Posted in

করোনাকালীনে আমরা জনসচেতনতা তৈরির কাজ সফলভাবে করেছি

সত্যরঞ্জন সাহা হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ
করোনায় পৃথিবী থেকে অনেক প্রাণ ঝরে গেলেও থেমে থাকেনি যুবকদের উদ্যোগ। যুবকগণ তারুণের শক্তি দিয়ে, করোনা মোকাবেলায় কাজ করে যাচ্ছেন। কখও করোনা জনসচেতনতা তৈরি, কখনও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে খাবার দিয়ে সহযোগিতা করেন। আবার নিজের জীবন বাঁচিয়ে প্রাণ ও প্রকৃতিকে টিকিয়ে রাখার লড়াইও করেছেন। কখনও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে থেকে মানবিক (হাসপাতালে নিয়ে) সহযোগিতা করেন। গ্রামের অন্যদের নিকট থেকে সহযোগিতা নিয়ে মানুষের পাশে থেকে নিজেদের সুনাম অর্জন করেছেন। যেসকল যুবকগণ সবসময় মানুষ ও প্রকৃতির পাশে থেকে কাজ করতে শিখেছেন, তারা করোনার সময় নিরাপদ দূরুত্ব বজায় রেখে কাজ করেছেন। সকলকে নিয়ে বাঁচার শক্তি যুগিয়েছেন। মানুষের সাথে মিশে সমন্বয় করার মাধ্যমে ঐক্যের পথ সৃষ্টি করেছেন। করোনায় যুবকগণ সংগঠিত হয়ে নতুন শক্তিতে কাজ করেছেন। করোনাকালে যুব সংগঠন আরো সুদৃঢ় শক্তি অর্জন করেছেন। কাজের ক্ষেত্রে নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছে, চলার পথও হয়েছে প্রসস্থ।


পদ্মা পাড়ের পাঠশালা পরিচালক মীর নাদিম হোসেন বলেন, ‘করোনাকালে আমাদের কাজের নতুন অভিজ্ঞতা হলো। কঠিন পরিস্থিতেও আমরা যে কাজ করতে পারি (ইন্টারনেট ভিক্তিক) তা প্রমাণিত হলো। আমরা নিরাপদ দূরুত্ব বজায় রেখে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করেছি। যখন বড় উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব নয় তখন ছোট ছোট উদ্যোগ নিয়ে আমাদের কাজ এগিয়ে নিয়েছি। আমরা করোনার সময় জনসচেতনতা, প্রান্তিক মানুষদের খাদ্য সহযোগিতা, প্রাণ ও প্রকৃতি রক্ষায় উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।’
হরিরামপুরের যুব টিমের আহবায়ক জাকির হোসেন বলেন, ‘করোনা মহামারিতে অনলাইনে কাজ করার অভিজ্ঞাতা অর্জন হলো। অনলাইনে নতুন যুববন্ধু যুক্ত হয়ে কাজ করছেন। যুবকগণ প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সহভাগিতার কাজ আরো সহজভাবে করতে পারছেন। অনলাইনভিক্তিক প্রচারণার কাজ করে জনসচেতনতা তৈরি করা যাচ্ছে।’

জলবায়ু স্বেচ্ছাসেবক টিম সভাপতি রাসেল মিয়া বলেন, ‘চরাঞ্চালে যুবকগণ নিজেরা করোনা সচেতন হয়ে নিজের পরিবারকে রক্ষা ও প্রতিবেশীদেরকে সহযোগিতা করছেন। চরের প্রাণসম্পদ রক্ষায় ও কৃষি বৈচিত্র্য রক্ষায় টিমের সদস্যগণ কাজ করছেন। করোনার সময় প্রাণি সম্পদ সংরক্ষণ ও পালনে যুবকগণ উদ্যোগী ভূমিকা পালন করছেন।’


হরিরামপুর যুব স্বেচ্ছাসেবক টিমের আহবায়ক শাহীন টিটু বলেন, ‘করোনা মহামারী চলছে, সাথে যুবকদের সামাজিক উদ্যোগও চলমান রয়েছে। করোনা সচেতনতায় সমাজের উন্নয়নে প্রান্তিক মানুষের সহযোগিতায় সমন্বিতভাবে কাজ করছি। আমাদের সাথে উদ্যোগী যুবশক্তি যুক্ত হয়ে কাজ করছে। আমরা যুব স্বেচ্ছাসেবক টিম সকারি বেসরকারি অফিসের সাথে যুক্ত থেকে কাজ করায়, আমরা সফল হয়েছি।’

হরিরামপুর স্বেচ্ছাসেবক টিমের সদস্যগণ প্রাণ ও প্রকৃতি রক্ষায় যেমন কাজ করছেন তেমনি করোনা মোকাবেলায় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে জনসচেতনতায় কাজ করছেন, যা প্রশংসার দাবি রাখে।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.