সাম্প্রতিক পোস্ট

বস্তায় জলবাদ্ধ ও বালি জমিতে ফসল চাষ সীমান্ত এলাকার কৃষকদের অভিযোজন কৌশল

নেত্রকোনা থেকে শংকর ম্রং
সমগ্র বাংলাদেশটি মূলত ৩০টি কৃষি প্রাণবৈচিত্র্য অঞ্চলে বিভক্ত। ৩০টি কৃষি প্রাণবৈচিত্র্য অঞ্চলের মধ্যে নেত্রকোনা জেলাটি সমতল প্লাবন ও জলাভূমি অঞ্চলের অর্ন্তভূক্ত। নেত্রকোনা জেলাটি মূলত হাওর, নদী, পাহাড় ও ছড়ায় ঘেরা। জেলার অধিকাংশ এলাকা হাওর হওয়ায় বছরের প্রায় অর্ধেক সময় পানিতে নিমজ্জিত থাকে। জেলার ৫টি উপজেলায় হাওর রয়েছে এবং দু’টি উপজেলার কিছু অংশ গারো পাহাড়ের আওতাভূক্ত। আগাম বন্যা, বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে এ অঞ্চলের কৃষি ফসল বিশেষভাবে বোরো মৌসুমের ধান প্রায়শই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দূর্গাপুর ও কলমাকান্দা উপজেলার সীমান্তঘেঁষা গ্রামগুলোতে প্রতিবছর পাহাড়ি ঢল, জলাবদ্ধতা, লাল পানি/খার পানি, খরা ও বালুতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রতিবছর পাহাড়ি ঢলে পানির ¯্রােতে ভেসে আসা বালু ঢেকে সীমান্ত এলাকার একরের পর একর জমি বালু পরে চাষের অযোগ্য হয়ে মূরুভূমিতে পরিণত হচ্ছে। পাহাড়ি ঢলের ফলে হাওরে বালি পরে তলদেশ ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এতে হাওরের পানি ধারণ ক্ষমতা দিন দিন সংকুচিত হয়ে আসছে। যার ফলে সামান্য ভারি বৃষ্টিতেই হাওর উপচে আগাম বন্যার সৃষ্টি হয় এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে। পাহাড়ি সীমান্ত এলাকার কৃষকদের চাষকৃত গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালীন ফসল প্রতিবছর পাহাড়ী ঢলে পানির ¯্রােতে ভেসে যায় এবং দীর্ঘদিন ঢলের পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।

নেত্রকোনা অঞ্চলের কৃষকরা তাদের নিজস্ব জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন পদ্ধতিতে আগাম বন্যা, পাহাড়ি ঢল, বর্ষায় জলাবদ্ধতা মোকাবেলা করে সবজিসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করছে। সীমান্ত এলাকায় পাহাড়ী লাল পানি বা খারযুক্ত পানি (ভারতের পাহাড় ছুয়ে সীমান্ত এলাকার কৃষি জমিতে জেগে ওঠা), বালু পরা জমি এবং খরা ও জলাবদ্ধতায় কৃষকদের চাষকৃত সবজি সামান্য বড় হলেই মরে যায়। তাই সীমান্ত এলাকার আদিবাসী ও বাঙালি কৃষকরা বস্তা পদ্ধতিতে মরিচ, কুমড়া, করলা, পেঁপে, চুকাইসহ বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ করে এসব দুর্যোগ মোকাবেলা করতে যেমন সক্ষম হচ্ছেন, তেমনি পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করে বেশ লাভবান হচ্ছেন। চলতি বর্ষা মৌসুমে আদিবাসী কৃষক নাহাজন হাজংসহ সীমান্ত এলাকার অনেক কৃষক-কৃষাণী জলাবদ্ধতা, পাহাড়ী ঢল, খরা ও লালপানি মোকাবেলায় বস্তা পদ্ধতিতে মরিচসহ বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ করেছেন।

