সাম্প্রতিক পোস্ট

শাকসবজি চাষ করে সংসারের অভাব পূরণ করেন সুচিত্রা রানী

সিংগাইর, মানিকগঞ্জ থেকে আছিয়া আক্তার
প্রতিটি নারী তাঁর পরিবারের জন্য একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। একটা বাড়ির শোভাই হচ্ছে নারী। বাড়িটাকে সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখার কাজটা মূলত নারীরাই করে। এমনই একজন নারী হচ্ছেন সুচিত্রা রানী। শুধু বাড়ির কাজই নয়; পাড়ার কোনো লোক অসুস্থ হলে তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া, পরামর্শ দেয়া, সন্তানদের পড়াশোনার গুরুত্ব সম্পর্কে মায়েদের বুঝানোর কাজগুলোা করে থাকেন তিনি।


সিংগাইর উপজেলার বায়রা ইউনিয়নের বাইমাইল ঋষিপাড়ার বউ সুচিত্রা রানী দাস (৫০)। স্বামী বলরাম দাস (৬৫)। তিন মেয়ে এক ছেলের মা তিনি। বড় মেয়ে চন্দনা রানী (২৮)। মেজো মেয়ে অঞ্জলী রানী (২৬), ছোট মেয়ে ঝর্না রানী (২৩), ছেলে জয়ন্ত দাস (১৭)।


স্বামীর বেতন অল্প থাকার কারণে শুধু স্বামীর ওপর নির্ভর না থেকে তিনি নিজের বাড়ির আঙ্গিনায় বিভিন্ন্ ধরনের সবজি চাষসহ হাঁস মুরগি লালন পালন করে। এতে বেশ টাকা আয় করেন। আর এ টাকা তার সংসারের জন্য খুবই উপকারের আসে । তিনি তার বাড়ির আঙ্গিনা একটু জায়গাও পতিত না রেখে সেখানে চাষ করেন টমেটো, পালংশাক, ধনিয়া, লাউ, দু’জাতের শিম, মিষ্টি লাউ, মুলা, সরিষা, লাউ, বেগুন, গাধা ফুল, জবা ফুল গন্ধরাজ ফুল। এছাড়াও তাঁর আঙিনায় আছে ঔষধি গাছ তুলসিও।


নিজের বাড়ির চাহিদা মিটিয়ে প্রতিদিন সুচিত্রা রানী সবজি বিক্রি করে বেশ কিছু টাকা আয় করছেন। এসব শাকসবজি তিনি পাড়া প্রতিবেশিদের সাথেও বিনিময় করেন। সুচিত্রা রানী তার সংগঠনের নারীদের এসকল কাজ করার জন্য বীজসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন। সুচিত্রা রানীর কাজ দেখে তাদের সংগঠনের সদস্য ছাড়াও আশপাশের অনেক নারী উৎসাহিত হয়ে বসতবাড়ির আঙ্গিনায় এখন শাকসবজি চাষে উদ্যোগী হয়েছেন।

happy wheels 2

Comments

%d bloggers like this: