সাম্প্রতিক পোস্ট

ভাষা আন্দোলন ও মানিকগঞ্জ

ভাষা আন্দোলন ও মানিকগঞ্জ

আব্দুর রাজ্জাক, ঘিওর (মানিকগঞ্জ) ॥

“ভাষা আন্দোলন” বাংলা ও বাঙালির এক ঐতিহাসিক পটভূমি। ১৯৫২ সালে বাংলার অকুতোভয় ভাষা সৈনিক দামাল ছেলেরা বুকের তাজা রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করে সৃষ্টি করেছিল এক বিরল ইতিহাস। সেই দিন যে সন্তানেরা-মা, মাতৃভাষার নাড়ির অবিচ্ছেদ্য সর্ম্পকের টানে জীবন দিয়ে সমগ্র বাঙালি জাতিকে করেছেন গৌরবান্বিত তাঁদের একজন রফিক উদ্দিন আহমদ। ১৯৫২ থেকে ২০১৮, পেরিয়ে গেছে কয়েক’টি যুগ। কিন্তু আজও অজ্ঞাত রয়ে গেছে তার কবর। স্মৃতি রক্ষা কিংবা সংরক্ষণেও নেই তেমন কোন উদ্যোগ।

1ভাষার লড়াই ছিল বাংলা এবং বাঙালির প্রথম সার্থক লড়াই। আর এই লড়াই ও বিজয়ের এক মহানায়ক মানিকগঞ্জের শহীদ রফিক উদ্দিন আহমদ। সিংগাইর উপজেলার বলধরা ইউনিয়নের প্রাচীন গ্রাম পারিলে ১৯২৬ সালের ৩০ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন এই মহামানব। রফিকের বাবার নাম আব্দুল লতিফ মা রাফিজা খাতুন। তাঁর পিতা আবদুল লতিফ ছিলেন ব্যবসায়ী, কলকাতায় ব্যবসা করতেন। রফিকরা ছিল পাঁচ ভাই ও দুই বোন। ভাইদের মধ্যে রফিক ছিল সবার বড়। শৈশবে গ্রামের স্কুলেই তিনি লেখাপড়া করেন। এরপর সিংগাইরের বায়রা হাই স্কুলে। এ স্কুল থেকেই ১৯৪৯ সালে ম্যাট্রিক পাশ করেন তিনি। তারপর ভর্তি হন দেবেন্দ্র কলেজের বাণিজ্য বিভাগে এবং ১ম ও ২য় বর্ষ পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। তারপর লেখাপড়া বিরতি। ঢাকার বাবুবাজারে আকমল খাঁ রোডে পিতার সঙ্গে পারিল প্রিন্টিং প্রেস নামে ছাপাখানা পরিচালনা শুরু করেন। পরে ঢাকার জগন্নাথ কলেজে (বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ) ভর্তি হন। জগন্নাথ কলেজেল ছাত্র থাকাকালেই শাহাদাৎ বরণ করেন তিনি।

শহীদ রফিকই সম্ভবত পৃথিবীতে ভাষার জন্য প্রথম শহীদের মর্যাদা লাভ করেন। তবে পাকিস্তানি হায়েনেরা তাকে মেরেই ক্ষান্ত হয়নি ঢাকা মেডিক্যাল থেকে তার লাশ লুকিয়ে ফেলে এবং জনরোষের ভয়ে পরদিন সেনাদের সহযোগিতায় আজিমপুর কবরস্থানে শহীদ রফিককে দাফন করা হয়। কিন্তু তাঁর কবরের কোন চিহ্ন রাখা হয়নি। ফলে আজিমপুর কবরস্থানে হাজারো কবরের মাঝে ভাষা শহীদ রফিকের কবরটি অচিহ্নিত থেকে গেল। এই মহান লোকটি নিজের ভালোবাসার মানুষকে ফেলে, নতুন জীবনের সমস্ত আশাকে বিলিয়ে দিয়ে তিনি আমাদের মায়ের মুখের ভাষাকে ফিরিয়ে দিয়ে গেলেন। শহীদ রফিক আর কোনদিন তার ভালোবাসার “পারিল” গ্রামে ফিরে যেতে পারেনি। তিনি ঢাকার বুকেই চিরনিদ্রায় শায়িত হয়ে রইলেন হাজারো কবরের ভীড়ে। ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সরকার শহীদ রফিককে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করেন। ২০০৮ সালের ১৫ মে বাংলাদেশ সরকারের অনুমতিক্রমে ভাষাসৈনিক রফিক উদ্দিন আহমদের স্মৃতিকে চিরজাগ্রত রাখতে তাঁর জন্মস্থান সিংগাইর উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের ‘পারিল’ গ্রামের নাম পরিবর্তন করে রফিকনগর নামকরণ করা হয়েছে এবং সেখানে এক বিঘা জায়গার ওপরে গড়ে উঠেছে শহীদ রফিক উদ্দিন আহমদ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর। বেসরকারি সংস্থা প্রশিকা শহীদ রফিক জাদুঘর স্থাপন করে ভাষাশহীদ রফিকের নিজ বাসভবনে। রফিকের বেশকিছু দুর্লভ ছবি রয়েছে এখানে। এছাড়া বাংলা একাডেমি, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এবং প্রশিকাসহ বিভিন্ন সংগঠন থেকে দেওয়া এগারো হাজারের মতো বই রয়েছে এ জাদুঘরে।