বস্তা পদ্ধতিতে সবজি চাষের কারণ সম্পর্কে আদিবাসী কৃষক নাহাজন হাজং বলেন, ‘আমাদের এলাকাটি লাল গরো পাহাড়ের পাদদেশে ও পাহাড়ি ছড়ার পাড়ে হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে ভারতের পাহাড়ে ভারি বৃষ্টি হলেই আমাদের সীমান্ত এলাকায় ঢল নেমে আসে। ঢলে আমাদের চাষকৃত সবজিসহ বাড়ি-ঘর, রাস্তাঘাট ও গাছ ভাসিয়ে নিয়ে যায়। ঢলের পানির সাথে ভেসে আসা পাহাড়ি বালিতে ৩-৪ ফুট পর্যন্ত কৃষি জমি ঢেকে যায়। ফলে জমি চাষের অযোগ্য হয়ে পরে।’ তিনি আরও বলেন, ‘শুষ্ক মৌসুমে বা বর্ষা মৌসুমে একটু রোদ হলেই বালি উত্ত্প্ত হয়ে গাছ মরে যায়। আবার শুষ্ক ও শীত মৌসুমে পাহাড়ি ছড়াগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় খরা সৃষ্টি হয়, রান্নাবান্না, গোসল ও খাবারের পানির সংকট হয়। ফলে চাষকৃত ফসলে সেচ দিতে না পারায় পানির অভাবে মরে যায়। তাই আমি পুরো জমি চাষ না করে নির্দ্দিষ্ট দূরত্বে বস্তায় জৈবসার মিশ্রিত মাটি ভরে সামান্য গর্ত করে মাটি ভর্তি বস্তা বসিয়ে সেই বস্তায় মরিচসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করছি। এতে বৃষ্টি হলে বস্তায় পানি জমেনা, জমিতে পানি জমে গেলেও বস্তা না ডোবায় গাছের কোন ক্ষতি হয়না। খরা মৌসুমে সূর্যের তাপে বালিমাটি গরম হলেও বস্তায় চাষকৃত সবজি গাছে তেমন তাপ না পরায় কোন ক্ষতি হয়না এবং অল্প পানিতেই সেচ কাজ হয়ে যায়।’ তিনি বলেন, ‘আবার পাহাড়ি ঢল আসার আভাস পাওয়া গেলেই বস্তাগুলো উঁচুতে মাঁচায় উঠিয়ে পানিতে ভেসে যাওয়া বা ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা করা যায়। বস্তায় গাছের যতœ নেওয়াও খুব সহজ এবং উই পোকা বা উচুঙ্গা পোকা থেকেও গাছ রক্ষা পায়। বস্তায় আগাছা কম হয় বিধায় আগাছা নিড়ানোও সহজ। বস্তায় বারোমাসি মরিচ বা অনেকদিন টেকসই হয় এমন সবজি যেমন-পুইশাক কয়েক বছর পর্যন্ত টিকে থাকে। শুধু মাঝে মাঝে বস্তার কিনারে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত গর্ত করে জৈব সার দিলেই হয়।’

বস্তা পদ্ধতিতে বারোমাসি মরিচ ও কুমড়া বেশ কয়েক বছর যাবৎ চাষ করছেন কৃষক মথি ঘাগ্রা। তিনি চলতি বর্ষা মৌসুমে ১০টি বস্তায় বারোমাসি মরিচ, শসা ও কুমড়া চাষ করে আসছেন। মথি ঘাগ্রা বস্তা পদ্ধতিতে সবজি চাষের উপকারিতার কথা বলেন। তার মতে, বস্তায় জৈবসার মিশ্রিত মাটি ভরে চাষ করলে খরা, বন্যা, জলাবদ্ধতা বা পাহাড়ী ঢল এলে সুবিধামত স্থানে স্থানান্তর করা যায়, উচুঙ্গা বা উই পোকার আক্রমণ থেকে গাছ সুরক্ষা পায়, সহজেই পানি নিষ্কাশিত হয়, তাই অতি অতিবৃষ্টিতেও ফসলের ক্ষতি হয়না, খরা মৌসুমে কম সেচের প্রয়োজন হয়, টানটান উঠানে বা বালি জমিতেও ফসল চাষ করা যায় এবং পাহাড়ি ঢলে জলাবদ্ধ হলে ও উঁচু স্থানে বস্তা সরিয়ে ফসল রক্ষা করা যায়।

নাহাজন হাজং ও মথি ঘাগ্রা ছাড়াও সীমান্ত এলাকার তারানগর গ্রামের কৃষাণী লিনা নংমিনজা (মরিচ, চুকাই), অর্পনা রংদী (শিম, চালকুমড়া, মিষ্টিকুমড়া, পুইশাক), শিবপুর গ্রামের তারা নকরেক (মরিচ ও বেগুন), গৌরীপুর গ্রামের সাজেদা খাতুন (বারোমাসি মরিচ), ভেলুয়াতলী গ্রামের কৃষক আব্দুল মোতালিব, চন্দ্রডিঙ্গা গ্রামের সুনীল ¤্রং, সবিতা মানখিন ও কিরূপ কুবিসহ অনেকেই সীমান্ত এলাকায় দূর্যোগের সাথে খাপ খাইয়ে বস্তা পদ্ধতিতে সবজিসহ বিভিন্ন ধরণের ফসল চাষ করছেন।

