Posted in

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্বন নিঃসরণ কমাতে হবে

নেত্রকোনা থেকে রুখসানা রুমি

পৃথিবী উত্তপ্ত হচ্ছে। বাড়ছে কার্বন নিঃসরণ, বাড়ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষিসহ জনজীবন। দিন দিন জলবায়ু পরিবর্তন বাড়ছে সাথে সাথে মানুষে মানুষে, মানুষে প্রাণিতে দ্বন্দ্ব তৈরি হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য জীবাশ্ম জ¦ালানিনির্ভর কর্মকান্ডই দায়ী। তাছাড়া মানব সৃষ্ট কারণে বন উজাড়, জলাভূমির বিলুপ্তি ,অপরিকল্পিত উন্নয়ন আমাদের জীবনব্যবস্থা বিপন্ন হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

এসব বিষয়কে সামনে রেখেই নেত্রকোণা জেলার কাইলাটি ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক, এনজিও কর্মী, যুব প্রতিনিধি, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বেসরকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক’র সহযোগিতায় কাইলাটি ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে ‘ জলবায়ু ন্যায্যতা,দ্বন্দ্ব-সংঘাত ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় স্থানীয় সরকার ও সাংবাদিকদের ভূমিকা বিষয়ক মতবিনিময় সভার আয়োজন কওে অগ্রযাত্রা কিশোরী সংগঠন ও রক্তের বন্ধন যুব সংগঠন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাইলাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাজমুল হক, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, সচিব, আব্বাসিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিন্নাতুল ইসলাম, এসএ টিভির সাংবাদিক দেবল সরকার, ডেইলি ট্রাইবুনালের সুলতান আহমেদ, ডেইলি অবজারভারের সুজাদুল ইসলাম ফারাস, নাজমুল হকসহ অনেকেই।

আলোচকগণ বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনে ঋতু পরিবর্তন হয়েছে, সময় মতো বর্ষা হয়না, শীত আসেনা, গরম বেড়ে যাচ্ছে, যা যখন হওয়ার কথা তা তখন হচ্ছেনা। বন উজাড় হচ্ছে, জলাভূমি ভরাট ও দূষণ হচ্ছে। প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য কমছে, কৃষি কমছে। মানুষের কর্মকান্ডের ফলে স্থানীয়ভাবে সংকট তৈরি হচ্ছে। এসব সংকট থেকে উত্তরণের জন্য আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে চেষ্টা করতে হবে। আমরা এ দেশের মানুষ জলবায়ু পরিবর্তন থামাতে পারবোনা তবে সচেতনতা জরুরি।

প্রধান অতিথির বক্তবে চেয়ারম্যান নাজমুল হক বলেন, পরিবেশগত সংকট তৈরি এমন কার্যক্রম থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। আগামি প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর পৃথিবী গড়তে হলে জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘পৃথিবীর ধনী দেশের মানুষেরা জীবাশ্ম জ¦ালানির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার করছে। ফলে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে কার্বনের পরিমাণ বাড়ছে। পৃথিবী দিন দিন উত্তপ্ত হচ্ছে। দুর্যোগ বাড়ছে দেশে দেশে। আমাদের যার যার অবস্থান থেকে সবুজ কর্মকান্ডের মাধ্যমে এই পরিবেশ ও বায়ুমন্ডলকে সুরক্ষা করতে হবে। সাংবাদিক দেবল সরকার বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতগুলো ও সংকটগুলো মিডিয়াতে তুলে ধরতে হবে সাংবাদিকদের। এসব সংবাদ দেশে বিদেশে প্রচার করে জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠান শেষে ধনীদেশের প্রতি প্রতিবাদ স্বরুপ অংশগ্রহনকারীরা মানববন্ধন করেন ্ইউনিয়ন পরিষদের সামনে।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.