Posted in

নেত্রকোনায় শিক্ষার্থীদের ‘জলবায়ু ধর্মঘট’ পালন

নেত্রকোনা থেকে রুখসানা রুমি ও তাসমিয়া তহুরা
সম্প্রতি জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে নেত্রকোণা জেলার রাজুর কলেজিয়েট স্কুলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উদ্যোগে ও বেসরকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক’র সহযোগিতায় সচেতনতামূলক “জলবায়ু ধর্মঘট” পালিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্কুলের শিক্ষার্থী ছাড়াও শিক্ষক ও কলেজ অধ্যক্ষ প্রকৃতি প্রেমি গোলাম মোস্তফা ও বারসিক কর্মকর্তা, যুবসংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।


জলবায়ু ধর্মঘটে শিক্ষার্থীরা প্ল্যাকার্ডে জলবায়ু পরিবর্তনের দায়ী দেশের প্রতি প্রতিবাদ ও কার্বন দূষণ কমানোর জন্য আহ্বান জানান। শিক্ষার্থীরা তাদের প্ল্যাকার্ডে “উত্তপ্ত পৃথিবী, বিপন্ন কৃষি, বিপন্ন মানব জীবন”, কার্বন দূষণ থামাও”, “কার্বন দূষণের জন্য ধনী দেশ দায়ী”, এত গরম কেন?” ‘মাটি-পানি ও বায়ু দূষণ থামাও,” “জীবাশ্ম জ¦ালানি অধিক ব্যবহার থামাও”,“কার্বন নিঃসরণকারী ধনী দেশ জলবায়ু পরিবর্তনে কথায় নীরব কেন?”, ‘চাই জলবায়ু ন্যায্যতা”, “আমাদের ভবিষ্যত আমাদের হাতে”, “জলবায়ু পরিবর্তন বাড়ছে, বাড়ছে দূর্যোগ, বাড়ছে উদ্বাস্তুতা, বাড়াছে নগরদারিদ্রতাসহ ৩৫টি প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করে জীবাশ্ম জ¦ালানি ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানান।


আলোচনায় কলেজ অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা বলেন, “ধনী দেশের মানুষেরা তাদের ভোগ বিলাসিতার জন্য আমাদের সুন্দর পৃথিবী আজ গরম করে তুলেছে। এভাবে চলতে থাকলে পৃথিবীর বরফ গলে যাবে। ডুবে যাবো আমরা। আমাদের উচিত প্রত্যেকেই কার্বন নিঃসরণ যত পারি কম করা। পরিবেশবান্ধব কাজের সাথে যুক্ত থাকা। তবেই আমাদের আগামি প্রজন্মকে ভালো রাখতে পারবো।”

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.