Posted in

গৃহস্থালির জৈব বর্জ্য হবে সম্পদ

ঢাকা থেকে ফেরদৌস আহমেদ:
গৃহস্থালির বর্জ্য এখন কেবল দূর্গন্ধ ছড়াবেনা, বর্জ্য থেকে হবে সম্পদ। গৃহস্থালি বর্জ্যকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে পৃথিবীর অসংখ্য দেশ তৈরি করছে কম্পোস্ট স্যার, গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নানা ধরনের সম্পদ। বর্জ্য এখন আর কোন অর্থেই ফেলনা কিছু নয়, বরং তার সবটাই এখন সম্পদ। গৃহস্থালির জৈববর্জ্য থেকে কম্পোস্ট তৈরির প্রশিক্ষণে এসকল বক্তব্যগুলো উঠে আসে। বিশিষ্ট কৃষিবিদ ও প্রশিক্ষক এবিএম তৌহিদুল আলম প্রশিক্ষক হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের সামনে নানামাত্রিক তথ্য ও ডকুমেন্টারি তুলে ধরেন।


ইউএস এইড এবং এফসিডিও এর অর্থায়নে এবং কাউন্টার পার্ট ইন্টারন্যাশনাল এর কারিগরি সহযোগিতায় ‘ঢাকাকলিং’ কনসোর্টিয়াম প্রকল্পের আওতায় বারসিকের উদ্যোগে গত ১৭ ও ১৯ মে ২০২২ বালুর মাঠ হাজারিবাগ এলাকায় সিবিও কমিউনিটি সদস্যদের অংশগ্রহণে লালমাটিয়ার এনজিও ফোরাম সম্মেলন কক্ষে জৈব বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট তৈরির প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


সকাল ৯টায় থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ ও বারসিকের পরিচালক এবিএম তৌহিদুল আলম। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বারসিকের পরিচালক ও গবেষক পাভেল পার্থ, ডিএসকের কনসোর্টিয়াম কোওর্ডিনেটর সানজিদা জাহান আশরাফি, বারসিকের প্রজেক্ট ম্যানেজার ফেরদৌস আহমেদ, ডিএসকের মনিটরিং ও ডকুমেন্টশন অফিসার ফারহা হাদিয়া, সিএম সাবিনা নাঈম, কামরুন নাহার, সিবিও নেতা হারুন অর রশিদ প্রমূখ। দুটি প্রশিক্ষণে ৩৯ জন কমিউনিটি অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণের শুরুতে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য ও প্রকল্প সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন ফেরদৌস আহমেদ। তিনি, প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য যাচাই করেন ও অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা প্রদান করেন।
এবিএম তৌহিদুল আলম প্রশিক্ষণের শুরুতে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে কম্পোস্ট তৈরি সম্পর্কে একটি সচিত্র ধারণা উপস্থাপন করেন। পরবর্তীতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট সার তৈরির বিষয়টি বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেন। প্রশিক্ষণ থেকে তিনি চারটি ভিডিও ডকুমেন্টারী দেখান যেখানে বিস্তারিতভাবে সার তৈরির সচিত্র প্রতিবেদন দেখা যায়।


তিনি অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘পৃথিবীব্যাপী এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বিষয় হলো জৈব কম্পোস্ট। আমরা চাই আমাদের দেশও একটি নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করুক। সরকার ইতোমধ্যে নানান পদক্ষেপ নিচ্ছে বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার জন্য। ঢাকা কলিং প্রকল্প নিশ্চয়ই এই ধারাবাহিকতায় কাজ করে যাবে।’


উল্লেখ্য, ঢাকা কলিং প্রকল্পটি ডিএসকে, বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাসনলেজ (বারসিক), কোয়ালিশন ফর দ্যা আরবান পুওর (কাপ) এবং ইনসাইট্স এর মাধ্যমে জানুয়ারি ২০২১- ডিসেম্বর ২০২২ পর্যন্ত চলবে।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.