Posted in

তানোর উপজেলা চত্বর এখন পাখির অভয়াশ্রম

তানোর, রাজশাহী থেকে অসীম কুমার সরকার

ভাষার মাসে তানোর উপজেলা চত্বরকে পাখির অভয়াশ্রম ঘোষণা করলেন রাজশাহী জেলা আ’লীগের সভাপতি ও রাজশাহী-১ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। গত মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা শহীদ মিনার চত্বরে তিনি কবুতর উড়িয়ে এবং গাছে মাটির পাত্র (ভাঁড়) বেঁধে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। 3এই প্রসঙ্গে সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, “পাখির জন্য শুধু অভয়াশ্রম করলে হবে না। আমাদের সবাইকে পাখি শিকার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।”
উপজেলা চত্বরকে পাখির অভয়াশ্রম করার জন্য তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার, ফেস্টুন লাগিয়ে দিতে হবে। যাতে কেউ পাখির শিকার করতে না পারে। প্রয়োজনে যারা পাখি শিকার করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।”

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং উপজেলা যুব পরিষদের সহায়তায় রাজশাহী-১ আসনের সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপজেলা পরিষদ চত্বরকে পাখির অভয়াশ্রম ঘোষণা করেন। প্রাণিবৈচিত্র্য রক্ষায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে গাছে গাছে ১৫০টি মাটির ভাঁড় বেঁধে দেন উপজেলা যুব পরিষদের সদস্যরা।
2
উপজেলা পরিষদ চত্বরকে পাখির অভয়াশ্রম ঘোষণার মূল উদ্যোক্তা ও  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহা. শওকাত আলী বলেন, “নানা কারণে পাখির আবাসস্থল কমে যাচ্ছে। তাই আমরা পর্যায়ক্রমে পুরো উপজেলাকে পাখির জন্য অভয়াশ্রম তৈরি করবো। পাখিসহ প্রকৃতির প্রতিটি প্রাণই আমাদের জন্য অপরিহার্য। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় উপজেলা চত্বরকে পাখির অভয়াশ্রম হিসেবে গড়ে তোলার সামান্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টির কাজটিও সম্পন্ন হবে।”

তানোর উপজেলা চত্বরকে পাখির অভয়াশ্রম ঘোষণার কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহাকারী কমিশনার (ভূমি) মোসা. নিলুফা ইয়াসিমন, তানোর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মির্জা মো. আব্দুস সালাম, বারসিক বরেন্দ্র অঞ্চল আহবায়ক পরিবেশ পদক প্রাপ্ত কৃষক মো. ইউসুফ মোল্লা, যুব পরিষদের উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, উপদেষ্টা আদর্শ কৃষক নূর মোহাম্মদ, কলমা ইউপি চেয়ারম্যান মো. লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না, তানোর সাহিত্য পরিষদের সভাপতি কবি অসীম কুমার সরকার, বারসিক বরেন্দ্র অঞ্চল প্রতিনিধি মো. শহিদুল ইসলাম, সহযোগী গবেষক অমৃত কুমার সরকার, শহিদুল ইসলাম শহিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.