ভারতের সীমান্তঘেঁষা গ্রাম চন্দ্র ডিঙ্গার (হিন্দু পৌরানিক কাহিনীর চাঁদ সওদাগর এর নৌকা/ডিঙ্গি যেখানে আটকে গিয়েছিল) কৃষক কিরূপ কুবি বলেন, ‘গত বছর আমাদের গ্রামের কৃষাণী সবিতা নকরেক এর বস্তায় মরিচ চাষে সফলতা দেখে আমি এবছর ৪০টি বস্তায় জৈবসারযুক্ত মাটি ভরে মরিচসহ বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ করেছি। আমাদের অঞ্চলে (পাহাড়ী পাদদেশে) মাটির নিচ থেকে লালমাটি বা খারযুক্ত পানি উঠে আসায় জমিতে চাষকৃত সব ফসল পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়, তাই আমরা কেউ সবজি চাষ করিনা। সারাবছর বাজার থেক সবজি কিনে খাই। শুধু আমন মৌসুমে সামান্য পরিমাণে ধান চাষ করি। নিয়মিত বৃষ্টি হলে মোটামুটি ভালো ধান পাওয়া যায়। তবে বৃষ্টি কম হলে ধান গাছও পুড়ে যায়। এছাড়াও কৃষি জমিগুলোতে বালি পড়ায় কোন কিছু চাষ করা যায়না। তাই আমরা বস্তা পদ্ধতিতে সবজি চাষ করছি।’

বস্তা পদ্ধতি হল জলাবদ্ধ এলাকা/সীমান্ত এলাকার লাল পানি/খারযুক্ত পানি ও বালি এলাকার কৃষকদের একটি অভিযোজন কৌশল। এ পদ্ধতির জন্য প্রয়োজন হয় বস্তা। সিমেন্টের বস্তা হলে ভালো। সিমেন্টের বস্তা মোটা ও পুরু হওয়ায় সহজে পানিতে বা রোদ্রে নষ্ট হয়না। অন্য বস্তা (সার বা মুরগী/মাছের খাদের বস্তা) প্রখর রোদের তাপে ফেটে যায়।

প্রক্রিয়া
প্রথমে বস্তার ভেতরটা ধুয়ে/ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে, যাতে সিমেন্টের সামান্যটুকু অবশিষ্ট না থাকে। বস্তার ভেতর সিমেন্ট অবশিষ্ট থাকলে বিষক্রিয়ায় চারা মারা যেতে পারে। বস্তা উল্টিয়েও নেয়া যেতে পারে। বস্তাটির চার ভাগে ভাগ করে উপড়ের একভাগ অংশ ভাজ করতে হবে। এতে উপড়ের অংশ দুইস্তর (ডাবল) হওয়ায় সহজে ছিড়ে যাবেনা। বস্তার বাকী অংশে এক ইঞ্চি সুচালো বাঁশ/লোহা দ্বারা বস্তার এপিট ওপিট ২/৩টি গর্ত করে দিতে হবে, যাতে আলো-বাতাস সহজেই বস্তার ভেতর প্রবেশ করতে পারে এবং বস্তার পানি সহজেই নিষ্কাশিত হতে পারে। অতঃপর কম্পোস্ট বা জৈবসার মিশ্রিত ঝুরঝুরে মাটি বস্তায় ভরতে হবে। কিছু পরিমাণ (৫-৬ ইঞ্চি) মাটি ভরার পর বস্তার নিচের দুই কোনা হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি বা শক্ত কোন কিছু দিয়ে ভিতরের দিকে ঢুকিয়ে দিতে হবে। এতে পুরো বস্তাতে ঝাঁকিয়ে ঝাঁকিয়ে মাটি ভরার পর বস্তাটি গোল আকার ধারণ করবে, ফলে মাটি ভর্তি বস্তাটি সঠিকভাবে মাটিতে বসে থাকবে, কোন দিকে কাত হবেনা। বস্তা কাত হলে রোপণকৃত চারাও বেঁকে দুর্বল হয়ে পড়বে। বস্তাটি সোজা দাঁড় করে রাখতে মাটিতে বস্তার আকার অনুযায়ী ৪-৫ ইঞ্চি গর্ত করে গর্তে বস্তাটি পুঁতে দিতে হবে। তবে অবশ্যই বস্তার অর্ধেক বা তার বেশি অংশ পোঁতা যাবে না। মাটির গভীরে বস্তা বেশি পোঁতা হলে বৃষ্টির পানি সহজে নিষ্কাশিত হতে পারবে না এবং খরায় বালিমাটি গরম হয়ে বস্তার মাটিকেও গরম করে তুলবে ফলে গাছ মারা যেতে পারে। এছাড়াও পাহাড়ী ঢল বা ছোটখাটো বন্যায় বস্তা স্থানান্তর করতে অনেক সময় লাগবে। আবার বস্তার বেশি অংশ মাটিতে পুঁতে দিলে খরা/শুষ্ক মৌসুমে সেচ দেওয়ার সময় বস্তার পুরো মাটি ভিজেছে কিনা তা বোঝা যাবে না।

