Posted in

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে অবরোধ

উপকূল থেকে বাবলু জোয়ারদার
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গত শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) শ্যামনগর সদরের চৌরাস্তা মোড়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক’র সহযোগিতায় সুন্দরবন স্টুডেন্ট সলিডারিটি টিম ও উপকূলীয় শিক্ষা বৈচিত্র্য উন্নয়ন সংস্থা এই জলবায়ু অবরোধ কর্মসূচির আয়োজন করে।

অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ‘কার্বন নিঃসরণ হৃাস করি, পৃথিবীকে রক্ষা করি’, ‘আমাদের কান্না আপনারা কি শুনতে পান না’, ‘বেঁচে থাকার অধিকার, চাই জলবায়ু সুবিচার’, ‘জীববৈচিত্র্যপূর্ণ পৃথিবী আমাদের স্বপ্ন’, ‘উপকূল বাঁচাতে টেকসই বেড়িবাঁধ চাই’, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য আমরা দায়ী নই’-সহ নানা স্লোগান সম্বলিত প্লাকার্ড প্রদর্শনের মাধ্যমে জলবায়ু ন্যায্যতার দাবি জানায় উপকূলীয় অঞ্চলের তরুণরা।

এসময় বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর জনসংগঠন সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ সিরাজুল ইসলাম, সুন্দরবন স্টুডেন্ট সলিডারিটি টিমের স্বেচ্ছাসেবক রাইসুল ইসলাম, সাবিনা পারভীন, সিডিও ইয়ুথ টিমের স্বেচ্ছাসেবক হাফিজুর রহমান, ফজলুল হক, বারসিকের রামকৃষ্ণ জোয়ারদার, রুবিনা পারভীন, বাবলু জোয়ারদার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশ দায়ী নই, আগে অনেক বছর পর পর দুর্যোগ হতো কিন্তু এখন প্রায় প্রতিমাসেই দুর্যোগের কবলে পড়ছে উপকূলের মানুষ। আমরা জলবায়ু সুবিচার চাই। সুস্থভাবে বাঁচতে চাই। এজন্য জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।’

এর আগে সুন্দরবন স্টুডেন্ট সলিডারিটি টিম ও উপকূলীয় শিক্ষা বৈচিত্র্য উন্নয়ন সংস্থার সদস্যরা শ্যামনগর প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে একটি র‌্যালি নিয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কালিগঞ্জ-শ্যামনগর মহাসড়ক অবরোধ করে জলবায়ু ন্যায্যতার দাবি জানায়।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.