সাম্প্রতিক পোস্ট

স্বাস্থ্যসেবাকে সার্বজনীন করতে হবে

মানিকগঞ্জ থেকে বিমল চন্দ্র রায়
মানিকগঞ্জ জেলার স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে জনসচেতনতা ও অধিকার রক্ষায় নাগরিক ফোরাম জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের এক মতবিনিমযও উদ্বোধনী আজ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থপেডিক বিশেষজ্ঞ ও মানিকগঞ্জ জেলা বিএমএ সভাপতি এবং সভাপতি জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরাম ডাঃ পংকজ কুমার মজুমদার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ লুৎফুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মানিকগঞ্জ জেনারেল হাসপাতােেলর তত্ত¡াবধায়ক ডা. মোঃ আরশ্বাদ উল্লাহ, বিএমএ জেলা সাধারণ সম্পাদক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রাজিব বিশ্বাস, বিশিষ্ট আইনজীবী ও পরিবেশবাদি এ্যাডভোকেট দীপক কুমার ঘোষ, প্রভাষক নাজমুন নাহার, শিক্ষক নেতা কাশিনাথ সরকার প্রমুখ।


সভায় ডাঃ লুৎফর রহমান বলেন, ‘সরকারের উন্নয়নের সাথে আয়োজক সংস্থার লক্ষ্য অনুরূপ হওয়ায় স্বাস্থ্য দাতা ও গ্রহীতাদের মধ্যে মিল থাকলে সমস্যা দূর করা সহজ হয়। সরকার সকলের জন্য করোনা প্রতিরোধে টিকাকরণ কার্যক্রম জোরদার করেছে।’ ডাঃ পংকজ কুমার মজুমদার বলেন, ‘আমি স্বাস্থ সেবা খাতে ৩০ বছরের অধিক সময়ে যুক্ত থেকে দেখতে পাচ্ছি যে এখনও একটি কার্যক্রম স্বাস্থ্য নীতিমালা নেই। অনেক সীমাবদ্ধতার পরও আমাদের অনেক ধরনের অর্জন আছে। রোগীদের সচেতন হতে হবে। কারণ আমাদেরও সীমাবদ্ধতা আছে।


ডা ঃ আরশ্বাদ উল্লাহ বলেন, ‘স্বাস্থ্য শিক্ষা স্যানিটেশন বিষয়ে গ্রামে গ্রামে বেঠক করে সচেতন করা দরকার আছে। মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল ৫০ শয্যা বিশিষ্ট ছিল বর্তমানে ২৫০ শয্যার হয়েছে, রোগী কিন্তু দিনদিন বেড়েই চলছে। প্রয়োজনীয় লোকবল ও ডাক্তার বা নার্স স্বল্পতা আছে। সরকার ও নাগরিকদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য সদর হাসপাতলসহ কমিউনিটি ক্লিনিক সুবিধাসমূহ যাতে মানুষ পেতে পারে তার জন্য নাগরিকদের সংযুক্ত করে কমিটি আছে।’


ডাঃ রাজিব বিশ্বাস বলেন, ‘একসময় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুরোটাই ছিল সেবানির্ভর। বর্তমানে তা বাণিজ্যিক রূপ লাভ করেছে। এরপরও বিজ্ঞানের উৎকর্ষতায় স্বাস্থ্য সেবার বিষয়টি ও উন্নত হয়েছে।’ এ্যাডভোকেট দীপক কুমার ঘোষ বলেন, ‘গ্রাম থেকে আসা রোগীটি যেন চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে না যান এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ থাকা জরুরি।’ কাশিনাথ সরকার বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবার মান অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে ভালো। উন্নত দেশগুলো আজ মহামারিতে আক্রান্ত। বাংলাদেশ সেখানে করোনার মহামারী নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে।’ নাজমূন নাহার বলেন, ‘আমাদের সময় মাতৃত্বকালিন অবস্থায় স্বাস্থ্য সেবা থেকে তেমন সহযোগিতা পাইনি। বর্তমানে কিশোর-কিশোরী বয়স হতে স্বাস্থ্যসেবার সরকারি নানান সহযোগিতা পাচ্ছে। এটা স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের একটি লক্ষণ।’

happy wheels 2

Comments

%d bloggers like this: