Posted in

তৃতীয় লিঙ্গের পাশে কদমতলী যুবসংগঠন

নেত্রকোনা থেকে মো. আলমগীর ও সোয়েল রানা:

সমাজে একা আমরা বাস করতে পারিনা, টিকতেও পারিনা। সকলের সমন্বয়ে, সহযোগিতায়, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে, পারস্পরিক নির্ভরশীলতায় ও বৈচিত্র্য, আন্তঃনির্ভরশীলতা না থাকলে বহুত্ববাদী সমাজের কথা আমরা চিন্তা করতে পারিনা। কারণ আমরা প্রকৃতির ও সমাজের সকলের কাছে পরষ্পরনির্ভরশীল। কারণ সমাজের সলের সাথে আমাদের কোন না কোন সম্পর্ক রয়েছে। আমরা মানবপ্রজাতি কোনোভাবেই এককভাবে বেঁচে থাকতে পারবো না। একা থাকতে গেলে বিবর্তনের প্রাকৃতিক নিয়মে আমরা টিকে থাকার লড়াইয়ে হারিয়ে যাব।

Third Gender-1কৃষক, জেলে, কামার , কুমার, কুটিরশিল্পী, আদিবাসী, হরিজন, ঋষি, মাঝি, কবিরাজ, শিক্ষক, সাংবাদিক, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী, তৃতীয়লিঙ্গসহ পেশার সকল জাতের, বৈচিত্র্যের মানুষ নিয়েই আমাদের এই সুন্দর সমাজ, সুন্দর আামদের পৃথিবী। নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলার তেলিগাতি ইউনিয়নের মঙ্গলসিদ্ধ গ্রামের কদমতলী যুব সংগঠনের যুবকরা সমাজের সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করছে। এবারের শীতে তৃতীয় লিঙ্গের পাশে দাঁড়িয়েছে শীতবস্ত্র নিয়ে এই উদ্যোগী যুবকরা।

Third Gender-2তেলিগাতি ইউনিয়নেরে সুন্দরী, মিষ্টি, বকুলী,কলমা, খোকনী, ঝুমকা, চাঁদনী, আদুরী, চৈতালী, সুইটি এই ১০ জন তৃতীয়লিঙ্গের ব্যক্তি উপস্থিত ছিল কদমতলী যুব সংগঠনের জলবায়ু পাঠাশালায়। ২০১৮ সালের শীতে এই তৃতীয়লিঙ্গের মানুষগুলো যাতে সকলের সাথে সমন্বয়ে সহাবস্থান করতে পারে, নিজের অস্তিত্বের মুল্যায়ন পায় সমাজে তার জন্যই যুবসংগঠন তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন তেলিগাতি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. ফিরোজ মিয়া। তিনি বলেন, আমরা মানুষ হিসেবে সকলের সাথেই থাকতে চাই। সকল জাতের মানুষকে ভালবাসতে হবে।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.

One thought on “তৃতীয় লিঙ্গের পাশে কদমতলী যুবসংগঠন”

  1. ধন্যবাদ আলমগীর ভাই সোয়েল রানাকে একটি সংবেদনশীল খবর প্রকাশের জন্য। চাই হিজরা/হিজড়াদের যুক্ত করে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণের আরো কর্মসূচি। বিশেষত হিজড়াদের প্রতি যেসব বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি আছে তা দূর করতে আমরা কী কী করতে পারি তা নিয়ে সামাজিক নানা কর্মসূচি দরকার। আবার অন্যান্য অনুষ্ঠানেও যেন হিজড়ারা উপস্থিত থেকে নিজেদের সমস্যা, সম্ভাবনা এবং মতামত দিতে পারে সেই চেষ্টাও থাকা দরকার। একটি জলবায়ু পাঠশালা আয়োজন করতে পারেন কী যেখানে হিজড়ারা জলবায়ু পরিবর্তনকে কীভাবে দেখছে এবং এর ফলে তাদের কী কী সমস্যা হচ্ছে এর ফলে তারা কী আরো প্রান্তিক হয়ে পড়ছেন এবং এসব থেকে উত্তরণের জন্য তারা কী কী প্রস্তাব করে এ নিয়ে কিছু আলোচনা ও পরিকল্পনাও দরকার। আশা করি এ কাজ অব্যাহত থাকবে।

Comments are closed.