Posted in

বহুত্ববাদি নারীবান্ধব সাংস্কৃতিক সমাজ বিনির্মাণে এগিয়ে আসি

সিংগাইর মানিকগঞ্জ থেকে রিনা আক্তার
রূপ-বৈচিত্র্যের রূপসী বাংলার লোকায়ত সংস্কৃতির দীর্ঘদিনের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে কোটি কোটি বাঙালি হৃদয়ে ও শান্তিকামী মানুষের নজর কেড়েছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। মুসলিম ধর্মালম্বীদের সিয়াম সাধনার মাস বলে বৈশাখের সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানমালায় সরকার এর পাশাপাশি বেসরকারি সহযোগী সংগঠন,স্থানীয়ভাবে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনগুলো তাদের নিজস্ব উদ্দীপনায় সিয়াম সাধনার পবিত্রতার রক্ষা করে এবারও পালিত হচ্ছে পহেলা বৈশাখ ১৪২৯।


সমাজে সাংস্কৃতিক চর্চাগুলো আরো বেগবান ও নারীবান্ধব বহুত্ববাদি সাংস্কৃতিক সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে বারসিক’র সহযোগিতায় সম্প্রতি মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলার বিনোদপুর নয়াপাড়া নবীন যুব সংঘ ও কনকলতা কিশোরী ক্লাবের আয়োজনে পহেলা বৈশাখ ১৪২৯ এর প্রথম প্রহরে মঙ্গল শোভাযাত্রা ও মূকাভিনয় অনুষ্ঠিত হয়েছে।


মঙ্গল, শোভাযাত্রা ও মূকাভিনয়ের আগে নববর্ষের তাৎপর্য্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বিনোদপুর নয়াপাড়া নবীন যুব সংঘের সাধারণ সম্পাদক ঢাবি শিক্ষার্থী হারিজ উদ্দিন শিপুর সভাপতিত্বে ও কনকলতা কিশোরী ক্লাবের সভাপতি তানিয়া আক্তারের সঞ্চালনায় বৈশাখী মিলন মেলার তাৎপর্য ও সাংস্কৃতিক জাগরনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে মূলপ্রবন্ধ পাঠ করেন কনকলতা কিশোরী ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রিমা আক্তার। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সিংগাইর পৌরসভার সাবেক সংরক্ষিত নারী সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান পারভিন আক্তার ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক আমিনুল ইসলাম, বারসিক প্রকল্প কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম প্রমুখ। মূকাভিনয়ে অংশগ্রহণ করেন রেশমি আক্তার, প্রিয়াঙ্কা ঘোষ, পুস্পিতা দাস, নুপুর দাস, আখি আক্তার,সাদিয়া আক্তার ও অর্পিতা মণি দাস প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে নিজস্ব উদ্যোগে স্থানীয় জ্ঞানের আলোকে গ্রামীণ পরিবেশে বিনোদপুর নয়াপাড়া নবীন যুব সংঘ ও কনকলতা কিশোরী ক্লাব থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা নিয়ে ঢাকা-সিংগাইর আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদক্ষিন করে পুনরায় কনকলতা কিশোরী ক্লাব চত্ত্বরে এসে মিলিত হয়। তারপর তারা সমকালীন সমস্যা তথা নারীর উপর বহুমুখী সহিংসতার ঘটনা নিয়ে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগঠনের উদ্যমী এই তারুণ্যের আলো সকলকে নতুন ভোরের স্বপ্ন দেখান। তারা প্রত্যয় করেন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ও মুসলিমসহ সকল ধর্মালম্বী মানুষের হৃদয়ে বৈশাখের মিলন মেলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা বিশাল জায়গা দখল করে আছে দীর্ঘদিন ধরে। তাঁরা এই চর্চাকে আরো বেগবান করতে চান। তারা বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি এই চর্চাই পারবে আগামী দিনের নারী-পুরুষের সামাজিক ন্যায্যতা ভিত্তিক একটি বহুত্ববাদি নারীবান্ধব সাংস্কৃতিক সমাজ বিনির্মাণ করতে।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.