Posted in

যত্রতত্র কফ থুথু ফেলা করোনাসহ বহু রোগ ছড়ায়

ঢাকা থেকে ফেরদৌস আহমেদ
কফ থুথু, হাঁচি কাশির মাধ্যমে করোনা ভাইরাসসহ সার্চ, মার্স, যক্ষা, শ্বাসকষ্ট, ব্রংকাইটিস, হাঁপানি বা অ্যাজমা, কাশি, মাথাব্যথাসহ বহু রোগের বিস্তার ঘটায়। ভবিষতে নতুন নতুন রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটবে। কফ থুথুর মাধ্যমে এসমস্ত অনেক রোগের সংক্রমণ হবে বা দ্তরু সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে। তাই যত্রতত্র কফ থুথু ফেলার বদ অভ্যাস পরিহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সারা বিশ্বে এখন আতংকের নাম করোনা ভাইরাস। করোনা ভাইরাসে চীনসহ ৯১টি দেশে লক্ষাধিক মানুষ আক্রান্ত এবং মৃত্যু সংখ্যা চার হাজারেরও বেশি। এই আতংক এখন বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। এই ভাইরাস মূলত কফ থুথু হাঁচি কাশির মাধ্যমে ছড়ায়। কাজেই এই রোগ নিয়ে আতংক নয় দরকার সঠিক সচেতনতার। কফ থথুু, হাঁচি কাশি নিয়ন্ত্রণ করে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাধারণ কতগুলো সতর্কতা অবলম্বন করলে এই ভাইরাসটির সংক্রমণ ও বিস্তারের ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব। গতকাল শাহবাগস্থ জাতীয় জাদুঘরের সামনে “কফ থুথু করোনা ভাইরাসসহ বহু রোগ ছড়ায়: কফ থথুু যত্রতত্র ফেলা বন্ধ কর” দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা উক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন। পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা), ঢাকা যুব ফাউন্ডেশন, নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম (নাসফ) ও বারসিক যৌথভাবে উক্ত মানববন্ধনের আয়োজন করে।
পবা’র চেয়ারম্যান আবু নাসের খানের সভাপতিত্বে এবং নাসফের সাধারণ সম্পাদক মো. তৈয়ব আলীর সঞ্চালনায় উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, পবা’র সাধারণ সম্পাদক প্রকৌ. মো. আবদুস সোবহান, সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল, ঢাকা যুব ফাউন্ডেশন এর সভাপতি মো: শহিদুল্লাহ ও সেভ দ্যা রিভার এর সদস্য শাকিল রহমান, পুরানো ঢাকা পরিবেশ উন্নয়নের সভাপতি হাজী আনসার আলী, পরিবেশ উন্নয়ন উদ্যোগ সভাপতি নাজিমউদ্দিন, সদস্য জি এম রুস্তম খান, নাসফ এর সহ-সভাপতি কে এম সিদ্দিীক আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, বারসিক এর সহযোগী কর্মসূচি কর্মকর্তা সুদিপ্তা কর্মকার প্রমুখ।


কফ থুথু শুধুমাত্র অপরিচ্ছন্নতা বা দেখতে নোংরা লাগার বিষয় না এটি পরিবেশেও মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে। কফ থুথু রোগবালাই সংক্রমণ এটা যেখানে সেখানে ফেলার কারনে অনেক রোগের উৎপত্তি হয়। যেহেতু এটি ভেজা অবস্থায় থাকে সেক্ষেত্রে ভাইরাসটি জীবিতও থাকে অনেক বেশি। এর ফলে সরাসরি বাতাসের সংস্পর্শে এসে থুথু ও কফ থেকে ভাইরাস ছড়াতে পারে। যত্রতত্র কফ থুথু ফেলার সমস্যাটি শুধুমাত্র বাংলাদেশে নয় বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে এশিয়া অঞ্চলের শহরাঞ্চলের সবচেয়ে বেশি বিরক্তিকর বিষয়গুলোর অন্যতম জনসমক্ষে থুথু ফেলা। যত্রতত্র থুথু ফেলা নিষিদ্ধ করে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এমনকি ভারতেও কিছু এলাকায় আইন হয়েছে এবং জরিমানারও বিধান রয়েছে। বাংলাদেশে এ ধরণের আইন নেই এবং সচেতনতা তৈরিরও কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনা।


যত্রতত্র কফ থুথু ফেলার সমস্যাটি শুধুমাত্র বাংলাদেশে নয় বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে এশিয়া অঞ্চলের শহরাঞ্চলের সবচেয়ে বেশি বিরক্তিকর বিষয়গুলোর অন্যতম জনসমুক্ষে থুথু ফেলা। বাংলাদেশে সরাসরি এধরণের কোন আইন নেই এবং কি সচেতনতা তৈরিরও কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনা। বাংলাদেশের অনেক সমস্যার মাঝে যেখানে সেখানে থুথু ফেলাটা হয়তো সামান্য মনে হতে পারে কিন্তু এই সমস্যাটি সমাধান বিনামূল্যে বা স্বল্প মূল্যে করা সম্ভব শুধু প্রয়োজন একটু সচেতনতা এবং প্রত্যেকের প্রাত্যহিক জীবনে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা।
মানববন্ধন থেকে উক্ত সুপারিশসমূহ তুলে ধরা হয়


১. যত্রতত্র থুথু ফেলা নিষিদ্ধ করে আইন এবং জরিমানা করার বিধান রাখতে হবে।
২. জনগণকে যেখানে সেখানে প্রকাশ্যে কফ থুথু ফেলা বন্ধ করার বিষয়ে সচেতনতামূলক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
৩. কফ থুথু যেখানে সেখোনে না ফেলে রাস্তার পাশে ডাস্টবিনে ফেলতে উৎসাহিত করতে হবে।
৪. মার্স করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা এবং সরকার কর্তৃক বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৫. করোনা ভাইরাস নিয়ে মানুষের ভেতর তৈরি হওয়া

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.