Posted in

কালিগঞ্জের বিখ্যাত মিষ্টান্ন ক্ষীরসা

সাতক্ষীরা থেকে এস. এম নাহিদ হাসান

ক্ষীরসা। দেখতে দধির মত মনে হলেও বাদামি রঙের এই ক্ষীরসার স্বাদের অনেক ভিন্নতা রয়েছে। গরুর খাঁটি দুধ, চাউলের গুড়া, সন্দেশ ও পরিমাণ মতো চিনি দিয়ে তৈরি হয় লোভনীয় ক্ষীরসা। সুস্বাধু এই খাবারের নামটি অনেকে আজ প্রথম শুনতে পারেন। কিন্তু কালিগঞ্জের ক্ষীরসার সুনাম সাতক্ষীরাজুড়ে। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে মিষ্টি স্বাদের এই ক্ষীরসা তৈরি করা হয় শুধুমাত্র কালিগঞ্জের বিসমিল্লাহ হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্টে।

20180427_171128

শীত হোক আর গরম বার মাসই এখানে পাওয়া যায় ক্ষীরসা। সুন্দরবনে ভ্রমণ বা কালিগঞ্জ এলাকায় ঘুরতে গেলে অনেকেই ক্ষীরসার স্বাদ না নিয়ে ফেরেন না। অনেকে আবার পরিবার পরিজনদের জন্যও নিয়ে আসেন ক্ষীরসা। ।

কালিগঞ্জ ব্রিজের নিচে বিসমিল্লাহ হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্টে পাওয়া যায় এ সুস্বাদু মিষ্টান্ন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মানুষ ক্ষীরসা খেতে আসেন। প্রতিদিন কয়েক মণ ক্ষীরসা বিক্রি হয় এখানে। প্রতিকেজি ক্ষীরসা মূল্য ৩০০ টাকায় বিক্রি করা হয়।

IMG_20180427_170950

নাজিমগঞ্জের আনোয়ার হোসেন বলেন, “ক্ষীরসা আমার খুব পছন্দের। প্রায় বিকালে এখানে আসি ক্ষীরসা খেতে। গরমে ফ্রীজের ঠা-া ক্ষীরসার স্বাদ অতুলনীয়। আমার মতো অনেক মানুষ এখানে আসে ক্ষীরসা খেতে। যারা একবার আজিজ ভাইয়ের দোকানের ক্ষীরসা খেয়েছে তারা এ এলাকাতে আসলে না খেয়ে যান না। তবে দোকানটা একটু ভিতরে হওয়ায় অনেকে সহজে চিনতে পারে না।”

সাতক্ষীরা সদর থেকে ক্ষীরসা খেতে আসা আমানউল্লাহ বলেন, “আমি যখনই বিভিন্ন কাজে মুন্সিগঞ্জ যাই তখন সময় পেলেই এখানকার ক্ষীরসা খেয়ে যায়। আবার বাসার জন্য নিয়েও যায়। এর স্বাদ অতুলনীয়। সারাবছরই পাওয়া যায়। দধির পরিবর্তে এখানকার ক্ষীরসা খেতে আমার মতো অনেকেই আসে।

IMG_20180427_170851

ক্ষীরসা তৈরির কারিগর ও হোটেলের মালিক মো. আজিজুর রহমান বলেন, “প্রায় ১৮ বছর ধরে এখানে ক্ষীরসা তৈরি করি। খাঁটি দুধ দিয়ে এটি তৈরি করি। তাই শুরু থেকে এখন পর্যন্ত এর স্বাদ একই রকম আছে। ক্ষীরসা তৈরিতে একটু সময় বেশি লাগে। তাই অনেক সময় ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয় না। দুর-দূরান্ত থেকে মানুষ খেতে আসে। সুন্দরবনে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকরাও এখানে এসে খেয়ে যায়।”

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.