Posted in

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জীববৈচিত্র্যের উপস্থিতির তুলনামূলক ধারণা অর্জন করা যায়

সিংগাইর থেকে সঞ্জিতা কীর্তুনীয়া

সম্প্রতি স্ট্রেংদেন কমিউনিটিস ক্যাপাসিটি এন্ড বিল্ড সাপোর্ট এন্ড কোলাবোরেশন টু ফেসআউট পেস্টিসাইডস এন্ড প্রোমোট এগ্রোইকোলোজি ফর এ টক্সিট ফি এশিয়া প্রকল্পের প্রাণবৈচিত্র্য মূল্যায়নের উপর স্টাফ দক্ষতা উন্নয়ন ব্যবহারিক প্রশক্ষণের আয়োজন করা হয়। বারিসক সিংগাইর রিসোর্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত স্টাফ দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণে সহায়কের ভূমিকা পালন করেন জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক গবেষক ও পরিচালক পাভেল পার্থ।

এছাড়া উক্ত প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন গণমাধ্যমকর্মী  বনানী মল্লিক, বারসিক এর বারসিক মানিকগঞ্জ অঞ্চলের সমন্বয়কারী বিমল রায়, মাসুদুর রহমান, শিমুল বিশ্বাস, সঞ্জিতা কীর্তুনীয়া, অনন্যা আক্তার প্রমুখ।

আলোচনার শুরুতে সহায়ক পাভেল পার্থ প্রশিক্ষণের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ‘এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা কৃষি জমির ধরনের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদ, গাছপালা, কীটপতঙ্গ, মাটির অণুজীব, পশুপাখিসহ নানা ধরনের জীববৈচিত্র্যের উপস্থিতির তুলনামুলক ধারণা অর্জন করার কৌশল জানতে পারবো।’ 

সাধারণ আলোচনা ছাড়াও প্রশিক্ষণে একটি ফিল্ডে হাতে কলমে জীববৈচিত্র্য মুল্যায়ন করার কৌশল শেখানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। ব্যবহারিক শিখনে সিংগাইর উপজেলার বায়রা ইউনিয়নের স্বরূপপুর গ্রামের দশরত সন্ন্যাসীর ফসলি জমির ৩০ বর্গফুট এলাকাকে সুতা দিয়ে সীমানা নির্ধারন করা হয়। পড়ে উক্ত স্থানে চাষকৃত বিভিন্ন ফসল, উদ্ভিদ, গাছপালা, কীটপতঙ্গ, মাটির অণুজীব পশুপাখির তথ্য বিশ্লেষণের কৌশল দেখানো হয়।

প্রশিক্ষণ শেষে কর্ম এলাকায় ১৫টি গবেষণা কাজ পরিচালনার জন্য একটি পরিকল্পনা তৈরি করা হয়।  সেখানে উল্লেখ থাকে যে ৫টি গবেষণা  হবে ভিন্ন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রাকৃতিক উপায়ে চাষাবাদের জমি। যেমন:  দেশী জাতের ধান ক্ষেত, মিশ্র ফসলী জমি, বসতবাড়ি বাগান, ঝোপঝাড় জাতীয় জমি, অপেক্ষাকৃত নিচু জমি। অন্য ১০ টি গবেষণা করা হবে রাসয়নিক সার, কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে চাষাবাদের জমি। বিশেষ করে যে স্থান থেকে কার্বন পরীক্ষার জন্য মাটি সংগ্রহ করা হয়েছে সে জমিকে অথবা তার নিকটবর্তী স্থানকে প্রাধান্য দিতে হবে।

কৃষি জমিতে জীববৈচিত্র্যের উপস্থিতির তুলনামুলক ধারণা অর্জন করার কৌশলের উপর স্টাফ দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে প্রকল্পে কর্মরত স্টাফগণ মনে করছেন।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.