বর্জ্য থামাও, মগড়া বাঁচাও

নেত্রকোনা থেকে মো. অহিদুর রহমান
নেত্রকোণা অঞ্চলের ৫৭টি নদী আজ বিলুপ্তির পথে। নেত্রকোণা শহরে তিন দিক দিয়ে পেচিয়ে প্রবাহিত হয়েছে মগড়া নদী। এই নদীর তীরেই নেত্রকোণা শহর। প্রাচীন ঐহিতাসিক এই শহরের মানুষের বাসাবাড়ির বর্জ্য মগড়ার জলে ফেলে নদীর পানিকে দূষিত করা হচ্ছে। পৌরসভার সব কয়টি ড্রেন নদীর পানিতে যুক্ত। ফলে নদীর পানি আজ বিষাক্ত হয়ে উঠছে।

নদীর পাড়ে ময়লার গন্ধে পথচারীদের হাটতে কাপড় দিয়ে নাক, মুখ বন্ধ করে যেতে হয়।
সাইপাই এলাকার যুব শিশু নারীরা মগড়া নদীতে ময়লা ফেলে পানি নষ্ট না করার জন্য এক ব্যতিক্রমি প্রতিবাদের আয়োজন করেন। তারা নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে রঙিন কাগজে হাতে লিখা প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করে প্রতিবাদ জানায়। যুব ও শিশুরা জানান, তাদের বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে চলা নদীতে ময়লা যেন বাসাবাড়ির লোকজন না ফেলেন। এই নদীটা তাদের অনেক প্রিয়। নদীর পানিতে সাঁতার কাটতে চায় তারা।


তারা প্লেকার্ডে লিখেছিলেন, “আমার মগড়া নদীর জলে ময়লা কেন”, “আমি নদীর স্বচ্ছ জলে সাঁতার কাটতে চাই”, “মগড়া বাঁচাও, পরিবেশ বাঁচাও”, “ময়লা ডাস্টবিনে ফেলুন”, “থামাও দূষণ ,বাঁচাও জীবন”, “আসুন নিজেকে পরিবর্তন করি”, “আমার মগড়া আমার জল,বইতে দাও অবিরল।”


যুবদের এই প্রতিবাদী যুব বন্ধনটি উদে¦াধন করেন নেত্রকোণা জেলার একমাত্র নারী সাংবাদিক সমাজকর্মী সময় টিভি ও প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি আলপনা বেগম। উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক, গবেষক, লেখক খন্দকার সোহরাব উদ্দিন, বারসিক’র আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. অহিদুর রহমান, সাংবাদিক এম সৈকত জাহান প্রমুখ।

happy wheels 2

Comments