Posted in

জানবে বিশ্ব জানবে দেশ, দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত বাংলাদেশ

?

রাজশাহী থেকে অনিতা বর্মণ ও শহিদুল ইসলাম শহিদ

১০ মার্চ জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০১৮ উপলক্ষে রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুলে ‘দুর্যোগ প্রস্তুতি বিষয়ক আলোচনা সভা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রিশিকুল স্বপ্নের ভেলা সংগঠন ও বারসিক‘র যৌথ আয়োজনে ‘জানবে
বিশ্ব জানবে দেশ, দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

IMG_20180310_164615

সভায় বরেন্দ্র অঞ্চলের দুর্যোগ হিসেবে খরা, কালশৈাখী, অগ্নিকান্ড, শৈত প্রবাহ, ভূমিকম্প, বন্যাসহ বজ্রপাতে করণীয় এবং পুর্ব প্রস্তুতি বিষয় আলোচনা হয়। মহসীন আলীর সভাপতিত্বে শহিদুল ইসলাম শহিদের সঞ্চালনায় সাবেক ইউপি সদস্য সুফিয়া বেগম, স্বপ্নের ভেলা সংগঠনের সভাপতি সোহেন আরমান, সহ সভাপতি আতিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আরজেদ আলী, গ্রামের নারী, পুরুষ, শিক্ষার্থীসহ সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

IMG_20180310_160437 (2)

সভায় বক্তাগই বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বরেন্দ্র অঞ্চলে দিন দিন তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ খরা ও তীব্র শীত অনুভব করছি। এছাড়াও আগের তুলনায় বজ্রপাতও বেড়েছে। তাই এসব দুর্যোগ প্রতিহত করার জন্য আমাদের বেশি বেশি গাছ লাগানো প্রয়োজন। একই সাথে বজ্রপাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য রাস্তা ও ফাঁকা জায়গায় তালগাছ রোপণ করা প্রয়োজন।”

সভা শেষে সংগঠনের সদস্যরা উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় ‘দুর্যোগে করণীয়’ বিষয়ক হ্যান্ডবিলি সকলের হাতে তুলে দেন।

অন্যদিকে একই দিনে রাজশাহীর তানোর উপজেলা চত্বরে তানোর উপজেলা প্রসাশন ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা এর আয়োজনে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০১৮ উপলক্ষে চিত্রাংকন, র‌্যালি ও আলোচনা সভা, অনুষ্ঠিত হয়েছে।

?
?

আলোচনা সভায় নির্বাহী অফিসার মুহা: শওকাত আলী বলেন, “২০১৬ সাল থেকে ১০ মার্চ দিনটি পালিত হচ্ছে। এখন অনেক ঝুঁকি থাকলে প্রতিরোধ করতে না পারলে মানিয়ে নিতে পেরেছি। আমাদের জলাধার ভরাট না করে সংস্কার করতে হবে। ভাঙ্গন রোধে গাছ রোপণ করতে হবে।” প্রাণি সম্পদ এর কর্মকর্তা বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দুর্যোগ বাড়ছে। এবারে গতবারের চেয়েও তাপমাত্রা বাড়তে পারে।” দুর্যোগ ব্যবস্থপনা শাখার মো. এনামুল হক বলেন, “আমরা যে পৃথিবী পেয়েছি সেই পৃথিবীকে সুন্দর করে রাখতেই আমাদেরকে দুর্যোগ মোকাবেলাই সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে হবে। তবেই আমরা দুর্যোগ মোকাবেলা করতে পারব।”

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.