Posted in

বয়োঃসন্ধিকালীন সময়ে কিশোরীদেরসচেতন হতে হবে

মানিকগঞ্জ থেকে রুমা আক্তার  

কিশোরীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে মানিকগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার পূর্ব মকিমপুর গ্রামের কিশোরীদের বয়োঃসন্ধিকালীন ও জলবায়ু  ঝুঁকি মোকাবেলাসহ জেন্ডার ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে সম্প্রতি।

সমাজ উন্নয়ন কর্মী রুমা আক্তার এর উপস্থাপনায় বেসরকারি গবেষণা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান বারসিক’র সহযোগিতায় এই স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে স্বাস্থ্য কর্মী দিলারা বেগম কিশোরীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে কি করতে হয় এবং শারীরিক পুষ্টিহীনতা পূরণে কোন ধরনের খাবার খেতে হবে সে বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি ঋতুস্রাব কালীন সময়ে কি কি নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বাল্যবিবাহের কারণে যে কিশোরীরা স্বাস্থ্য সংকটে পড়ে এমনকি মৃত্যু ঝুঁকিও অধিক থাকে সে বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেন কিশোরীদের এবং তাদের অভিভাবকদের।

এছাড়া স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় কিশোরীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকা, বাল্যবিবাহ কে ‘না’ বলা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য কিশোরী ও নারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় জেন্ডার ন্যায্যতার কথা বলে কিশোরীদের দৃঢ় প্রত্যয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহবান জানান কর্মসূচি কর্মকর্তা রাশেদা আক্তার।

বয়োঃসন্ধিকালীন কিশোরীরা বরাবরই স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ভোগে। কারণ এসময় শহরের তুলনায় কিশোরীরা লজ্জা ও ভয়ে তাদের কোন সমস্যা মা-বাবা বা অন্য কাউকে কিছু বলতে পারে না। তাই কিশোরীদের প্রথম ঋতুস্রাব হওয়ার সময় কিভাবে নিজেদের যত্ন নিতে হবে বা শারীরিক পুষ্টি পূরণে কি ধরনের খাবার খেতে হবে জানে না। অনেক কিশোরী ঋতুস্রাবের সময় অপরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করে। আবার অনেকেই স্যানেটারি ন্যাপকিন একটা দিয়ে ১২ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় কাটায়। এতে করে কিশোরী ও নারী উভয়ের জরায়ু সমস্যা, ফাঙ্গাস, প্রসাবে জ্বালাপোড়া, অনিয়মিত ঋতুস্রাবসহ নানা রকম জটিলতায় ভুগে । নানা প্রকার জটিলতায় ভুগলেও লজ্জা এবং শঙ্কায় বলতে পারে না তারা।

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কিশোরী ও নারীদের যেমন শারীরিক অপুষ্টি দেখা দিচ্ছে তেমনি স্বাস্থ্য ঝুঁকিতেও রয়েছেন তারা এবং তাদের মধ্যে নেই সচেতনতা।

স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী দেশগুলোর বিরুদ্ধে সবাই লাল কার্ড পোস্টার হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানায়।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.