Posted in

মানুষ প্রকৃতির প্রতি বিরূপ হয়ে বাঁচতে পারবেনা

বারসিকনিউজ ডেস্ক

বারসিক, বেলা, এএলআরডিসহ পরিবেশ ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করেন এমন ১৫টি সংগঠনের উদ্যোগে গতকাল রোববার বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ সুরক্ষায় জাগো বাংলাদেশ’ শীর্ষক ‘পরিবেশ সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে ঢাকা ছাড়াও মানিকগঞ্জ, সাতক্ষীরা এবং অন্যান্য জেলা থেকে পরিবেশকর্মী ও পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন এমন মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল বলেন, মানুষ প্রকৃতির প্রতি বিরূপ হয়ে বাঁচতে পারবে না। তাই সচেতন বিবেকবান নাগরিক হিসেবে প্রাণ ও প্রকৃতিবিরোধী যেকোনো প্রচেষ্টাকে রুখে দাঁড়াতে হবে।’ বেলার প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ‘যে প্রকৃতিকে আমরা সৃষ্টি করতে পারি না, তাকে বিনষ্ট করা যাবে না। প্রকৃতিকে মাঝখানে রেখেই তা অক্ষুন্ন রেখে আমাদের উন্নয়ন ভাবনা ও পরিকল্পনা করতে হবে।’ পরিবেশ রক্ষায় শুধু পরিবেশ মন্ত্রণালয় নয়, সব মন্ত্রণালয়, রাজনীতিক ও জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে বলে উল্লেখ করেন এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা।

স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, এবারের তাপদাহ পরিবেশের দূষণ, জলবায়ুর পরিবর্তন সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছে। এরপরও প্রকৃতি-পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ বিপর্যয়ের সামনে পড়তে হবে।

সমাবেশে বারসিক’র পরিচালক পাভেল পার্থ মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন।  তিনি বলেন, তথাকথিত উন্নয়নের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে গাছ, নদী, বনভূমি, কৃষিজমি, পাহাড় বা জলাভূমির ওপর। প্রতিবছর উৎপাদিত হচ্ছে ১০ লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন পরিবেশবিনাশী প্লাস্টিক বর্জ্য। নদীমাতৃক দেশে নদ–নদী দখল–দূষণে মহাবিপন্ন। তাই পরিবেশ রক্ষায় এখনই জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে।’ আলোচনায় আরও অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক সোমা দে, নারীপক্ষের শিরিন হক, আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, পরিবেশকর্মী সুন্দরবনের কৃষ্ণপদ মুন্ডা, মানিকগঞ্জের ইউসুফ আলী ও ধানমন্ডি সাতমসজিদ রোড গাছ রক্ষা আন্দোলনের আমিরুল রাজীব। এছাড়া বারসিক’র পরিচালক সৈয়দ আলী বিশ্বাস, কামরুজ্জামান সাগর ও সিলভানুস লামিন সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করেন।

সমাবেশে আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পরিবেশকর্মী ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা সংহতি প্রকাশ করেন। এছাড়া পরিবেশ নিয়ে গান, আবৃত্তি, নাটকের অভিনয়ও প্রদর্শিত হয় সমাবেশে।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.