2

বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার আন্দোলনের ঢেউ এসে পৌঁছায় মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার তেরশ্রী গ্রামে। তৎকালীন মানিকগঞ্জ মহকুমা শহরে গড়ে উঠে ‘মাতৃভাষা আন্দোলন সংগ্রাম পরিষদ’। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত উক্ত পরিষদের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন চলতে থাকে। আর এ আন্দোলনে শামিল হন মানিকগঞ্জের আরো ২১ জন কৃতি সন্তান। তেরশ্রী কে এন (কালী নারায়ণ) ইনষ্টিটিউশনের শিক্ষক ও ছাত্রদের অংশগ্রহণেই এই আন্দোলনের সূচনা ঘটে। কে এন ইনষ্টিটিউশনের তৎকালীন সহকারি প্রধান শিক্ষক প্রমথ নন্দী এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। তার সাথে যুক্ত হোন এ প্রতিষ্ঠানের ক্রীড়া শিক্ষক আফসার উদ্দিন আহম্মেদ। এ দু’জনের নেতৃত্ব ও প্রেরণায় আন্দোলন ক্রমশ বেগবান হতে থাকে। ‘মাতৃভাষা আন্দোলন সংগ্রাম পরিষদ’ সংগঠনে ধীরে ধীরে সদস্য সংখ্যা বাড়তে থাকে। আন্দোলনে যুক্ত হয় প্রগতিশীল ছাত্র ও তৎকালিন সিপিবি’র নেতাকর্মীরা।

মানিকগঞ্জের ঘিওর ও দৌলতপুর উপজেলা মিলে উক্ত সংগঠনের সদস্য সংখ্যা হয় ১৬ জন। পরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে আরো ৫ জন যুক্ত হন। ফলে উক্ত সংগঠনের মোট সদস্য সংখ্যা হয় ২১ জন। এরা হলেন-ঘিওর উপজেলার পয়লা ইউনিয়নের কুষ্টিয়া গ্রামের প্রমথ নন্দী, বাইলজুড়ী গ্রামের আফছার উদ্দিন আহম্মেদ, ডা. আব্দুস সালাম, বড় কুষ্টিয়া গ্রামের ডা. মোবারক আলী, সিধু নগর গ্রামের আব্দুর রহমান ঠাকুর, পয়লা গ্রামের মো. ওয়াজ উদ্দিন, বালিয়াখোড়া ইউনিয়নের ভালকুটিয়া গ্রামের প্রমথ সরকার (প্রমথ লস্কর), পেঁচারকান্দা গ্রামের মো. রেহাজ উদ্দিন, পাচুরিয়া গ্রামের খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, দৌলতপুর উপজেলার ধামশ্বর ইউনিয়নের কাকনা গ্রামের আব্দুল হাকিম, মিরান উদ্দিন, কলিয়া ইউনিয়নের গাজী ইসাইল গ্রামের মণীন্দ্র নাথ সরকার, উলাইল গ্রামের সিরাজ উদ্দিন মৃধা, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ডা. শামসুর রহমান, বেতিলা গ্রামের আনোয়ার আলী চৌধুরী, মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, জাফর আলম চৌধুরী (গ্রামের নাম জানা যায়নি), ডা. শামসুর রহমানের বোন রোকেয়া সুলতানা ও ভগ্নিপতি খলিলুর রহমান, ভূপেন্দ্রনাথ (হাসি) ও তৎকালিন সময়ে মানিকগঞ্জে দায়িত্বরত পুলিশ ইন্সপেক্টর মো. দবির উদ্দিনের ছেলে ওয়ারেশ পাশা। এদের মধ্যে বেশিরভাগ ভাষা সৈনিক মৃত্যুবরণ করেছেন। যারা জীবিত রয়েছেন তারাও শারীরিকভাবে সুস্থ নন।

