Posted in

তোমাদের মধ্যে থেকে নেতৃত্ব তৈরি হবে

হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ থেকে মুকতার হোসেন

সুলতানা, রানা, রাসেল, হান্নান, রহিমা, নয়ন, জলিল, কেয়া, রিফাত, খুশি হ আরও অনেকে ব্যস্ত হাতে কাগজ আর রংঙপেন্সিল নিয়ে। সবাই ২য়, তয়, ও ৪র্থ শ্রেণীতে অধ্যায়নরত। এই কোমলমতি শিশুরা তাদের হৃদয় থেকে ধারণ করে, মনের মাধুরী মিশিয়ে চিত্রাংকনের মধ্যে দিয়ে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি। আবার কেউ আঁকছে নদ-নদী, গাছপালা, জেলেদের মাছ ধরা নৌকা চারপাশের নানা প্রাকৃতিক দৃশ্য। এমন চিত্রটি দেখা যায় হরিরামপুর চরাঞ্চলে “কুটিমিয়া স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

IMG_20190316_12&&&
জাতীয় শিশু দিবস জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে। হরিরামপুর উপজেলার লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নে কুটিমিয়া স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিটি আয়োজন করে কুটিমিয়া স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক মন্ডলী ও সেচ্ছা-সেবকটিমের সদস্য এবং সহযোগিতা করে বারসিক।

চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে কুটিমিয়া স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০ জন শিক্ষার্থী। তাদের আকাঁ ছবি হাতে হাতে বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের পোষ্টার, ব্যানার, নিজ হাতে অংকন করা ছবি নিয়ে উৎসবমূখর পরিবেশে র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। র‌্যালিতে কোমলমতি শিশু, তরুণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সেচ্ছা-সেবকটিমের সদস্য, এনজিও প্রতিনিধিসহ ১৫০ জন মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

IMG_20190316_12eee

র‌্যালি শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় ও অনুভুতি প্রকাশ করে কুটিমিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেনীর ছাত্রী কেয়া আক্তার, পাটগ্রাম সেচ্ছা-সেবকটিমের সভাপতি লুৎফর রহমান, প্রধান শিক্ষক আব্দুস ছালাম এবং বারসিক, হরিরামপুরের সহযোগি কর্মসূচি কর্মকর্তা মুকতার হোসেন।

আলোচনায় কেয়া আক্তার বলেন, (৩য় শ্রেণী), ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে ছবি আঁকতে পেরে আমার অনেক ভালো লেগেছে। ছবিটি আমাদের ঘরে রাখব। বাবা মাকে দেখাবো।’

IMG_20190316_12yy

পাটগ্রামচর স্বেচ্ছা-সেবকটিমের সভাপতি লুৎফর রহমান বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে শিশুদের চিত্রাংকনের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতি তাদের মায়া ভালোবাসা তৈরি হয়েছে। শিশুরা লেখাপড়া করে বড় হয়ে চরের মানুষের মধ্যে আলো ছড়াবে।’

কুটি মিয়া স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস ছালাম বলেন, আজকের শিশুরা আগামীদিনের ভবিষ্যত, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, চেতনাকে ধারণ করে বড় হবে। তোমাদের মধ্যে থেকে নেতৃত্ব তৈরি হবে। চরের মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে।’ তিনি শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, চিত্রাংকন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেন। শেষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয় ।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.