Posted in

গ্রামীণ নারীর মর্যাদা ও কাজের স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধন

সারমিন আক্তার, সিংগাইর, মানিকগঞ্জ
গ্রামীণ নারীর কাজের স্বীকৃতির দাবিতে আলোচনা, র‌্যালি ও মানববন্ধন করেছেন মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলার জামশা ইউনিয়নের গোলাই গ্রামের কৃষাণীরা। গতকাল ১৫ অক্টোবর বারসিক’র সহযোগিতায় ও গোলাই কালিগংগা কৃষক কৃষানী সংগঠনের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃষাণী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মোঃ করম আলী (মাস্টার) এবং বারসিক’র কর্মসুচি সমন্বয়কারী শিমুল কুমার বিশ্বাস কর্মসূচি কর্মকর্তা শাহিনুর রহমান এবং মাঠ সহায়ক সারমিন আক্তার প্রমূখ।


আলোচনার শুরুতে গ্রামীণ নারী দিবসের ধারণাপত্র পাঠ করেন বারসিক’র কর্মকর্তা মাঠ সহায়ক সারমিন আক্তার এবং আলোচনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি সেলিনা খাতুন। পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার এক চতুর্থাংশ হচ্ছে গ্রামীণ নারী। এবং এই গ্রামীণ নারীদের অধিকাংশ নারী প্রাকৃতিক সম্পদ এবং কৃষির উপর নির্ভর করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে। এ প্রসঙ্গে শিমুল কুমার বিশ^াস বলেন, ‘সারা পৃথিবীর ৭৬ শতাংশ অতি দরিদ্র জনগণ বসবাস করে গ্রামে। গ্রামীণ নারীদের পরিবারের কাজ শেষ করে কৃষি কাজের বীজ সংরক্ষণ থেকে শুরু করে ফসল উৎপাদন সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে গ্রামীণ নারীর অবস্থান সবার উর্ধ্বে।’


গ্রামীণ নারী দিবসে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারী নারীরা ফেস্টুনে তাদের অধিকার তুলে ধরেন, নারীর প্রতি সহিংসতামুক্ত সমাজ চাই, দরিদ্র নারিদের কাজে স্বীকৃতি চাই, ঘর-গৃহস্থির কাজে নারেিদওর সম্মান চাই, গ্রামীণ নারীর কৃষিতে স্বীকৃতি চাই, নারীর কাজে বৈষম্য দূর করতে হবে, সকল নারীর কাজে সমান অংশগ্রহণ চাই, নারী ও কিশোরীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ করতে হবে, নারী নেতৃত্ব গড়তে পারে সমতার বিশ^,নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চত করতে হবে,।


জেলা কৃষি উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মোঃ করম আলী (মাস্টার) বলেন, ‘আমরা যারা প্রান্তিক নারী তারা প্রতিটা কাজেই বৈষম্যর শিকার হই। সকল কাজেই নারীর ব্যাপক অর্জন থাকলেও তা স্বীকার করা হয় না। আমরা সকলে বিশে^র সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরাও আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস পালন করছি। কৃষক হিসেবে নারী শ্রমিকদের মজুরি বৈষম্য, কৃষক হিসাবে গ্রামীণ নারীদের স্বীকৃতি, কৃষি কার্ড প্রধান, সরকারি প্রণোদনা দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
সংগঠনের সভাপতি সেলিনা খাতুন বলেন, “নারী কৃষক হিসাবে আমরা সকলেই আমাদের আধিকার নিশ্চিত করতে চাই।” আলোচনা শেষে নিজেদের অধিকারের দাবিতে র‌্যালি ও মানববন্ধন করেন তারা।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.