3

জানা গেছে, ঢাকা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের প্রকাশিত কিছু লিফলেট ডাক মারফত ঘিওরের তেরশ্রী কেএন ইনষ্টিটিউশনের নবম শ্রেণীর ছাত্র রেহাজ উদ্দিনের নামে আসে। লিফলেটগুলো ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী কেএন ইনষ্টিটিউশনের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এতে উদ্বুদ্ধ হয়ে তারা মিছিল ও মিটিং এর কর্মসূচি দেয়। এ কর্মসূচিতে রাষ্ট্রভাষা বাংলা ও জমিদারী প্রথা বাতিলের দাবি উঠে। এ ঘটনায় তৎকালীন পয়লা ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় মুসলিম লীগ নেতা আব্দুল গণি এবং ইসমাইল হোসেন ঘিওর থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৯৪৯ ইং সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে ভূপেন্দ্রনাথ দাস (হাসি), রেহাজ উদ্দিন, ওয়াজ উদ্দিন ও মণীন্দ্র নাথ সরকার গ্রেফতার হোন। পরে তাদেরকে মানিকগঞ্জ কোর্টে পাঠানো হয়। জেলা কারাগারে খাওয়া-দাওয়াসহ নানা অনিয়মের প্রতিবাদ করায় ১৬ দিন পর তাদেরকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়। তৎকালীন কংগ্রেস নেতা এমসিএ আইনজীবী ভবেশ চন্দ্র নন্দীর আইনী সহায়তায় সেখান থেকে ১৮ দিন পর তারা জামিনে মুক্তি লাভ করেন। তারপরও তারা থেমে থাকেননি, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চালিয়ে গেছেন ভাষা সংগ্রামের লড়াই। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায় রাষ্ট্রভাষার দাবিতে এই সংগ্রামী সৈনিকরা তেরশ্রী থেকে ঘিওর উপজেলা পর্যন্ত মিছিল করেন। ১৯৪৯ সালে ঘিওর থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া চার ভাষা সৈনিকের ৪ জনই মারা গেছেন।

ভাষা আন্দোলনে অংশ নেয়া এই ২১ জন ভাষা সৈনিক ও আন্দোলনের স্থান ঘিওরের তেরশ্রীতে স্মৃতির উদ্দেশ্যে একটি স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভাষা আন্দোলনে মানিকগঞ্জের অবদানের ইতিহাস জানতে পারে।

রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করার আন্দোলনের সঙ্গে যারা সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন তাদের মধ্যে মানিকগঞ্জের ওয়াজ উদ্দিন মাস্টার অন্যতম। ১৯৩৪ সালের পহেলা মার্চ মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার তেরশ্রীর পয়লা গ্রামে বাহার উদ্দিন ও দুলি বেগম দম্পতির ঘরে জন্ম নেন তিনি। ভাষা আন্দোলনের জন্য মানিকগঞ্জে কয়েকদিন জেল খাঁটার পর তাদের পাঠানো হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হওয়ায় তাদের পক্ষে প্রথমে কোনো আইনজীবী পাওয়া যাচ্ছিলো না। পরে এম সি এ আইনজীবী ভবেশ নন্দী তাদের জামিনে মুক্তি করিয়ে আনেন। কিন্তু জেল থেকে বেড়িয়ে তাদের আন্দোলন থেমে যায়নি। বিভিন্ন প্রকার মঞ্চ নাটক এবং গানের মাধ্যমে ঘিওরের বিভিন্ন মহল্লায় তারা বাংলা ভাষার গুরুত্ব তুলে ধরেন। সকলের কাছে তিনি ওয়াজউদ্দিন মাস্টার নামেই পরিচিত ছিলেন। যিনি ভাষার জন্য সংগ্রাম করে জেল খেটেছেন, কিন্তু ভাষা সৈনিকের স্বীকৃতিটা জোটেনি তার ভাগ্যে।

