Posted in

মানিকগঞ্জে শিশু দিবসে প্রকৃতি-পরিবেশ সুরক্ষা আহ্বান

ঘিওর, মানিকগঞ্জ থেকে সুবীর কুমার সরকার
ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়নের শোলকুড়া গ্রামের মো. আলিফ ৭ম শ্রেণীর ছাত্র। তাঁর পিতা হচ্ছেন গবেষক কৃষক মো: মাসুদ বিশ্বাস। তিনি বিএ পাস করেও কৃষি কাজ করেন এবং নিজেকে কৃষক বলে পরিচয় দেন। আলিফ স্কুলে ও বাড়িতে দাদা-দাদির কাছে বঙ্গবন্ধুর গল্প শুনেছে, গল্প শুনে তাকে দেখার খুব ইচ্ছা করে তার। বঙ্গবন্ধুর মতো হতে চায়! সম্প্রতি বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন করার জন্য মাটির উৎসব প্রদর্শন করা হয় ১০৪ প্রকার কারুকাজ সমৃদ্ধ মৃৎশিল্প । ৫ থেকে ১৪ বছরের অর্ধশত শিশুদের হাতে মাটি দিয়ে তৈরি করা মৃৎশিল্প নজর কেড়েছে দর্শণার্থীদের। শিশুদের শিল্পকর্মের মধ্যে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, শহীদ মিনার, ফল, ঘর, দোলনা, মাছ, শীতলপাটি, পাখি, চুলা, মই, পাখা,পুতুল, সাপ, গাছ, ফুল। এগুলো তৈরি করে শিশুরা বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের উপহার হিসেবে রাখে।


দিনব্যাপি প্রদশর্নী শেষে বিকেলে শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশ নেন নারী উদ্যেক্তা লিপি আক্তার, কাকলি আক্তার, রাশেদা আক্তার, গবেষক কৃষক মো: মাসুদ বিশ^াস, এ্যাড: লেবু মিয়া, বারসিক’র আঞ্চলিক সমন্বয়কারী বিমল রায়, বারসিক প্রকল্প কর্মকর্তা মো: নজরুল ইসলাম ও সুবীর কুমার সরকার। বঙ্গবন্ধুর ১০৪ তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিশু আলিফ এর মতো আরও অনেক শিশু এসেছে বঙ্গবন্ধুকে সম্মান জানাতে।সেরা কারুশিল্পির পুরস্কার পান আলিফ বিশ^াস, তরী খান, আবির বিশ^াস, চাঁদনী, প্রিয়া, বিথী।


মো. মাসুদ বিশ^াস শিশুদের সাথে গল্প বলে সময় কাটান। তিনি শিশুদের জানান, ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ (৩রা চৈত্র ১৩২৭ বঙ্গাব্দ) গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন। জাতির পিতা জন্মদিন পালন করতেন না। তাঁর জন্মদিনে তিনি শিশুদের সাথে কাটাতে পছন্দ করতেন। শিশুরা দল বেঁধে বঙ্গবন্ধুকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জনাতে আসতো। ১৯৯৭ সাল থেকে বঙ্গঁবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের জন্মদিন ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস বাংলাদেশে পালিত হয়ে আসছে।


অনুষ্ঠানে বারসিক’র কর্মী সুবীর কুমার সরকার শিশু দিবসের শিশুদের জানান, এখন আমাদের সামনে একটাই নিশানা তা হলে আমাদের মাটি ভালো রাখতে হবে, মাটি ভালো থাকলে আমাদের প্রাণ-প্রকৃতি ভালো থাকবে। তাই শিশু দিবসে শিশুদের হাতে মাটি রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে, তারা যেনো প্লাস্টিক বর্জন করে। কীটনাশক দিলে মাটি নষ্ট হয় সেটা জানতে হবে। পলিথিনের সঠিক জায়গায় ফেলতে হবে। অনুষ্ঠানের শেষে মাটি কিভাবে নষ্ট হয় তা নিয়ে শিশুদের ভাবনা সকলে মিলে কাগজে তুলে ধরা হয়।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.