Posted in

‘নিরাপদ খাবার খামু ,শরীর ভালো রাখুম’

সিংগাইর, মানিকগঞ্জ থেকে বিউটি সরকার
নিরাপদ খাদ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্প্রতি মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলার বায়রা ইউনিয়নে নয়াবাড়ী আর্দশগ্রাম কৃষক-কৃষাণী সংগঠনের উদ্যোগে ও বারসিকের সহযোগিতায় জৈব বালাইনাশক তৈরি ও ব্যবহার বিষয়ক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। নয়াবাড়ী আর্দশগ্রাম কৃষক-কৃষাণী সংগঠনের সভাপতি কমলা বেগমের সভাপতিত্বে এবং বারসিক কর্মসূচি কর্মকর্তা বিউটি সরকারের সঞ্চালনায় উক্ত প্রশিক্ষণে সংগঠনের সদস্য ছাড়াও বারসিক সিংগাইরের কর্মসূচি সমন্বয়কারী শিমুল বিশ্বাস, প্রকল্প কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান এবং প্রকৃতি প্রেমিক ইব্রাহিম মিয়া অংশগ্রহন করেন। প্রশিক্ষণের প্রশিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন মো: মাসুদুর রহমান।


প্রশিক্ষণের শুরুতে মো: মাসুদুর রহমান বলেন, ‘মানুষের স্বাস্থ্যের পক্ষ্যে যা ক্ষতিকর সেটাই অনিরাপদ এবং যা স্বাস্থ্যের পক্ষ্যে ভালো তাই নিরাপদ, অতএব আমাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে নিরাপদ খাদ্যের প্রয়োজন।’ তিনি আরো বলেন, ‘ফসলে উপকারী পোকাও যেমন রয়েছে আবার ক্ষতিকর পোকাও রয়েছে। তাই আমাদের উপকারী পোকা রেখে ক্ষতিকারক পোকা দমন করতে হবে।’ তিনি সিমের জাত পোকা ও মাছি পোকা দমনে করণীয় সর্ম্পকে আলোচনা করেন। তিনি নিমপাতা সেদ্ধ করা পানি ঠান্ডা করে সেই সাথে পাটের বীজের গুড়া ভিজিয়ে রাখা পানি মিশিয়ে ্েস্প্র করে দেওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। কর্মসূচি সমন্বয়কারী শিমুল বিশ্বাস গাছের ভিটামিনের জন্য ফার্মানেন্ট প্লান্ট জুস তৈরীর পদ্ধতি উপস্থাপন করেন।


প্রশিক্ষণের এক পর্যায়ে প্রকৃতি প্রেমিক ইব্রাহিম মিয়া জাব পোকা দমনের জন্য হার্ডবোর্ডে হলুদ কাগজ লাগিয়ে তাতে আঠা প্রলেপ করে দিয়ে ফসলের ক্ষেতের মধ্যে পুঁতে দিতে পরামর্শ প্রদান করেন । এছাড়া জৈব বালাইনাশক তৈরী বিষয়ে সভাপতি কমলা বেগম বলেন, পিপড়ার আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য বিষকচু পাতা, নিমপাতা ও মেহগনির বীজ একসাথে পানিতে জ্বাল দিয়ে ঠান্ডা করে গাছে স্প্রে করে দিতে হবে । এছাড়া তিনি উর্চুংগার আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য ভাটি পাতা ও নিমপাতা শুকিয়ে গুড়া করে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা নিরাপদ খাবার খামু, শরীর ভালো রাখুম।’ তাই তিনি নিরাপদ খাবার বৃদ্ধির জন্য সবাইকে জৈব বালাইনাশক তৈরী ও ব্যবহার করার পাশাপাশি জৈবসার ব্যবহার ও বাড়ীতে স্থানীয় জাতের বীজ সংরক্ষণের পরামর্শ প্রদান করেন।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.