Posted in

পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় এলাকার যুবদের সম্পৃক্ত করতে হবে

নেত্রকোনা থেকে হেপী রায়

বারসিক উদ্যোগে জনসংগঠন ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে গত ২২ মে আন্তর্জাতিক প্রাণবৈচিত্র্য দিবস উপলক্ষে অনলাইন আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় অংশগ্রহণ করেছেন নেত্রকোণা অঞ্চলের শিক্ষা, সংস্কৃতি, পরিবেশ ও বৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সদস্য, বিশিষ্ট সাংবাদিক, শিক্ষক, কৃষক/কৃষাণী, যুব প্রতিনিধি ও বারসিক নেত্রকোণা অঞ্চলের কর্মকর্তাগণ। এছাড়াও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বারসিক’র পরিচালক সৈয়দ আলী বিশ্বাস। উক্ত অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন নেত্রকোণা রিসোর্স সেন্টারের সমন্বয়কারী অহিদুর রহমান।

বিশিষ্ট সাংবাদিক শ্যামলেন্দু পাল বলেন, ‘পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় এলাকার যুবদের সম্পৃক্ত করতে হবে। প্রয়োজনে তাদের আর্থিক সহযোগিতা দিতে হবে। যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান বা উদ্যোগী ব্যক্তি আছেন, তারা যেন যুবদের বিনা সূদে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে। যাতে করে যুবরা বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে পারে।

শিক্ষক গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবেনা এগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্যও ব্যবস্থা নিতে হবে।’
ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘এখন যে হারে বজ্রপাত হচ্ছে তা বন্ধে আমাদের কাজ করতে হবে।’ তিনি পরিবেশ সংরক্ষণে এলাকাভিত্তিক গ্রুপ তৈরি করার কথা বলেন। সেই গ্রুপের সাহায্যে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া তিনি নদী খনন, অভয়ারণ্য তৈরীর বিষয়েও গুরুত্বআরোপ করেন।

এর আগে আলোচনার শুরুতে যুব সংগঠনের সদস্যরা প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় তাদের কার্যক্রমগুলো তুলে ধরেন। হাওড় এলাকার যুব সদস্য মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমাদের সংগঠন নদী রক্ষা নিয়ে কাজ করছে। আমরা নদীর পাড়ে বিভিন্ন ধরণের প্রায় ১২শ’ গাছ রোপণ করেছি।’
বিশ্বনাথপুর কৃষাণী সংগঠনের সদস্য পারভীন আক্তারের সংগঠনের সদস্যরা নিজ উদ্যোগে পরিবেশ সংরক্ষণে বাড়ির আঙিনায় বিভিন্ন ধরণের গাছ রোপণ করছেন। এছাড়াও সারাবছর বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ করে যাচ্ছেন এবং পরিবেশবান্ধব কৃষিচর্চা বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
ধলাই পাড়ের কিশোরী সংগঠনের সদস্য রুনা আক্তার জানান, তারা নিজেদের গ্রামের পরিবেশ উন্নয়নে গত বছর থেকে তাল গাছ রোপণ করা শুরু করেছেন। তাছাড়া নদীর পাড়ে বাড়ি হওয়ার কারণে নদীর পানির উপর তারা অনেকটাই নির্ভরশীল। সে কারণে নদীর পানি যাতে অপচয় বা দূষিত না হয় সেজন্যও তারা কাজ করে যাচ্ছে। আগামীতে রাস্তার দুপাশে বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।
কদমতলী যুব সংগঠনের সদস্যরা পাখি রক্ষায় গাছে মাটির হাঁড়ি বেঁধে রাখা, তালসহ অন্যান্য বৃক্ষরোপণ, নদী রক্ষায় প্রচারণা ইত্যাদি কাজ করছেন।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.