সাম্প্রতিক পোস্ট

বন্যপ্রাণী ও পাখির খাদ্য নিরাপত্তা এবং বাসস্থান নিশ্চিতের দাবি

রাজশাহী থেকে মো. শহিদুল ইসলাম

আজ (২২ নভেম্বর) রাজশাহী মহানগরীর শিমলা পার্কে বেসরকারি উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক এবং তরুণ সংগঠন ‘ইয়ুথ এ্যাকশন ফর সোস্যাল চেঞ্জ-ইয়্যাস’ এর যৌথ উদ্যোগে বন্যপ্রাণী ও পাখির খাদ্য নিরাপত্তা এবং বাসস্থান সুরক্ষা ও নিশ্চিতের দাবিতে সংহতি ও মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত মানববন্ধন ও সংহতিতে অংশগ্রহণ করেন রাজশাহী মেট্রেপলিটন পুলিশের সিনিউর সহকারী পুলিশ কমিশনার ইফতেখায়ের আলম, রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ হাফিজুর রহমান, বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শহিদুল ইসলাম, ইয়্যাস এর সভাপতি শামিউল আলীম শাওন, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম ও মুখপাত্র ফাতেমা আলী মেঘলাসহ রাজশাহীর বিভিন্ন সংগঠনের ৫০ জন তরুণ।

অংশগ্রহণকারীগণ বলেন, ‘বন্যপ্রাণী এবং পাখি সুরক্ষায় আইন থাকলেও অনেকে তা জানেনা বা জানলেও অনেকে মানেনা। শীতের এই মৌসুমে প্রচুর পরিমাণে অতিথি পাখি আসে, শিকারীরা সেগুলো শিকার করে। আবার আমাদের দেশীয় পাখি দিনে দিনে দিনে কমে যাচ্ছে। বন্যপ্রাণী ও পাখির নিরাপদ খাদ্য ও বাসস্থানের অভাবে দিনে দিনে বন্যপ্রাণী ও পাখি কমে যাচ্ছে। বড় বড় গাছ পালা কেটে ফেলা হচ্ছে, জমিতে রাসায়নিক ও কীটনাশক ও ফলজ গাছ ও জলাধার, পুকুরে কারেন্ট জালের নেট ব্যবহারের ফলে পাখি মরে যাচ্ছে এবং প্রজননে সমস্যা দেখা দিচ্ছে।’

BARCIK-10+

রাজশাহী মেট্রেপলিটন পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার ইফতেখায়ের আলম বলেন, ‘বন্যপ্রাণী ও পাখি সুরক্ষায় দেশে আইন আছে। বন্যপ্রাণী ও পাখি শিকার, আটক, হত্যা ও ক্রয় বিক্রয় দন্ডনীয় অপরাধ। বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন- ২০১২ অনুযায়ী- পাখি শিকার, হত্যা, আটক ও ক্রয় বিক্রয় দন্ডনীয় অপরাধ। যার সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছর করাদন্ড এবং ২ লাখ টাকা জরিমানা। এবং বন্যপ্রাণী আটক, হত্যা, শিকার ও ক্রয় বিক্রয় দন্ডনীয় অপরাধ। যার সর্বোচ্চ শাস্তি ১২ বছর করাদন্ড এবং ১৫ লাখ টাকা জরিমানা।’ বারসিক বরেন্দ্র অঞ্চল সমন্বয়কারী মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বন্যপ্রাণী ও পাখি আমাদের পরিবেশ এবং স্থায়িত্বশীল উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। তাই বন্যপ্রাণী ও পাখি সুরক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।’

মানববন্ধন ও সংহতির এক পর্যায়ে অংশগ্রহণকারীগণ জনসচেতনতার জন্যে বন্যপ্রাণী ও পাখি সুরক্ষা আইন সংবলিত ফেস্টুন, তথ্যবোর্ড বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে প্রদর্শনের জন্য লাগিয়ে দেন। তথ্য বোর্ডে প্রদর্শনের উদ্বোধন করেন রাজশাহী মেট্রেপলিটন পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার ইফতেখায়ের আলম। এ সময় তিনি বলেন, ‘আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে আমরা সবসময় কার্যকর ভূমিকা পালন করবো।’

happy wheels 2

Comments

%d bloggers like this: