হরিরামপুর থেকে মুকতার হোসেন
হরিরামপুর পাটগ্রামচরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প আওতায় হরিনাঘাট থেকে গঙ্গাধরদি রাস্তায় খালের উপর সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। সেতু নির্মাণে কৃষকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হলো। লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে, নটাখোলা উচ্চ বিদ্যালয়, নটাখোলা হাট, গঙ্গাধরদি বাজারসহ পাটগ্রামচর, গঙ্গাধরদি, হরিহরদিয়া, বালিয়াচক, হালুয়াঘাটা, নটাখোলা কয়েকটি গ্রামে চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি হলো পাটগ্রামচর বাজার থেকে গঙ্গাধরদি হয়ে নটাখোলা যাওয়ার রাস্তাটি। শুস্ক মৌসুমে মানুষ পায়ে হেটে চলাচল করতে পারলেও কৃষিপণ্য পরিবহনকারী, ঘোড়ার গাড়ী, মহিষের গাড়ী পাওয়ার ট্রিলারগুলো যেতে সমস্যা হতো।

বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল স্কুলে শিক্ষার্থীরা পাড়াপ্ড়াসহ বিপাকে পড়তে হতো। মুল পদ্মা নদী থেকে সংযোগ থাকার কারণে বর্ষা মৌসুমে খালটি দিয়ে পানি প্রবাহ করে। তাই পানি প্রবাহ গতিপথকে স্বাভাবিক চলমান রেখে সেতু নির্মাণের দাবি ছিল এলাকাবাসীর। মূলত এলাকাবাসী ও কৃষকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পানির স্বাভাবিক নৌকা চলাচল ঠিক রেখে একটি সেতুটি তৈরি হয়েছে।
সেতুটি নির্মাণের ফলে এলাকার মানুষ পায়ে হেটে, সাইকেল নিয়ে, মোটর সাইকেল, ঘোড়ার গাড়ি, মহিষের গাড়ি, ইউনিয়ন পরিষদসহ হাট বাজারে যেতে পারছেন। পাটগ্রামচরে বাড়ি মোচনমিয়া বলেন, ‘সেতুটি দেওয়ার ফলে আমাদের অনেক সুবিধা হইছে। আমরা সহজে গম, ভুট্টা, কালাই, সরিষা অন্যান্য কৃষি ফসল সহজে বাড়িতে আনতে নিতে পারতেছি এবং সহজে হাট বাজারে নিতে পারছি। এছাড়া সেতু নিচ দিয়ে বর্ষা মৌসুমে নৌকা নিয়ে চলাচল করা যাবে।’

