Posted in

বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজায় মানিকগঞ্জে উৎসবের আমেজ

আব্দুর রাজ্জাক, মানিকগঞ্জ  

বিদ্যা ও সঙ্গীতের দেবী “সরস্বতী পূজা” আজ বুধবার। বিদ্যাদেবীর কৃপালাভের আশায় সারাদেশের ন্যায় মানিকগঞ্জের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পাড়া মহল্লার ক্লাব এবং ঘরে ঘরে অস্থায়ী মন্ডপে এই পূজা উদযাপিত হচ্ছে। ধর্মীয় বিধান অনুসারে মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে জ্ঞানদাত্রী দেবী সরস্বতী পৃথিবীতে আসেন।

হিন্দু ধর্মাবম্বলীদের অন্যতম প্রধান উৎসব এই সরস্বতী পূজা। জেলার সনাতনী প্রতিটি পরিবার গুরুত্বের সঙ্গে সরস্বতী পূজা উদযাপন করে থাকে। পূজা শেষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, রংয়ের ছড়াছড়ি, গান বাজনায় জেলাজুড়েই সৃষ্টি হয় উৎসবের আমেজ। ‘মূলত শিক্ষার্থীরাই সরস্বতী পূজায় মনোযোগী হয়। ঘরে অথবা সার্বজনীন পূজা মন্ডপে সরস্বতী দেবীর পূজা দিয়ে থাকে।
Manikgonj pic
পূজার সপ্তাহখানেক আগে থেকেই প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়। এসময় দম ফেলার ফুসরত পায়না প্রতিমা কারিগড়রা। পূজোর দিন সকালেও প্রতিমা সরবরাহ করতে হিমশিম অবস্থায় পরেন কারিগড় ও পূজারীরা। এরপর পুরোহিতের পালা। এক এলাকাতেই অনেক মন্ডপ হওয়ায় পূজা-অর্চনা ও মন্ত্র পাঠে পুরোহিতরা হয়ে পড়েন ভীষণ ব্যস্ত। শত শত শিক্ষার্থী অস্থায়ী মন্ডপে হাজির হন সকালবেলার প্রার্থনার জন্য। পূজা চলে দীর্ঘ সময় ধরে। শিক্ষার্থীরা শিক্ষায় মনঃষ্কাম পূরণের আশায় অঞ্জলি দেন প্রতিমায়। শিক্ষার্থীরা প্রতিমার পদতলে খাতা-কলম রাখেন। পূজা শেষে সেসব নিয়ে ঘরে ফেরেন আনন্দচিত্তে। পূজা শেষে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের হাতেখড়ি অনুষ্ঠান হয়ে থাকে পূজামন্ডপেই। পুরোহিতের কাছে কলাপাতায় লিখে শিশুরা লেখাপড়ার পর্ব শুরু হবে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। বিকাল থেকেই বাহারি সাজ পোশাকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে মন্ডপ এলাকা। এরপর চলে প্রসাদ বিতরণ। সন্ধ্যার পর আলোর ঝলকানি আর গান-বাজনায় উৎসবের আমেজ আরো বেড়ে যায়।

বানিয়াজুরী ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী অর্পিতা সাহা জানায়, স্বরসতী পূজায় আমরা বিদ্যার জন্য প্রার্থনা করি। নতুন শাড়ি আর আনন্দ উৎসবে পালন করি স্বরসতী পূজা। মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অতীন্দ্র চক্রবর্তী বিপ্লব বলেন, “ঐতিহ্যগতভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সাথে এখানে পূজা উদযাপিত হয়ে থাকে। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আবহমানকাল ধরে সব মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে আসছেন। মানিকগঞ্জে অন্যতম উৎসবে পরিণত হয় স্বরসতী পূজাতে।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.