সাম্প্রতিক পোস্ট

মাটির প্রাণবৈচিত্র্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় ভার্মিকম্পোষ্ট

রাজশাহী থেকে অমৃত সরকার
বারসিক’র উদ্যোগে আজ ২৬ আগস্ট ‘মাটির প্রাণবৈচিত্র্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় ভার্মিকম্পোস্ট’ শিরোনামে এক অনলাইন আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বরেন্দ্র অঞ্চলের ৪টি উপজেলার ২০ জন ভার্মিকম্পোস্ট চাষী অংশগ্রহণ করেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর পবা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা।
সভায় প্রধান অতিথি শারমিন সুলতানা জানান, ভার্মি কম্পোস্ট নিয়ে সরকারের বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা আছে। এই সার উপৎপাদনে পবা উপজেলার সকল ভার্মি কম্পোষ্ট উৎপাদনকারীর সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে আগামীতে সহযোগিতার আশ^^াস দেন। তিনি ভার্মি কম্পোষ্টের গুণাগুণ ও পবা উপজেলা যেহেতেু ব্যাপক আকারে আলু ও সবজি চাষ হয় সেখানে ভার্মিকম্পোষ্ট সারের উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করেন।


বারসিক’র পরিচালক এবিএম তৈাহিদুল আলম ভার্মি কম্পোষ্ট নিয়ে বারসিকের কর্ম প্রক্রিয়া ও সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলে যে কৃষক-কৃষাণীরা ভার্মি কম্পোষ্ট করছে তাঁদের একটি সংগঠন গরে তোলা প্রয়োজন যাতে করে সকলের স্বার্থ রক্ষা হয়। এটা নিয়ে আরো বেশি প্রচার করা প্রয়োজন তাহলে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে।’


সভায় তানোর উপজেলার বহড়া গ্রামের আঃ হামিদ বলেন, ‘এই সারের গুনাগুণ আরো বেশি প্রচার করার হলে সকল কৃষক এটা ব্যবহারে আগ্রহী হবে। যার প্রভাব পরিবেশে পড়বে, পরিবেশ সংরক্ষণ হবে।’ নাচোল থেকে মোঃ রঞ্জু আকন্দ বলেন, ‘আমি ২০১৭ সাল থেকে এই সার উৎপাদনের সাথে জড়িত। এই সার ব্যবহার করে কৃষকরা খুবই ভালো ফলাফল পাচ্ছেন। আগামীতে আমার উৎপাদন আরো বাড়বে।’ পবা উপজেলার মোছাঃ বিলকিস বেগম বলেন, ‘আমার জমি জমা কম কিন্তু এই সার উৎপাদন ও বিক্রয় করে আমি আমার সংসার চালাতে পারছি। আমি ২০১৬ সালে শুরু করি এরপর বারসিক আমাকে সহযোগিতা করে। এখন প্রতিমাসে আমি ৪০-৫০ বস্তা সার বিক্রয় করে সংসারের সকল খরচ বহন করি।’

এর আগে অনুষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ও বারসিক’র বরেন্দ্র অঞ্চলের কাজের বিভিন্ন নিয়ে আলোচনা করেন বারসিক বরেন্দ্র অঞ্চলের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মোঃ শহিদুল ইসলাম এবং অুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বারসিকের কর্মসূচি কর্মকর্তা অমৃত সরকার।

happy wheels 2

Comments

%d bloggers like this: