সাম্প্রতিক পোস্ট

রাজেন্দ্রপুর আইপিএম ক্লাবের উদ্যোগ

নেত্রকোনা থেকে খাদিজা আক্তার লিটা
উঠানে মাঁচায় ও বাড়ির চালে মৌসুমী সবজি চাষ, উঠানের এক পাশে গোয়াল ঘর, এক পাশে হাঁস-মুরগির খোয়ার। পরিবারের নারীরা ঘর সামলাছে তো পুরুষরা মাঠে ফসল ফলাচ্ছে, এটি আমাদের দেশের গ্রাম বাংলার সাধারণ চিত্র। এ চিত্রগুলোর বাইরে কোন কোন ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত উদ্যোগ একটি গ্রামের সাথে অন্য গ্রামের পার্থক্য করে দিয়েছে। নেত্রকোনা জেলা চল্লিশা ইউনিয়নের কম্পোস্ট গ্রাম খ্যাত রাজেন্দ্রপুরকে তাই স্বকীয় বৈশিষ্ট্যের জন্য অন্যান্য গ্রাম থেকে ভিন্নতা দিয়েছে।

রাজেন্দ্রপুর গ্রামটি এখন কম্পোস্ট গ্রাম নামে সর্বপরিচিত। এ গ্রামের প্রায় প্রত্যেক কৃষক পরিবারে ছোট বড় কেঁচো কম্পোস্ট ও কম্পোস্ট উৎপাদন খামার রয়েছে। প্রতিটি বাড়ির সামনে ইটের পাকা হাউজ, সিমেন্টের রিং বা মাটির চাড়িতে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন হচ্ছে। যাদের বসতভিটায় সবজি চাষের মত পর্যাপ্ত জায়গা নেই তারা কম্পোস্ট প্লান্টের উপর রোদ ও বৃষ্টির থেকে কেঁচো ও কেঁচোর সার রক্ষার জন্য বাঁশের তৈরি ছাউনির উপর বর্ষা মৌসুমে লতানো সবজি চাষ করছেন, যা বর্ষা মৌসুমের সবজির অভাব যেমন পূরণ করছে তেমনি বাড়ির সোন্দর্য্য অনেকখানি বৃদ্ধি করেছে। কম্পোস্ট উৎপাদন কার্যক্রম এ গ্রামের দৃশ্যপটের ভিন্নতা আনয়নের পাশাপাশি গ্রামের সকল কৃষি কাজে এনেছে বৈচিত্র্যতা।

মানুষের মৌলিক মানবিক চাহিদার মধ্যে খাদ্য হল অন্যমত। কিন্তু বর্তমানে খাদ্যের সাথে যে শব্দটি সব চেয়ে বেশি জড়িত তা হচ্ছে নিরাপদ খাদ্য। মানুষের জন্য প্রয়োজন নিরাপদ খাদ্য। এই খাদ্য উৎপাদনের সাথে জড়িত কৃষকদেরকে দায়িত্ব নিতে হচ্ছে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কৃষির অন্যতম উপাদান হল জৈবসার ও জৈব বালাইনাশক। রাজেন্দ্রপুর গ্রামে কিছু খাদ্য যোদ্ধার হাত ধরে শুরু হয়েছে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন।


করোনাকালীন সময় কেমন কাটছে এ বিচিত্র গ্রামের জনগোষ্ঠীর জীবন জীবিকা জানতে গ্রাম ঘুরে ও জনগোষ্ঠীর সাথে কথা বলে জানা যায়, এ গ্রামের কৃষি কাজে করোনা মহামারী সংক্রমণের এই দীর্ঘ সময়ে (লকডাউন) উল্লেখ করার মত কোন প্রভাব ফেলতে পারেনি। এলাকার প্রতিটি কৃষক নিজেদের মত করেই কৃষি ফসল চাষ করে চলেছে। করোনাকালীন সংকটের পূর্বেকার সময়ের মত এবছরও এ গ্রামের কৃষকরা বৈচিত্র্যময় ধান ও সবজি চাষ করছেন। শীত মৌসুমে শিম, লাউ, মিষ্টিকুমড়া, ডাটা, লালশাক, পালংশাক, মূলা, টমেটো, গাজর, ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, ধনিয়া’র পাশাপাশি হরেক রকমের শাকসবজি কৃষকরা চাষ করেছিলেন। বর্ষা মৌসুমে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সবজি চাষ কম হলেও প্রতিটি বাড়িতে ৩-৪ জাতের সবজি যেমন -কুমড়া, কাকরোল, চিচিঙ্গা, পুঁইশাক, বরবটি ইত্যাদি চাষ হয়েছে। প্রতিটি কৃষকের বসতভিটায় দুই থেকে তিনটি করে পেঁপে গাছ রয়েছে। করোনাকালীন সংকটে রাজেন্দ্রপুর গ্রামের কৃষকরা গাছের কাঁচা পেঁপে সবজি হিসেবে ব্যবহার করে দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা পূরণ করছে।

করোনাকালীন লকডাউনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় গণপরিবহন চলাচল করতে না পরায় বিভিন্ন এলাকার পাইকারা সবজি কিনতে গ্রামে আসতে না পারলেও আশেপাশের গ্রামের লোকজন এসে প্রতিদিন সবজি কিনে নিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের উৎপাদিত সবজি বিক্রির ক্ষেত্রে তেমন কোন প্রভাব পড়েনি। করোনাকালীন এই দীর্ঘসময়ে কৃষক পরিবারগুলো নিজেদের উৎপাদিত সবজি দিয়ে পরিবারের চাহিদা পূরণ করেও উদ্বৃত্ত¡ সবজি প্রতিবেশিদের মাধ্যে বিতরণ করেছে। এতে গ্রামের কৃষকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

করোনাকালীন কৃষকরা বাজারের বীজ ও সারের উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজেরা প্রয়োজনীয় বীজ সংরক্ষণ করে পরস্পরের সাথে বিনিময় করে এবং নিজের উৎপাদিত সার ব্যবহার করে কৃষি কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। রাজেন্দ্রপুর গ্রামের কিছু উদ্যোগী কৃষকদের মাধ্যমে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা বারসিক’র সহায়তায় গ্রামে প্রথম জৈব সার বা ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন কার্যক্রম আরম্ভ হয়। বর্তমানে এ গ্রামটি কম্পোস্ট গ্রাম হিসেবে সরকারি/বেসরকারি মহলে সর্বপরিচিত। আর এ কাজকে সহজ করেছে গ্রামের ৪০ জন কৃষক-কৃষাণী নিয়ে গড়ে ওঠা কৃষক সংগঠন যা ‘আইপিএম ক্লাব’ নামে পরিচিত। একটি স্বনির্ভর কৃষক সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে আইপিএম ক্লাব গঠনের শুরু থেকে কাজ করছে বারসিক। সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনের পর থেকে উপজেলা কৃষি বিভাগ সংগঠনটিকে বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা প্রদান করে আসছে। সংগঠনের একটি বড় সফলতা হল ভূর্তুকি মুল্যে (৫০% ছাড়ে) কৃষি বিভাগ থেকে একটি ধান কাটার মেশিন ক্রয়। এর ফলে বোরো ২০২১ মৌসুমে করোনাকালীন গ্রামে কৃষি শ্রমিকের সংকট লাঘবের পাশাপাশি মাঠের বোরো ধান কাটা ও মাড়াই খরচ কমায় উৎপাদন খরচ অনেক হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে রাজেন্দ্রপুর গ্রামে যে পরিমাণ কেঁচো কম্পোস্ট উৎপাদন হচ্ছে, তা দিয়ে কৃষকরা নিজেদের চাহিদা পূরণ করেও প্রতিমাসে অন্য গ্রামের কৃষদের নিকট বিক্রি করতে পারছেন।