ব্যবস্থাপনা
বস্তায় রোপণকৃত গাছের চারা বড় হলে গাছরে গোড়া থেকে ২-৩ ইঞ্চি দূরত্বে শক্ত কাঠি দিয়ে চারাটি কাঠির সাথে বেঁধে দিতে হবে (মরিচ/পেঁপে চারার ক্ষেত্রে), লতা জাতীয় গাছ হলে বস্তা সমেত যে জমিতে মাঁচা তৈরি হবে সে জমিতে নিয়ে বস্তা ঘেঁষে বাঁশের কঞ্চি পুঁতে বা সুতা মাটি থেকে মাঁচা পর্যন্ত বেঁধে দিতে হবে, যাতে গাছ লতিয়ে মাঁচায় সহজেই উঠতে পারে। জমিতে জলাবদ্ধ হলে শক্ত তিনটি বাঁশ/গাছের ডাল (৪ ফুট) ত্রিভূজাকৃতি করে একফুট পরিমাণ মাটিতে পুঁতে পানির উপর পর্যন্ত ডাল বা বাঁশ বেঁধে মাঁচার মত করে তাতে বস্তাটি তুলে দিতে হবে। রোপণের পর সবজি গাছে ফুল আসার সময় গাছের জন্য বাড়তি খাদ্য দিতে হবে। এক্ষেত্রে ৪-৫ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের তিন ফুট লম্বা একটি সূচাঁলো বাঁশ দিয়ে গাছ থেকে ৩-৪ ইঞ্চি দূরত্বে উপর নিচ ২-৩টি গর্ত করে কেঁচো কম্পোস্ট বা কম্পোস্ট সার দিয়ে গর্তটি ভরে উপরটা মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। বেশি পরিমাণে কম্পোস্ট সার ধারণের জন্য বাঁশ দিয়ে গর্তের চারিদিক ঘুরালে গর্তটি বড় হবে। অতিবৃষ্টি বা খরা থেকে বস্তায় রোপণকৃত গাছ রক্ষায় বস্তার উপরের অংশ (গাছের চারিদিক) শুকনা বা পঁচা ঘাস/খড়/লতাপাতা দিয়ে ঢেকে দিতে (মালচিং) হবে। এক্ষেত্রে জীবন্ত মলচিং হলে ভালো হয়। জীবন্ত মালচিং এর জন্য ধঞ্চে বা মাসকলাইয়ের বীজ বস্তার উপর ছিটিয়ে দিতে হবে। ধঞ্চে বা মাসকলাই এর চারা বড় হলে গোড়া পর্যন্ত কেটে বস্তার উপড়ের অংশ ঢেকে দিতে হবে। এ পদ্ধটিতে মালচিং এ ব্যবহৃত গাছের শিকড় ও উপড়ের কাটা অংশ পঁচে গাছের জন্য জৈবসার তৈরি হবে। মালচিং দেয়ার ফলে বস্তার উপড়ের অংশ যেমন প্রখর রোদে শুকিয়ে যাবেনা, তেমনি অতিবৃষ্টিতেও গাছের গোড়ার কোন ক্ষতি হবে না।

নেত্রকোনা অঞ্চলের সীমান্ত এলাকার কৃষকরা বিগত কয়েক বছর যাবৎ বর্ষা ও খরা মৌসুমে জলাবদ্ধ ও বালি জমিতে বস্তায় এবং বস্তা পদ্ধতিতে মাঁচায় সবজি চাষ করে ঢলের সাথে পাহাড়ি বালিতে ঢেকে যাওয়া বালিতে ও জলাবদ্ধ জমিতে সবজি চাষ করে দুর্যোগের সাথে অভিযোজন করে যাচ্ছে। এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করায় বর্ষা মৌসুমে তারা পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

happy wheels 2

Comments

%d bloggers like this: