Posted in

পলিথিনমুক্ত রাজশাহীর দাবিতে তরুণদের স্মারকলিপি

রাজশাহী থেকে শামীউল আলীম শাওন
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নের মাধ্যামে রাজশাহী শহরকে পলিথিনমুক্ত শহর করার দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করছে রাজশাহীর তরুণদের সামাজিক সংগঠন ‘ইয়ুথ এ্যাকশন ফর সোস্যাল চেঞ্জ-ইয়্যাস’। আজ সোমবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে সংগঠনটির তরুণ সদস্যগণ রাজশাহীর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক এস এম আব্দুল কাদের’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করে। পরে প্রতিনিধি দলটি চার দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপির তার হাতে কপি তুলে দেয়। এছাড়াও তারা একই দাবিতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল এবং রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান পিপিএম কে পৃথক পৃথক দুটি স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।

SAM_1197স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় দেশে পলিথিন নিষিদ্ধের আইন থাকলেও তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ার কারনে দিনে দিনে পলিথিন জীবন ও পরিবেশের মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে। সংগঠনটির তরুণ সদস্যরা বলেন, “গ্রীণসিটি খ্যাত রাজশাহীতে দিনে দিনে পলিথিনের ব্যবহার এতো বেশী বেড়ে যাচ্ছে যে আমাদের পরিবেশসহ সকলকিছু হুমকির মুখে। জলাবদ্ধতা, মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষতিসহ পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।”
রাজশাহী শহরের পলিথিন ও বর্জ্য নিয়ে বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শহিদুল ইসলাম বলেন, “প্রকাশ্যে যেভাবে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার হচ্ছে তাতে আইনের প্রয়োগ নেই বললেই চলে।” তিনি পলিথিন বন্ধের জন্যে যে আইন আছে তা প্রয়োগ করার জন্যে তরুণদের দাবিকে স্বাগত জানান।

img20180430_13171544স্মারকলিপিতে তরুণদের ৪ দফা দাবির গুলো হলো:
১. রাজশাহী শহরকে অচিরেই পলিথিনমুক্ত করা হোক।
২. পলিথিনমুক্তকরণে যথাযথ আইন প্রযোগ করা হোক।
৩. সকল পলিথিন উৎপাদক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হোক এবং
৪. নিয়মিতভাবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মনিটরিং করা হোক।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির আইনবিষয়ক সম্পাদক ইসরাত জাহান রিয়া সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য বৃন্দ।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.