সভাপতিত্তে¡ ও বারসিক আঞ্চলিক সমন্বয়কারি বিমল রায়ের সঞ্চালনায় প্রথমেই ধারণাপত্র পেশ করেন বারসিক কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম। বিষয়ভিত্তিক সংলাপে সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বজলু, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন পেভ এর এম্বাসিডর প্রফেসর উর্মিলা রায়, স্যাক’র সভাপতি এ্যাড. দিপক কুমার ঘোষ, মানবাধিকার কমিশনের জেলা সাধারণ সম্পাদক জেবা সকিনা, বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের জেলা সভাপতি তাজরানা ইসলাম টুলু, মানিকগঞ্জ জেলা শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি মীর্জা ইস্কান্দার,খ্যাতিমান সাংবাদিক ও কলাম লেখক পারভেজ বাবুল, সমাজকর্মী ইকবাল খান, উন্নয়নকর্মী আব্দুস সালাম, ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গারের জেলা সমন্বয়কারি জিসানুর রহমান প্রমুখ।


ধারণাপত্রের আলোকে নারী নির্যাতন বাল্য বিয়ে ও সামাজিক সহিংসতা কেন নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না, করোনাকালে এর সংখ্যা বাড়ছে না কমছে এবং নারীর অবস্থা ও অবস্থানের কি রূপ পরিবর্তন হলো এই সকল বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করা হয়। সরকারি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামন বজলু বলেন, বাল্য বিয়ে নিরোধ আইনে বিশেষ পরিস্থিতে এ রকম একটি বিধান আছে। এছাড়াও বৈশি^ক করোনাকালে ঘরে বাইরে নারীর অবস্থা ও অবস্থান বিষয় বলা হয় করোনায় আমাদেরকে অনেক কিছু চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেও আমরা দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে পারলাম না। জেন্ডার সংবেদনশীল আচরন শিখতে পারলাম না এটা হতাশা নয় বাস্তবতা।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই সকল অবস্থা থেকে সমাজকে নারীবান্ধব করতে হলে সচেতনতার সৈনিক বাড়াতে হবে, সাংস্কৃতিক সংগঠন গড়তে হবে এবং সাংস্কৃতিক চর্চার বিকাশ ঘটাতে হবে। এগুলো বাস্তাবায়ন করতে হলে অবশ্যই যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করতে হবে। তারাই শুধু করবে প্রতিবাদ সেটি নয় আমরাও আমাদের প্রত্যেকের স্ব স্ব অবস্থান থেকে সচেতনতার বাণী ও প্রতিবাদ জারি রাখব।’

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.