উৎপাদিত উদ্বৃত্ত¡ কম্পোস্ট কৃষকরা সংগঠনের মাধ্যমে বিক্রির জন্য বস্তায় ভরে সংগঠনের স্থায়ী কেন্দ্রে জমা করে একত্রে বিক্রি করেন। সাধারণত মৎস্য খামার মালিক, সৌখিন ও সচেতন কৃষক, সরকারি কৃষি বিভাগ বা বেসরকারি সংস্থা কেঁচো ও কম্পোস্টের গ্রাহক। প্রতি কেজি কম্পোস্ট ১০ টাকা দরে প্রতিমণ কম্পোস্ট বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায় এবং প্রতি কেজি কেঁচো ১২০০-১৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। কেঁচো কম্পোস্ট ও কেঁচোর মূল্য ভালো থাকায় লাভও ভালো, তাই রাজেন্দ্রপুর গ্রামের বেশকিছু কৃষক পরিবার বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কেঁচো কম্পোষ্ট উৎপাদন করছেন।


স্থানীয় জাতের সবজি চাষ ও সবজিসহ শস্য ফসলের বীজ সংরক্ষণ ও পরস্পরের সাথে বিনিময়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বীজের সহজলভ্যতা সৃষ্টি করে বীজের জন্য বাজার নির্ভরশীলতা হ্রাস করতে গ্রামের কৃষকদের সচেতনতা বাড়াতে সংগঠনটি প্রতিবছর বারসিক’র সহযোগিতায় ‘গ্রামীণ বীজ মেলা’র আয়োজন করে থাকে। গ্রামীণ বীজ মেলার মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ হয়ে গ্রামের কৃষক-কৃষাণীরা তাদের উৎপাদিত সবজিসহ বিভিন্ন ধরণের ফসলের বীজ নিজেরাই সংরক্ষণ করছেন এবং পরস্পরের সাথে বিনিময় করছেন। ফলে গ্রামের কৃষক-কৃষাণীদের বীজের জন্য বাজারের বীজের উপর নির্ভরশীলতা অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। করোনাকালীন লকডাউনের সময়ে গণপরিবহনসহ দেশের সরকারি/বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান ও হাট-বাজার বন্ধ থাকলেও রাজেন্দ্রপুরের এই কৃষক সংগঠনের কার্যক্রম থেমে থাকেনি, সংগঠনটি এলাকার কৃষি কাজকে যেমন সচল রেখেছে, তেমনি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে বিভিন্ন প্রয়োজনে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে।
প্রতিবছর কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করে ন্যায্য মূল্যে ধান বিক্রয়ের উদ্যোগ নেয় সংগঠন। চলতি বছর করোনাকালীন সময় সংগঠনটি কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার ফলে এলাকার কৃষকরা ন্যায মূল্যে ধান বিক্রি করতে পেরেছে।
২০২০ সালের মার্চে বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নিলে সংগঠনের উদ্যোগে করোনা সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলা এবং ঘরের বাইরে নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে গ্রামের মসজিদের মাইকে নিয়মিত প্রচার (মাইকিং) করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলাকালীন সময়ে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায় সংগঠনটি গ্রামে পাঁচশত মাস্ক বিতরণ করেছে।


রাজেন্দ্রপুর গ্রামে বসবাসরত পরিবারগুলোর মধ্যে অধিকাংশই কৃষির উপর নির্ভরশীল। আবার বেশকিছু পরিবার ক্ষুদ্র ব্যবসা, মুদির দোকান, খাবারের হোটেলের ব্যবসা করে, কিছু পরিবার দিন মজুরির কাজ করে পরিবারের খরচ নির্বাহ করে। করোনাকালীন দুর্যোগে লকডাউন চলাকালীন সময়ে সকল ব্যবসা বন্ধ থাকায় কাজ হারিয়ে ভয়াবহ আর্থিক সংকটে পরতে হয় এসব পরিবারকে। গ্রামের এসব অসহায় পরিবারগুলোর জন্য সংগঠনটি স্থানীয় সরকারের (ইউনিয়ন পরিষদ) সাথে যোগাযোগ করে করোনা দুর্যোগকালীন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য সরকার প্রদত্ত¡ খাদ্য সহায়তা ও প্রণোদনা পেতে সহযোগিতা করেছে। পবিত্র ঈদের সময় সংগঠনটি গ্রামের ৩০টি দরিদ্র পরিবারকে স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে এককালীন খাদ্য সহায়তা দিয়েছে। অন্যদিকে করোনাকালীন সময় গ্রামের খাদ্য যোদ্ধাদের উৎপাদিত নিরাপদ খাদ্য পরিবারের দৈনন্দিন খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা পূরণ করেও এলাকার এবং দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তায় ভূমিকা রেখে চলেছে।


