Posted in

প্রথম আঞ্চলিক ট্রি অলিম্পিয়াড: মেডিক্যাল ক্যাম্পাস হাইস্কুলে প্রাথমিক বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত

রাজশাহী থেকে শামীউল আলীম শাওন

বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষ ও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিসহ আগামীতে মননশীল প্রজন্ম তৈরির লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছে সচেতনতামূলক কুইজ ভিত্তিক প্রতিযোগিতা ‘আঞ্চলিক ট্রি অলিম্পিয়াড-২০১৭’। বাংলাদেশ তথা বিশ্বের মধ্যে প্রথম ব্যতিক্রমধর্মী এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে রাজশাহীর সামাজিক সংগঠন বরেন্দ্র শিক্ষা সংস্কৃতি বৈচিত্র্য রক্ষা কেন্দ্র (বিইসিডিপিসি) ও বারসিক। দু’টি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ কুইজ প্রতিযোগিতা। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত ‘ক’ ক্যাটাগরি এবং নবম থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ‘খ’ ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাচ্ছে। এ আঞ্চলিক ট্রি অলিম্পিয়াডের বিষেশজ্ঞ প্যানেল হিসেবে ভূমিকা পালন করছেন স্থানীয় স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ। বাছাই পর্বে অংশগ্রহণকারীদের বৃক্ষ ও পরিবেশ বিষয়ক উপস্থিত বক্তৃতা এবং ২০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে সর্বোচ্চ নম্বরধারী দশজন শিক্ষার্থীদেরকে ফাইনাল রাউন্ডের জন্যে নির্বাচন করা হচ্ছে।

রাজশাহী বিভাগের বরেন্দ্র অঞ্চল খ্যাত রাজশাহীর সিটি কর্পোরেশনসহ, তানোর, গোদাগাড়ী এবং পবা উপজেলার বিভিন্ন স্কুলে এ প্রতিযোগিতার প্রাথমিক বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস হাইস্কুলে এ প্রতিযোগিতার প্রাথমিক বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

গত ৩০ অক্টোবর রাজশাহী মহানগরীর মেহেরচন্ডী উচ্চ বিদ্যালয়ে এই প্রতিয়োগিতার উদ্বোধন এবং একইদিন ওই স্কুলে প্রাথমিক বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও গত সোমবার (৬ নভেম্বর) রাজশাহীর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রথম আঞ্চলিক ট্রি অলিম্পিয়াড এর প্রাথমিক বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী সোমবার (১৩ নভেম্বর) রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার গোগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) রাজশাহীর তানোর উপজেলার তানোর পৌরসভা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতার প্রাথমিক বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

1st Regional Tree Olympiad__Press Release-09.11.2017(BARCIK &BECDPC)

বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) সকাল এগারোটায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস হাইস্কুলে এ প্রতিযোগিতার প্রাথমিক বাছাই পর্বের উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বাছাই পর্বের উদ্বোধন করেন, ওই স্কুলের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইউনুস আলী সরদার রাজু। মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস হাইস্কুলে বাছাই পর্বে অংশগ্রহণকারীদের বৃক্ষ ও পরিবেশ বিষয়ক উপস্থিত বক্তৃতা এবং ২০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণী থেকে তিনজন করে এবং নবম শ্রেণী থেকে চার জন সর্বোচ্চ নম্বরধারী শিক্ষার্থীকে পরবর্তী পর্বের জন্য নির্বচিত করা হয়েছে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা হলেন, ষষ্ঠ শ্রেণীর যথাক্রমে- তিথি, মিসকাতুল মিমি, সামস্ হক উদয়; সপ্তম শ্রেনীর যথাক্রমে- মাহমুদা আক্তার মুন্নি, আতিক হাসান, আবিদ হাসান এবং নবম শ্রেনীর যথাক্রমে- তামান্ন হোসেন সুমি, এমি ইয়াসমিন, মারুফা খাতুন ও সাদরুল ইসলাম। পরবর্তীতে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ইয়েস কার্ড তুলে দেন স্কুলের শিক্ষকেরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, স্কুলের সিনিয়র সহকারি শিক্ষক মো. জমসেদুল ইসলাম, বরেন্দ্র শিক্ষা সংস্কৃতি বৈচিত্র্য রক্ষা কেন্দ্র (বিইসিডিপিসি)’র কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জাওয়াদ আহমেদ রাফি, সাধারণ সম্পাদক উজ্জল হোসেন, আঞ্চলিক ট্রি অলিম্পিয়াড কমিটির রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সমন্বয়ক জিনাত-উন-নেসা, বিইসিডিপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং আঞ্চলিক ট্রি অলিম্পিয়াড কমিটির সাধারণ সম্পাদক শামীউল আলীম শাওন, আঞ্চলিক ট্রি অলিম্পিয়াড কমিটির যুগ্ম সমন্বয়ক ও বিইসিডিপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জরিনা খাতুন জরি, সদস্য সালমা খাতুন র্উমি, বারসিক বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রোগ্রাম অফিসার জাহিদ আলী, সহযোগী কর্মসূচি কর্মকর্তা অমৃত কুমার সরকার, হিসাব ও ব্যবস্থাপনা সমন্বয়কারী উপেন রবিদাস, কর্মসূচি সহকারী ব্রজেন্দনাথ, অফিস সহায়ক দীনেশ সরেন, বিইসিডিপিসি’র সিটি ইউনিটের সভাপতি ইবনে সিনা জ্যোতি, সহ-সভাপতি আব্দুস সোবাহান, সদস্য আফরিনা তাসনিম কেয়া, শাকুর উদ্দীন সিথিল, আবির হোসেন প্রমুখ।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.