ফেব্রুয়ারি মাস আসলেই ডাক পড়ে আমাদের কিন্তু এর পর আর কেউ খোঁজ রাখে না। অনেকটা আক্ষেপের সুরে কথাগুলো বললেন ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী গ্রামের ভাষা সৈনিক মিরান উদ্দিন। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সেই ৯ম শ্রেণীর টসবগে কিশোর মিরান এখন ৮৪ বছরের বৃদ্ধ। ১৯৩৪ সালের ২৮ আগস্টে জন্ম। তবে সেদিন স্কুল প্রাঙ্গণের পলাশ গাছটি ফুলে ফুলে রক্তিম ছিল। এ থেকে তিনি ধারণা করলেন মাসটি ফাল্গুন। জানালেন, তিনি ছিলেন নবম শ্রেণি ক্লাসের ক্যাপ্টেন। সেদিন স্কুলে আসার পর তাকেসহ ওয়াজেদ উদ্দিন, রেহাজ উদ্দিন, নিরঞ্জন, যতিনকে ডেকে পাঠান স্কুলের শিক্ষক প্রমথনাথ নন্দী ও আফসার উদ্দিন। ঢাকায় বাংলা ভাষা নিয়ে আন্দোলন সম্পর্কে তাদের বোঝান দুই শিক্ষক। বলেন উর্দু যদি রাষ্ট্রভাষা হয় তা হলে বাঙালিদের নিজস্বতা বলতে কিছু থাকবে না। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে। ঢাকা থেকে ছাত্র সংগ্রামের পাঠানো লিফলেট তাদের হাতে দিয়ে বলেন এগুলো ক্লাসে ক্লাসে গিয়ে ছাত্রদের মাঝে বিলি করতে হবে।

4

বর্তমানে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ঘিওর উপজেলার তেরশ্রী গ্রামের ভাষা সৈনিক কমরেড আ. হাকিম মাস্টার। তিনি ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হলেও ভাগ্যে জোটেনি কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে তিনি মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কর্মজীবনে কমরেড আ. হাকিম মাস্টার তেরশ্রী কে.এন. ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং ৯০’এর স্বৈরাচারী বিরোধী আন্দোলনে তিনি রাজপথে থেকে সক্রিয় আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৪৯ সালে আ. হাকিম মাস্টার তেরশ্রী কে.এন. ইনস্টিটিউশনের ছাত্র থাকাকালীন ভাষা আন্দোলনে যুক্ত হয়ে পড়েন।

ভাষা সৈনিক কমরেড আব্দুল হাকিম মাস্টারের সাথে আলাপকালে তিনি দুঃখ করে বলেন, “ভাষার জন্য আমরা সংগ্রাম করেছি, জেল খেটেছি, জুলুম-অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করে দিনের পর দিন পালিয়ে থেকেছি। মায়ের ভাষার জন্য এ দেশের ছাত্ররা ঢাকা রাজপথে বুকে রক্ত ঢেলে দিয়েছে। এতোকিছুর পরেও ভাষার প্রতি চলছে চরম অবজ্ঞা।” তিনি আরও বলেন, “২১শে ফেব্রুয়ারি আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস হওয়ায় বুকটা গর্বে ভরে গেছে। আবার দূঃখে কান্না আসে, আনন্দটা ম্লান হয়ে যায়। যখন দেখি আমাদের দেশে সর্বস্তরে বাংলা ভাষার এখনও যথার্থ প্রয়োগ নেই। সব বিতর্কের উর্ধ্বে উঠে সর্বস্তরের বাংলা ভাষার ব্যবহার বাস্তবায়ন করা হোক।”

happy wheels 2

Comments

%d bloggers like this: