সাম্প্রতিক পোস্ট

কলমাকান্দায় কেঁচো কম্পোস্ট বিক্রয় কেন্দ্রের আত্মপ্রকাশ

কলমাকান্দায় কেঁচো কম্পোস্ট বিক্রয় কেন্দ্রের আত্মপ্রকাশ

কলমাকান্দা নেত্রকোনা থেকে গুঞ্জন রেমা

কলমাকান্দা উপজেলার লেঙ্গুরা ইউনিয়ন বাজারে গতকাল কেঁচো/ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদক, সার ব্যবসায়ী ও বারসিক’র যৌথ উদ্যোগে উদ্বোধন করা হয় কেঁচো কম্পোস্ট বিক্রয় কেন্দ্রের। কেঁচো কম্পোস্ট বিক্রয় কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সবুজ মিয়া। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি কেঁচো কম্পোষ্টের গুণাগুণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

IMG_20191021_124341
বক্তারা জানান, রাসায়নিক সারের আধিপত্যে এখন জৈব সারের আর কোন স্থান নেই বললেই চলে। রাসায়নিক সার ব্যবহারে যদিওবা নানা সমস্যার কথা বলা হচ্ছে তবুও কৃষকেরা রাসায়নিক সার ব্যবহার থেকে বেরিয়ে আসতে পারছেন না। এর কারণে হিসেবে অনেকে বলছেন রাসায়নিক সার যদি ব্যবহার করা না হয় তবে রাসায়নিকের বিকল্প হিসেবে তারা কি ব্যবহার করবেন? যদি জৈব সার ব্যবহার করতে হয় তবে তা সহজলভ্যতা আছে কিনা। রাসায়নিকের বদলে যে জৈব সারের কথা বলা হচ্ছে সেটির উৎপাদন বা বাজারজাতকরণ খুবই সীমিত।

তারা বলেন, ‘কিছু কৃষক আছেন যারা নিজ চাহিদা মেটানোর জন্য জৈব সার বা কেঁচো কম্পোস্ট তৈরি করে ব্যবহার করছেন। আবার অনেকে একজনের দেখাদেখি কেঁচো কম্পোস্ট তৈরি করা শুরু করছেন কিন্তু বাজারজাত করতে না পারায় আবার সেখান থেকে তারা সরে যাচ্ছেন। যদিওবা এখন কেঁচো কম্পোস্টের চাহিদা ও উৎপাদন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে কিন্তু সমস্যা হলো বাজারজাতকরণ নিয়ে। অনেকে ইচ্ছা থাকা সত্তে¡ও কেঁচো কম্পোস্ট কিনতে পারছেন না উৎপাদকের সাথে যোগাযোগ না থাকার করণে বা কেঁচো কম্পোস্ট প্রাপ্তির নির্দিষ্ট কোন মাধ্যম না থাকার কারণে।’

IMG_20191021_124355
বক্তারা জানান, কেঁচো কম্পোস্টের অনেক উৎপাদন আছে তবে বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা না থাকায় কাঙ্খিত ক্রেতা পাচ্ছেন না। ফলে কেঁচো কম্পোস্ট উৎপাদনে তাদের ইচ্ছা কমে যাচ্ছে। আবার যেসব কেঁচো কম্পোস্ট উৎপাদকদের জনপরিচিতি অনেক তারা আবার চাহিদার অনুপাতে যোগান দিতে পারছেন না। কেঁেচা কম্পোস্ট কেনাবেচায় এমন নানা জটিলতার অবসান ঘটাতে লেঙ্গুরা বাজারে কেঁচো কম্পোস্ট বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। যাতে আগ্রহী কৃষকেরা এখান থেকে কেনাবেচা করতে পারে।

এভাবে যারা উৎপাদক শ্রেণী তাঁরাও উৎসাহী হয়ে উৎপাদন করবেন আবার আগ্রহী ক্রেতাও যে কোন সময় তা সংগ্রহ করে ব্যবহার করতে পারবেন। ফলে জৈব সারের উৎপাদন ও ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাবে পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনও নিশ্চিত হবে।

happy wheels 2

Comments

%d bloggers like this: