Posted in

করোনাকালে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের জিজ্ঞাসা

ইন্টারনেটের ফ্রি সোর্স থেকে সংগৃহীত

ঢাকা থেকে পাভেল পার্থ:

চীনে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে গেলে জানুয়ারিতেই করোনা-সংকটকে বৈশ্বিক অমীমাংসিত পরিবেশ-প্রশ্নের পাটাতনে রেখে লেখালেখি শুরু করেছিলাম। আজ পাঁচ মাস পর আবার সেই একই ফিরিস্তি কেন? আসলে পাঁচ মাস নয়, গত বিশ বছর ধরে এই একই আলাপ করে যাচ্ছি। তো আমার কাছে মনে হয়, করোনাকালে পরিবেশ-জিজ্ঞাসার এক পাবলিক চেহারা তৈরি হচ্ছে। ঘরদুয়ার থেকে বিদ্যায়তন। কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে অমৃতা দেবীর চিপকো বিদ্রোহ থেকে হাজংদের হাতিখেদা বিরোধী বিদ্রোহ, বালিশিরা আন্দোলন থেকে ভাসান পানি, পীরেন ¯œাল থেকে চিকো মেন্দেস বা ইকোপার্ক থেকে ফুলবাড়ি এসব কী পাবলিক পরিবেশ-জিজ্ঞাসার বাইরে? নিশ্চয়ই নয়। কিন্তু করোনার নিদানে বৈশ্বিক জ্ঞানকান্ড যে দুটি ডালে প্রসারিত হচ্ছে তার একটি এই ‘পরিবেশ-জিজ্ঞাসা’। মাতৃদুনিয়ার প্রাণ-প্রকৃতি-প্রতিবেশের সুরক্ষা প্রশ্ন। প্রতিটি দিবসের একটি প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়। যেমন এই করোনাকালে পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘প্রাণবৈচিত্র্য’। যেমন ২২ মে আন্তর্জাতিক প্রাণবৈচিত্র্য দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘প্রকৃতির মাঝেই সকল সমাধান’। মনে হলো বিশ বছর ধরে জিইয়ে রাখা আলাপখানিকে আবারো টেনে আনি, নিদেনপক্ষে পাঁচ মাস আগে তোলা করোনা-সংকটের পরিবেশ-জিজ্ঞাসাকে।

উন্নয়নে উধাও বৈচিত্র্য

বৈচিত্র্যর কোনো একক সংজ্ঞা কী দাঁড় করানো সম্ভব? তারপরও মোটা বা চিকনদাগে বৈচিত্র্যের প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক ধরণ নিয়ে আমরা মুখর থাকি। ভৌগলিকভাবে একটা ছোট্ট দেশ হয়েও বৈচিত্র্য-বৈভবে বাংলাদেশ অনন্য। একক আয়তনে দুনিয়ার বৃহত্তম বাদাবন, মিষ্টিজলের রাতারগুল অরণ্য, বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত, ত্রিশটি কৃষিপ্রতিবশ অঞ্চল কী ১৭টি জল-প্রতিবেশ অঞ্চল আছে এখানে। এই একটুখানি ছোট্ট দেশে যেখানে মানুষ গিজগিজ করে এখানে এখনো দশ হাজার ধানের জাত, দুনিয়ায় সবচে বেশি চামচ ঠুঁটো বাটান পাখি কি ইরাবতী ডলফিনের বাস এখানেই। নরম খোলের কালো কচ্ছপ থেকে শুরু করে বট আর কচুর বৈচিত্র্য এখনো বেশি। বহুল আদৃত বৈশ্বিক সব্জি বেগুনের আদি জন্মভূমি বাংলাদেশ। এখনো এখানে পঞ্চাশেরও বেশি রক্তলাগা আদিবাসী ভাষা টিকে থাকবার লড়াই করছে। কিন্তু রাষ্ট্র কী বিশ্ব বৈচিত্র্যবিমুখ। বৈচিত্র্যকে পায়ে পিষে বারবার ভুঁড়ি বাগায় তাক লাগানো উন্নয়ন। প্রাণজগতের বিবর্তনের গণিতে কোনো প্রাণ একসময় হারিয়ে যায়, আবার অন্য রূপে বিকশিত হয়। কিন্তু এই আলাপে প্রশ্ন করা হচ্ছে জোরজবরদস্তি করে যখন আমরা প্রাণপ্রজাতিদের খুন করছি। বিচরণস্থল চুরমার করে দিচ্ছি বা লুট করে নিচ্ছি শেষ মুখের গ্রাস। একটা পরিসংখ্যান টানা যাক, ১৯৯০ এর দিকে প্রতি হাজার বছরে দুনিয়া থেকে একটি প্রজাতি চিরতরে হারিয়ে যেত। মাত্র তিরিশ বছর পর আজ প্রতি দশ বছরে হাজার প্রজাতি দুনিয়া থেকে নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে। যার বেশিরভাগই অণুজীব, পোকামাকড় কী খুদে জীব। হাতি, গন্ডার, বাঘ কী অজগর হলে কিছুটা তড়পায় গণমাধ্যম। এই যে করোনাকালে মালয়েশিয়া থেকে সুমাত্রা গন্ডার হারিয়ে গেল। দাবিয়ে রাখার এই চলতো মানুষের কাঠামোগত বৈষম্যের ময়দান। পোকামাকড় কী আদিবাসী তাই আড়ালে থেকে যায় বারবার। করোনা-সংকটের পরিবেশ-প্রশ্ন নিয়ে শুরু করা লেখালেখি থেকে কিছু অংশ এখানে টানছি।

‘…দুনিয়া জুড়েই কমছে প্রাণ-প্রজাতির বৈচিত্র্য। নয়াউদারবাদী করপোরেট বাজারনির্ভর উন্নয়ন প্রতিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্যের সহাবস্থানকে বারবার অস্বীকার করছে। দশ হাজার বছর আগে হাজার উদ্ভিদ প্রজাতি থেকে মানুষের খাদ্যের জোগান আসতো, আজ মাত্র চারটি শস্যফসল মানুষের খাদ্যবাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। ঐসময়ে দুনিয়ায় মানুষ ছিল এক ভাগ আর বন্যপ্রাণ ছিল ৯৯ ভাগ। আজ মানুষ হয়েছে ৩২ ভাগ, গবাদি প্রাণিসম্পদ ৬৭ ভাগ আর বন্যপ্রাণ মাত্র এক ভাগ। দুনিয়াজুড়ে নির্দয়ভাবে উধাও হচ্ছে বন্যপ্রাণের জাত ও পরিসংখ্যান। মানুষ আজ মাছ, পাখি, বাদুড়, বাঘ, হাতি কী মৌমাছি সবাইকে উচ্ছেদ করে নিজের বসতি গড়ছে। প্রকৃতিতে এক মানুষ ছাড়া আরসব প্রাণপ্রজাতির বিচরণস্থল ও নিজেদের আপন বিকাশের পথ রুদ্ধ হয়েছে। প্রতিবেশবিমুখ এই উন্নয়ন বাহাদুরিই একের পর এক নানা অসুখ ও মহামারী ডেকে আনছে। যার প্রভাব জীবনযাপন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি কী বৃহৎ সামাজিক প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে। এক একটা বিপদের মুহূর্তে শুধুমাত্র কিছুটা সময়ের জন্য আমরা ঝুঁকি থেকে বাঁচার জন্য মরিয়া হচ্ছি, কিন্তু বিপদ কিছুটা কমলেই আবার ভুলে যাচ্ছি। নিজেরাই এক একজন প্রবল পরিবেশ-হন্তারক হয়ে ওঠছি।’’
বৈচিত্র্যবিমুখ এই বাহাদুরির সাথে রাষ্ট্র, এজেন্সি, সংঘ, সমাজ, কর্তৃত্ব, উপনিবেশ, বাজারের সম্পর্ক নিয়ে নানা তর্ক-বাহাস আছে। কিন্তু করোনাকালের পরিবেশ দিবসে দাঁড়িয়ে আবারো ‘প্রাণবৈচিত্র্য সুরক্ষার’ প্রশ্ন তুলছে জাতিসংঘ। তাহলে করোনা-উত্তর দুনিয়াকে আমরা কেমন দেখতে চাই? লকডাউনে থেমে থাকা কারখানা গুলো মরিয়া হয়ে আরো প্রাণপ্রজাতি বিনাশ করে তাদের মুনাফা চাঙ্গা করবে নাকি এক মায়াময় মাতৃদুনিয়া? ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, দেশ, রাষ্ট্র থেকে বিশ্ব সকলকেই এই প্রশ্ন সামাল দিতে হবে। যুতসই উত্তর খুঁজতে হবে।

প্রাণিঘটিত রোগ ও বন্যপ্রাণীর বিশাল বাজার

নানা তর্ক আছে কীভাবে এই করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে। উহানের বন্যপ্রাণীর অবৈধ বাজার থেকে কাঁচাবাজার নানাকিছু। বন্যপ্রাণী কেন বাজারে বিক্রি হবে?’’ গবেষণা বলছে, বাদুড় ও বনরুই থেকে এই করোনা ভাইরাস মানুষের শরীরে আসতে পারে। যেমন সার্স বা নিপাহ বাদুড় থেকে, মশা যেমন চিকুগুনিয়া কি ডেঙ্গু ছড়ায়। মানুষই একটার পর একটা জুনোটিক ডিজিজ বা প্রাণিঘটিত রোগের সংক্রমণ হাজির করছে মানুষের সমাজে। এই করোনা ভাইরাস তো দিব্যি প্রকৃতিতে তার মতো করেই ছিল। বাদুড় কী বনরুই যেখানেই থাকুক। কিন্তু মানুষ বাদুড় কী বনরুইকে বিনাশ করে করোনাকে নিজেই নিজের কাছে টেনে এনেছে। এখন একটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হচ্ছে মানুষকে। এই যে প্রাণজগতে প্রজাতির বিরুদ্ধে প্রজাতি দাঁড়িয়ে যাওয়া এর গণিত হলো, যোগ্যতা অর্জন করে টিকে থাকার লড়াই। কিন্তু নিতান্তই এক পরনির্ভরশীল প্রজাতি হিসেবে মানুষ এই লড়াইয়ে প্রাণজগতে একা কিভাবে টিকতে পারে? একদিকে বন্যপ্রাণীর বিশাল বাজার চাঙ্গা রেখে একের পর এক প্রাণিঘটিত রোগ আর নিত্যনতুন মহামারী সামাল দেয়ার যোগ্যতা প্রজাতি হিসেবে মানুষের এককভাবে নাই।

মানুষকেন্দ্রিক রাষ্ট্রনথিতে প্রাণবৈচিত্র্য

রাষ্ট্রের নথিতে ‘প্রাণবৈচিত্র্য’ প্রত্যয়টি নেই, আছে জীববৈচিত্র্য। ১৯৯১২ সনে বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে আন্তজার্তিক প্রাণবৈচিত্র্য সনদ ঘোষিত হয়। বাংলাদেশ এটি অনুমোদন ও স্বাক্ষর করে। বাংলাদেশ ১৯৯৮ সনে এর অনুকূলে একটি খসড়া তৈরি করে এবং ২০১৭ সনে জীববৈচিত্র্য আইন চূড়ান্ত করে। আইনে প্রাণবৈচিত্র্যের সংজ্ঞায়ন এবং এর বিস্তারে ‘মানুষকে’ বাদ রাখা হয়েছে। এমনকি সংবিধানে প্রাণসম্পদ ও বৈচিত্র্য সুরক্ষার প্রশ্নটি রাষ্ট্রের বর্তমান ও ভবিষ্যত ‘নাগরিকের’ জন্যই প্রযোজ্য। প্রাণবৈচিত্র্য ও পরিবেশ প্রশ্নে রাষ্ট্রের চিন্তা ও মনোজগত প্রবলভাবে ‘মানুষকেন্দ্রিক’। আর পরিবেশগত এই রাজনৈতিক দর্শনটাই পরিস্কার হওয়া জরুরি। মানুষকেন্দ্রিক চিন্তাকে বাতিল করে আজ সামগ্রিক প্রাণজগতকে নিয়ে ভাবার ইশারা তৈরি হয়েছে করোনাকালে। আর এটিই করোনাকালের পাবলিক-পরিবেশ জিজ্ঞাসা। ‘নাগরিক’ বলতে শুধু মানুষ নয়, বা কেবল বাঙালি মুসলিম ধনী পুরুষ নয়। ‘নাগরিক’ বলতে যেমন আমরা বর্গ-শ্রেণি ও সংস্কৃতিকে পাঠ করি, এই পাঠপ্রক্রিয়ায় প্রাণজগতের অপরাপর সকল সদস্যদেরই যুক্ত করা জরুরি। কেঁচো, অণুজীব, ঘড়িয়াল, হনুমান, গাছপালা, মৌমাছি, শামুক, গয়াল কি মানুষ সকলেই রাষ্ট্রের ‘নাগরিক’। জল, জংগল, জমিন পাহাড় সকলেই। রাষ্ট্র তো নদীর প্রাণসত্তাকে আইনগতভাবে স্বীকার করবার সাহস করেছে। করোনাকালে এই সাহসের ময়দান আরো বিস্তৃত হওয়া দরকার, প্রাণজগতের দেখা-অদেখা সকল সদস্যই রাষ্ট্রের সমান মনোযোগের অংশ হয়ে ওঠুক।

ইন্টারটেটের ফ্রি সোর্স থেকে সংগৃহীত

আবার সেই এক আদি পরিবেশ-দর্শন

পরিবেশ ডিসকোর্সে অনেক চিন্তাদর্শন আলোচিত হয়। মানবতাবাদ, মানুষকেন্দ্রিক মতবাদ, তত্ত্বাবধায়ন মতবাদ, প্রাণকেন্দ্রিক মতবাদ, প্রাণীর অধিকার, প্রতিবেশকেন্দ্রিক মতবাদ কী প্রতিবেশ-নারীবাদ। করোনাকালে এক আদি মান্দি সাংসারেক পরিবেশ-দর্শনের বারবার আলাপে টেনেছি। এই দর্শনমতে, দেবতা বাগবা-বরম্বির চিপাংফাকসা (তলপেট) থেকে দুনিয়ার সকল প্রাণ-প্রজাতির জন্ম হয়। এ কারণে সকল প্রাণ-প্রজাতি একই সংসারের বাসিন্দা। এর নামই জগতসংসার। এই সংসারে একটা বনরুই বা অজগর বিপদে পড়লে এর প্রভাব মানুষ কী পাখিদের সংসারেও পড়ে। একটা উঁইঢিবির শরীর দেখেই বোঝা যায় গ্রামের মানুষ কোনো অসুখে পড়বে কীনা? সাংসারেক মতে, দুনিয়ায় সকলেই ভূমি থেকে আসে আবার ভূমিতে ফিরে যায়। এই নিরন্তর যাত্রায় মানুষ নানা প্রাণপ্রজাতিতে জীবন পায়, কখনোবা মানুষ হয়ে। আর তাই মানুষ মাটি, পানি, বৃক্ষ কী কোনো প্রাণপ্রজাতির ওপর একতরফা খবরদারি করতে পারে না। কোনো কিছু গ্রহণ করার আগে প্রকৃতির কাছে নতজানু হতে হয়, অনুমতি নিতে হয়। এই দুনিয়ায় কেউ কাউকে এককভাবে সুরক্ষা দিতে পারে না, সবাই মিলেই সবার নিরাপত্তা সামাল দেয়। একতরফাভাবে পৃথিবী কেবল মানুষের নয়, মানুষও এই পৃথিবীর। এই আদি সাংসারেক দর্শনের মতো করে কী আবার ভাবা যায়? দুনিয়াটা সবার। পৃথিবীটা মানুষের নয়, মানুষই এই পৃথিবীর। চিন্তার এই একটা বদলই দেখা যায় আবার বদলে যেতে পারে আমাদের চারধার। বৃক্ষলতাগুল্ম, মাছ, পাখি, পতঙ্গ, মানুষ, শুশুক, শিয়াল কী সরীসৃপ সবাইকে নিয়েই এক বৃহৎ জগতসংসার। পরিবেশ-প্রশ্নে এরকম আদি লোকায়ত চিন্তাগুলিই বদলে দিতে পারে আমাদের লাগাতার ভোগবিলাস আর বহুজাতিক বাহাদুরি।

পাবলিক পরিবেশ-জিজ্ঞাসার বিস্তার

উজান থেকে ভাটিতে বয়ে চলে একটি নদীর সংসার। এখানে মাছ থাকে, কাঁকড়া, ডলফিন, কচ্ছপ, সাপ, গুল্ম কি পাখি থাকে। এই জলধারা মানুষের পেশা ও জীবন সাজিয় দেয়। বৃহৎ বাঁধ, জলবিদ্যুৎ কি কারখানার বর্জ্য দিয়ে কী নদীর এই জটিল সংসার এক নিমিষে তছনছ করে ফেলা যায়? কিউসেকের মাপে এই জীবন কি কেটে টুকরো টুকরো হয়? চাইলেই কি একটি পাহাড় চিনামাটির কারখানায় তোলা যায়? মাটির তলার জল নি:স্ব করে কার বাণিজ্যকে চাঙ্গা রাখতে চায় সবুজ-বিপ্লব? একের পর এক অরণ্যকে নিদান করে কীসের উন্নয়ন কার বিলাসিতা? একের পর এক কার্বনের ছাপ জমছে মাতৃদুনিয়ায়। আমাজন থেকে অষ্ট্রেলিয়া দাবানল, একের পর এক প্রবল ঘূর্ণিঝড়, আফ্রিকায় পঙ্গপাল আর এর ভেতরেই বিশ্ব আজ করোনায় অস্থির। কে জানে সামনে কত জটিল জলবায়ু-বিপদ অপেক্ষা করছে? করোনাকালের লকডাউনে আমরা আমাদের প্রবল বাহাদুরিগুলো লকডাউন করতে পারছি কি? আসুন করোনাকালের পাবলিক পরিবেশ-জিজ্ঞাসাকে বিস্তৃত করি। পিঁড়ি-জলচৌকি-টেবিল-বিছানা-বালিশ থেকে বারান্দা কী ময়দান ডিঙিয়ে জুম-জমিন হয়ে সংসদ কী রাষ্ট্রসংঘ অবধি।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.