Posted in

বিশ্ব সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য দিবসে লোকায়ত সংস্কৃতি সংরক্ষণের ডাক

মানিকগঞ্জ থেকে রিনা আক্তার ও আছিয়া আক্তার
‘সকলের মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা রক্ষায় অবদান রাখি” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে গতকাল মানিকগঞ্জ সিংগাইর উপজেলার আঙ্গারিয়া গ্রামে বিশ্ব সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য দিবস ২০২২ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক বন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছে আঙ্গারিয়া নারী উন্নয়ন সমিতি, অঙ্কুর কিশোরী ক্লাব ও নিরাভরণ থিয়েটার এবং সহযোগিতা করেছে বারসিক।


সমাবেশে আঙ্গারিয়া নারী উন্নয়ন সমিতির সভাপতি সবিতা রাণী সরকার এর সভাপতিত্বে ও বারসিক প্রকল্প সহায়ক রিনা আক্তার এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন খেলাঘর আসর মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক জগদীশ চন্দ্র মালো, বারসিক প্রকল্প কর্মকর্তা মো.নজরুল ইসলাম। আরো বক্তব্য দেন নিরাভরণ থিয়েটারের আহবায়ক মাস্টার সেলিম মাহমুদ,অঙ্কুর কিশোর কিশোরী ক্লাব এর সদস্য সচিব স্বপ্না রানী সরকার,রুমকা রানী সরকার,গৃহিণী লাকী আক্তার, রুনা আক্তার, কৃষক নিমাই সরকার, মনঞ্জয় সরকার,মিস্ত্রি সঞ্জয় সরকার, কামার লাকু সাহা প্রমুখ।


মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘আমরা বিশ্ব প্রকৃতি ও সংস্কৃতির সন্তান। প্রত্যেক জাতির নিজস্ব ভাষা ও লোকায়ত সংস্কৃতি রয়েছে। এগুলো আজ হারিয়ে যাওয়ার পথে। আমরা বাঙালি আমাদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকাই আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। আমরা সকলের প্রতি এগুলো সংরক্ষণের আহবান জানাই।


উল্লেখ্য যে, বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য অবদানকে স্বীকৃতি দেয়ার লক্ষ্যে আজ দেশে পালিত হচ্ছে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য দিবস। জাতিসংঘের আহ্বানে প্রতি বছর দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। দিবসটির ধারণা সর্ব প্রথম আসে ইউনেস্কো থেকে। ২০০১ সালের নভেম্বরে ইউনেস্কো সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য বিষয়ক সর্বজনীন ঘোষণা দেয়। ঘোষণাটির গুরুত্ব বিবেচনায় জাতিসংঘ সে বছরই তা অনুধাবন করে। এই ধারাবাহিকতায় পরের বছর ২০০২ সালে দিবসটি পালনের আহ্বান জানায় জাতিসংঘ। এরপর থেকে প্রতি বছর গোটা বিশ্বে পালিত হয়ে আসছে সংলাপ ও উন্নয়নের জন্য সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য দিবস। খুব অল্প সময়েই আমেরিকা থেকে ওশেনিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার প্রায় প্রতিটি দেশে এই দিবসের বার্তা পৌঁছে যায়। বিশ্বের সব মানুষকে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্র্যের গুরুত্ব ও সাদৃশ্য সম্পর্কে অবহিত করা এই দিবসের উদ্দেশ্য। যুদ্ধ বিগ্রহ এড়িয়ে শান্তির সঙ্গে বসবাস এবং মিলেমিশে জীবন গড়ার অনুপ্রেরণা দেয় এই দিবসটি।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.