Posted in

শিক্ষার্থীদের অংকিত ছবিতে বরেন্দ্রের দুর্যোগ

রাজশাহী থেকে মো. জাহিদ আলী

১০ মার্চ জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস। এ বছর দুর্যোগ প্রস্ততি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতি, হ্রাস করবে জীবন ও সম্পদের ঝুকি’। জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে গোদাগাড়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস ও বারসিকের যৌথ আয়োজনে সম্প্রতি উপজেলা সম্মেলন কক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বিপুর কুমার মালাকার এর সভাপতিত্বে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকতা শামসুল কবীর, উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা খন্দকার মাহফুজুল হক ।

DSC02501
চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা মহিষালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, আফুজি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বাংলাদেশের মানুষ কোন কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সন্মূখীন হয় তা চিত্রায়ন করতে হবে। ঘণ্টাব্যাপী চিত্রাংকনের পর শিক্ষার্থীরা কে কোন বিষয়ে অংকন করেছে এবং এর দ্বারা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কোন কোন বিষয়গুলো তুলে আনতে চেষ্টা করেছেন তা উল্লেখ করেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার বিপুল কুমার মালাকার বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক একটি মন্ত্রণালয় আছে। এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয় ক্ষতি ও দুর্যোগ প্রশমনে কাজ হয়। তার মধ্যে একটি অন্যতম কাজ হচ্চে অতি দরিদ্রের জন্য কর্মসৃজন প্রকল্প। এই প্রকলের আওতায় অতি দরিদ্র মানুষের তালিকা করে তাদের কাজে বিনিময়ে প্রতিদিন দুইশত টাকা করে প্রদান করা হয়।’ তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্যেশে বলেন, ‘তোমরা আগামী প্রজন্ম। দুর্যোগ সম্পর্কে তোমাদের ধারণা থাকলে দুর্যোগ প্রশমণ ও মোকাবেলায় ভুমিকা রাখতে পারবে।’

DSC02500
এ প্রসঙ্গে মহিষালবাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুরাইয়া আক্তার বলে, ‘আমি এই এলাকার খরা বিষয়ে চিত্রাংকন করেছি। আমি মনে করি আমরা খরা প্রবণ এলাকায় বাস করি। খরার কারণে মানুষ জমিতে চাষাবাদ করতে পারে না। চাষযোগ্য ফসল সুর্যের তাপে পুড়ে যায়।’

আফুজি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহমিদা আক্তার বলে, ‘আমি বাংলাদেশে অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত দুর্যোগ বন্যা নিয়ে চিত্রাংকন করেছি, আমাদের দেশে প্রতিবছর বন্যার কারণে ব্যাপক ফসল ও প্রাণী সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়। অনেক মানুষ জমিহার ভিটেবাড়ি হারা হয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়, যা আমি আমার চিত্রাংকনের মাধ্যমে তুলে ধরেছি।’

DSC02503
চিত্রাংকন পরবর্তী বিচার প্যানেলের মাধ্যমে মহিষালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের আনিকা আক্তার জুই প্রথম, আফুুজি উচ্চ বিদ্যালয়ের সানিয়া আনাম দ্বিতীয় এবং মহিষালবাড়ী বিদ্যালয়ের আতিয়া রানা তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। চিত্রাংকনে প্রতেকে অংশগ্রহনকারী পুরস্কারসহ প্রথম,দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানকারীকে পুরস্কৃত করা হয়।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.