Posted in

যুব সংগঠনগুলো দুর্যোগ মোকাবেলায় ভুমিকা রাখতে পারে

হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ থেকে মুকতার হোসেন

হরিরামপুর উপজেলায় লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় (নটাখোলা) যুব টিমের আয়োজনে বারসিক’র সহায়তায় “জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবেলায় যুবকদের করণীয় বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে সম্প্রতি। উক্ত কর্মশালায় হরিরামপুর চরাঞ্চলে ২৫ জন যুব টিমের সদস্য, ইউপি সদস্য, শিক্ষক, সমাজ সেবক ও লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সচিব অংশগ্রহণ করেন। শুরুতেই শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন নটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওর্য়াডের সদস্য মোতালেব হোসেন।

প্রশিক্ষণে জলাবায়ু পরিবর্তন, আবহাওয়া, দুর্যোগ, দুর্যোগের ধরন, ঝুঁকি, আপদ নিয়ে আলোচনা করা হয়। দুর্যোগে যুবকদের করণীয় বিষয়ে অংশগ্রহণমূলক আলোচনা করা হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন যুব টিমের সভাপতি ফয়সাল হোসেন, ইউপি সদস্য মোতালেব হোসেন, নটাখোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন, শিক্ষক আলমগীর, যুব টিমের সদস্য সেলিম হোসেন ও সাবিহা আক্তার।

আলোচনায় অংশগ্রহনকারীরা বলেন, ‘হরিরামপুর উপজেলার মধ্যে লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়ন একটি দুর্যোগপ্রবণ ইউনিয়ন হিসেবে চিহ্নিত। প্রতিবছর বন্যা, নদী ভাঙন, খরা ও অতিবৃষ্টির কারণে জমির ফসল, গাছপালা, রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ জান-মালের ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর এই ক্ষতি কমানোর জন্য এলাকায় যুবকদের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। বিভিন্ন দুর্যোগের সময় যুবকদের সাড়া প্রদান, উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করাসহ দুর্যোগের পুর্বে, দুর্যোগের সময় এবং দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে প্রস্তুতি বিষয়ে সচেতন করার কাজগুলো করতে পারে।’

এই বিষয়ে যুবটিমের সভাপতি ফয়সাল হোসেন বলেন, ‘আমরা বন্যার সময় ভাঙ্গা রাস্তা বাঁশের সাঁকো নির্মাণ, বৃক্ষ রোপণ, চিকিৎসা সহায়তা প্রদানে তথ্য প্রদান, বন্যার সময় জরুরী ত্রাণ কার্যক্রমে কার্যক্রমগুলো সহায়তা করে থাকি।
নটাখোলা উচ্চ বিদালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘চরে প্রতিবছর বন্যা এবং নদীভাঙন হয়। ফলে আমাদের এলাকায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইতিমধ্যে আমাদের পাশের ইউনিয়ন আজিমনগরে আজিমনগর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি চারতলা ভবন সম্পূর্ণ নদীভাঙ্গনে ফলে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তাই প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর মানুষ সৃষ্ট দুর্যোগ হোক না কেন আমাদের সবার মধ্যে জনসচেনতা বাড়াতে হবে। এতে এলাকার যুব সংগঠনগুলো দুর্যোগ মোকাবেলায় ভূমিকা রাখতে পারে।’

ইউপি সদস্য মোতাবেল হোসেন বলেন, ‘প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমাদের দক্ষতা বৃদ্ধি পায় এবং সক্ষমতা তৈরি করে। দুর্যোগ মোকাবেলায় যুবকদের বিভিন্ন কার্যক্রমে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

প্রশিক্ষনে সহায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, প্রোগ্রাম অফিসার মুকতার হোসেন এবং সত্যরঞ্জন সাহা।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.