সংগঠনের তহবিল গঠনের জন্য সকল সদস্য প্রতি মাসে একশ’ টাকা করে সঞ্চয় করছে। করোনাকালীন সময় সংগঠনের সঞ্চিত টাকা থেকে সদস্যরা সহজ শর্তে ঋণ নিয়ে নিজেদের কৃষি কাজসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে পেরেছেন। সংগঠনের উদ্যোগে আর্থিক তহবিল গড়ে তোলায় করোনাকালীন দুর্যোগে সদস্যদেরকে মহাজনী সুদ বা চড়া সুদে মহাজনের নিকট থেকে ঋণ নিতে হয়নি।


গ্রামের প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় সংগঠনের সদস্যরা বৃক্ষ রোপণ করেছেন। রাজেন্দ্রপুর আইপিএম ক্লাবের প্রতিটি সদস্য উৎপাদিত জৈব সার (কেঁচো কম্পোস্ট) সবজি চাষে ব্যবহার করায় গ্রামের কৃষি জমির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং কৃষি প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণে ভূমিকা রাখছে। সংগঠনের প্রচেষ্টায় গ্রামের চারজন উদ্যোগী ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় গ্রামে বৈচিত্র্যময় গাছের চারা উৎপাদনের জন্য চারটি ছোট বড় নার্সারি গড়ে উঠেছে। সংগঠনের সদস্য ও নার্সারি কাজে অভিজ্ঞ কৃষকদের সহযোগিতায় নার্সারিগুলোতে স্থানীয় জাতের ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা উৎপাদন হচ্ছে। গ্রামে নার্সারি থাকায় গ্রামবাসীদের মধ্যে বৈচিত্র্যময় বৃক্ষ রোপণের আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছর বর্ষা মৌসুমে তারা গ্রামের বিভিন্ন স্থানে প্রায় পাঁচ শতাধিক গাছের চারা রোপণ করেছেন, যা ভবিষ্যতে এলাকার পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখছে।


পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য ভরপুর রাজেন্দ্রপুর গ্রামটি বর্তমানে একটি অভিজ্ঞতা বিনিময় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। কৃষক সংগঠন বা আইপিএম ক্লাবের কার্যক্রম পরিদর্শনে নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা যেমন এ গ্রামে আসছে, তেমনি সরকারি/বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে সংগঠনের গড়ে উঠেছে গভীর কার্যকর যোগসুত্র। উপজেলা ও জেলা কৃষি কর্মকর্তাগণ এ গ্রামটিকে একটি মডেল গ্রাম হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছেন।


সমমনা কিছু মানুষ কোন সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সমনে রেখে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করলে সাফল্য যে অনিবার্য তার বাস্তব উদাহরণ এই রাজেন্দ্রপুর গ্রাম। রাজেন্দ্রপুর গ্রামের মতো আমাদের প্রতিটি গ্রামকে পরিবেশবান্ধব ও প্রাণবৈচিত্র্য ভরপুর স্বনির্ভরশীল গ্রাম তৈরি করতে সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের যৌথ প্রয়াসেই একটি স্বনির্ভরশীল দেশ গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন সরকারকারী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের কাজের সঠিক সমন্বয়। আর এজন্য প্রয়োজন সকল প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিয়মিত কার্যকর যোগাযোগ, যৌথ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, কাজের সঠিক দায়িত্ব বণ্টন, গ্রামের সকলের কার্যকর অংশগ্রহণ ও সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং সকলের জবাবদিহিতা সুনিশ্চিতকরণ। পাশাপাশি সঠিক ও সফল নেতৃত্ব। কৃষক বাদশা মিয়া ও কৃষাণী কুলসুমা আক্তারের সঠিক নেতৃত্বের জন্যই রাজেন্দ্রপুর আইপিএম কৃষক সংগঠনটি সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে বলে সংগঠনের সকল সদস্যরা জানান।

অনুলিখন- শংকর ম্রং
……….

happy wheels 2

Comments

%d bloggers like this: