Posted in

রাজশাহীতে জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার সচেতনতা বিষয়ক পাঠশালা অনুষ্ঠিত

রাজশাহী থেকে মো. জাহিদ আলী

“আমার বোনের এই অসুখ (জরায়ু মুখে ক্যান্সার) হয়েছিলো, ভারতের ভেলরে চিকিৎসা করিয়েছি, এখন সে মোটামুটি সুস্থ। আগে যদি জানতে পারতাম তাহলে এই অসুখ হতো না।”19048591_10207007988638547_1141530908_o আজ (৮ জুন) রাজশাহী তানোরের মোহর ক্লিনিক প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার সচেতন বিষয়ক অনুষ্ঠিত পাঠশালায় অংশগ্রহণকারী গৃহিনী আনোয়ারা বেগম (ছদ্মনাম) এই উক্তিটি ব্যক্ত করেন।

“স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতন হই, লজ্জা নয় নিজে জানবো অন্যকে জানাবো” শিরোনামে মোহর কমিউনিটি ক্লিনিক এর সহায়তায় এবং স্বপ্ন আশার আলো যুব সংঘ,শিক্ষা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা স্ট্যান্ডিং কমিটি তালন্দ ইউপি এবং বারসিকের আয়োজনে জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার সচেতন বিষয়ক পাঠশালা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন শিক্ষা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি হাসেম উদ্দিন।

পাঠশালায় অংশগ্রহণ করে আনোয়ারা বেগম (ছদ্ম নাম) তার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, “আমার বোনের এই অসুখ (জরায়ু মুখে ক্যান্সার) হয়েছিলো, ভারতের ভেলরে চিকিৎসা করিয়েছি, এখন সে মোটামুটি সুস্থ। আগে যদি জানতে পারতাম তাহলে এই অসুখ হতো না।” তিনি জানান আমাদের নিজেদের প্রয়োজনেই জরায়ু ক্যান্সার 19024557_10207007987598521_1654681731_oসম্পর্কে জানা জরুরি। অনুষ্ঠানটির উদ্বোধক হাসেম উদ্দিন বলেন, “জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার একটি নীরব ঘাতক অসুখ। আমাদের প্রতিদিনের অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ ও প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে ভালো জ্ঞান না থাকার কারণে এই অসুখ হয়ে থাকে।” তিনি বলেন, “আজকে আপনারা এই সম্পর্কে ধারণা পাবেন যা আপনাদের এই ঘাতক অসুখ হতে নিরাময় করবে।”

সচেতন বিষয়ক এই পাঠশালাটি পরিচালনা করেন মোহর কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি আমিনা খাতুন। তিনি জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার রোগ কি, এই রোগের উপসর্গ, লক্ষণ এবং এই রোগের প্রতিকার ও রোগে করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। অংশগ্রহণমূলক এই আলোচনায় তিনি অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। মোহর কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ সার্ভিস প্রোভাইডার আমিনা খাতুন বলেন, “আমি রোগ সম্পর্কে কেউ জানতে আসলে তাকে এই রোগের প্রাথমিক করণীয় কি তা জানাই, তবে গ্রামের এত মানুষকে একত্রিত করে জানানো সম্ভব হয় না। এই রকম আয়োজন যদি নিয়মিত হয়। তাহলে গ্রামের অধিকাংশ মানুষ এই বিষয়ে সচেতন হতে পারবে।”

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.