সাম্প্রতিক পোস্ট

খাদ্য রূপান্তর ব্যবস্থায় যুবদের যুক্ত করা জরুরি

নেত্রকোনা থেকে মো. অহিদুর রহমান
নেত্রকোণা সম্মিলিত যুব সমাজের উদ্যোগে এবং বারসিক’র সহযোগিতায় গতকাল বিশ^ যুব দিবস উপলক্ষে অনলাইন আলোচনার আয়োজন করা হয়। আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হারুন অর রশিদ। আরো উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা ও ময়মনসিংহ জেলার ৪১টি যুব সংগঠনের প্রতিনিধি, উদ্যোগী যুবক, ময়মনসিংহ নেত্রকোণা অঞ্চলে নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনের এক যোদ্ধা সাংবাদিক নিয়ামুল কবীর সজল, নিরাপদ খাদ্য উদ্যোক্তা ইকবাল হাসান জুপিটার, মুখলেছুর রহমান মানুষ, নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনে যুক্ত সাংবাদিক আলপনা বেগম ,বারসিকের পরিচালক সৈয়দ আলী বিশ^াস, বারসিক রাজশাহী ও সাতক্ষীরা অঞ্চলের আঞ্চলিক সমন্বয়কারীগণ, নেত্রকোনা অঞ্চলের বারসিক’র স্টাফ ও যুব প্রতিনিধিসহ মোট ৪৯ জন।

আলোচনায় প্রধান অতিথির ভাষণে নেত্রকোণা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হারুণ অর রশিদ বলেন, ‘যুবদের যুক্ত করে করোনা প্রতিরোধে যেভাবে প্রচারণা পরিচালনা করা হচ্ছে এভাবেই নিরাপদ খাদ্যব্যবস্থার জন্য প্রচারণা সচেনতনতামুলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। যুবদেরকে সরকারি, বেসরকারি সহযোগিতা জরুরি।’ সাংবাদিক নিয়ামুল কবীব সজল বলেন, ‘নিরাপদ খাদ্যের জন্য প্রথমে নিজেকে মানতে হবে, অন্যকে সচেতন করতে হবে, চর্চা করতে হবে ও উৎপাদনে যুবদেরকে যুক্ত করতে হবে।’

যুবরা বলেন, ‘করোনা মহামারি চলছে,বাড়ছে বেকারত্ব, পৃথিবীতে চলছে জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য ব্যবস্থায় চলছে বিপর্যয় নিরাপদ খাদ্য, খাদ্য নিরাপত্তা, খাদ্য ব্যবস্থাপনায় কৃষক নিরুৎসাহিত হচ্ছে। যুবরা কৃষিকাজে আগ্রহ হারাচ্ছে। একজন কৃষিবিদ ও কৃষির সাথে যুক্ত থাকছেন না, তিনি অন্যপেশা বেঁছে নিচ্ছেন। আমরা জানি প্রকৃতিতেই আছে আমাদের সমাধান, তাই আমাদের উচিত বাস্তÍতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে নিরাপত খাদ্যের পৃথিবী তৈরি করা। যে খাদ্য ব্যবস্থায় মানব দেহ ও পৃথিবীর স্বাস্থ্য নিরাপদ থাকবে। তাই সরকারকে খাদ্য ব্যবস্থার রুপান্তরে যুবককে যুক্ত করে সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে।’

সভায় দিবসকে কেন্দ্র করে থিম পত্র উপস্থাপনা করেন বারসিকের কর্মকর্তা হেপী রায়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো: অহিদুর রহমান। সভায় যে সকল সুপারিশগুলো উঠে আসে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখ্যযাগ্য হলো: খাদ্য ব্যবস্থায় নিরাপদ বলয় তৈরি করতে যুবদের জন্য সরকারী ভাবে ঋণের ব্যবস্থা থাকে হবে, জাতীয় বাজেটে যুবদের জন্য বাজেট আলাদাভাবে রাখতে হবে, প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে, উপজেলা পর্যায়ে, জেলা পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য আন্দোলন জোরদার করার জন্য নিরাপদ খাদ্য কর্ণার করার জন্য যুবদেরকে সহযোগিতা করতে হবে, কৃষক পর্যায়ে প্রচারণার জন্য গ্রাম সভা/কৃষক বৈঠক করতে হবে, নিরাপদ খাদ্যের জন্য আন্দোলনে যুবদেরকে যুক্ত করতে হবে, প্রতিটি ইউনিয়নে একটি নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন গ্রাম তৈরির জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে উদ্যোগ নিতে হবে এবং মৎস্য চাষ, প্রাণী সম্পদ পালন, সবজি উৎপাদন, ফল উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে নিরাপদ খাবারে ব্যবস্থা করাসহ ইত্যাদি।

happy wheels 2

Comments

%d bloggers like this: