সাম্প্রতিক পোস্ট

সচল করো বড়াল পারের অর্থনীতি,সামাজিক রীতি নীতি ও পরিবেশের ভারসাম্য

চাটমোহর, পাবনা থেকে বকুল রহমান

[su_slider source=”media: 60,61,62,63,59″]

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার অববাহিকা ঘিরে গড়ে উঠেছে হাজার বছরের বাঙালি সভ্যতা। নদী এবং নদী অববাহিকা এদেশের মানুষের জীবন ও সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। পদ্মা এবং যমুনা বাংলাদেশের প্রানস্বরূপ। আর বড়াল হলো পদ্মা ও যমুনার প্রধান সংযোগ মাধ্যম এবং পদ্মার প্রধান শাখা নদী। স্থানিয় ভাবে এ নদীকে ‘বড়ল’ বলা হতো। বড় থেকে বড়ল শব্দের উৎপত্তি। অত্র অঞ্চলে এই নদী বড় বিধায় এই নাম করন করা হয়েছে। বড়ালকে ‘বড়হর’ অর্থাৎ পদ্মার বড় হাওড়ও বলা হয়ে থাকে। পদ্মার শাখা নদী হলেও বড়াল উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ জলাভূমি চলনবিলের প্রধান পানি সরবরাহকারী। চলনবিল উত্তরের মৎস্য ও কৃষিভান্ডার হিসেবেও পরিচিত। কিন্তু ১৯৮৫ সালে কতিপয় রাজনৈতিক লোকের প্রভাবে ও তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের খামখেয়ালী পনায় আজ বড়াল বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে বিলিন হয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে সাথে বিলিন হচ্ছে বড়াল পাড়ের মানুষের অর্থনীতি, সামজিক রীতি-নীতি ও পরিবেশ

বড়ালকে আপার এবং লোয়ার এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। রাজশাহীর চারঘাটে পদ্মা থেকে বেড়িয়ে বড়াল নদী নাটোরের গুরুদাসপুরে আত্রাইয়ের সাথে মিলিত হয়েছে। এ অংশকে বড়াল আপার বলা হয়। যার দৈর্ঘ ৮৪ কিঃ মিঃ। আর বড়াইগ্রামের আটঘড়ি থেকে বেড়িয়ে বনপাড়া, চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, শাহজাদপুর হয়ে বড়ালের যে অংশটি হুরাসাগরের সাথে মিশেছে তাকে বলা হয় বড়াল লোয়ার। যার দৈর্ঘ ১২০ কিঃমিঃ, গড় প্রস্থ ১২০মিটার, গড় গভীরতা ৯.৫০মিটার ও অববাহিকা ৭৭২ বর্গ কিঃমিঃ। আপার বড়ালের তুলনায় লোয়ার বড়ালের প্রস্থ বর্তমানে অর্ধেক। আপার বড়ালের গড় প্রস্থ ১২০ মিটার, গভীরতা ৯.৫। লোয়ার বড়ালের গড় প্রস্থ ৬০ মিটার, গভীরতা ৫ মিটার ও অববাহিকা ৭৭০ বর্গ কিঃমিঃ।

উত্তরাঞ্চলের ৪টি জেলার বুক চিরে বড়াল নদী প্রবাহিত হয়েছে। জেলা গুলো হলো, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ। রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় পদ্মার শাখা নদী হিসেবে উৎপত্তি হয়ে সিরাজগঞ্জ এর শাহজাদপুর উপজেলায় যমুনায় পতিত হওয়ার আগে বড়াল বাঘা, পুঠিয়া, বাগাতিপাড়া, বড়াইগ্রাম, চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর এবং শাহজাদপুর গিয়ে করতোয়ার সাথে মিশে হুরাসাগর হয়ে যমুনায় মিশেছে। উৎস থেকে মোহনায় পতিত হওয়া পর্যন্ত বড়ালের যেমন কয়েকটি শাখা ও উপ-শাখার সৃষ্টি হয়েছে তেমনি অনেক নদীও বড়ালে মিশেছে। মুসা খাঁ ও নন্দকুজা বড়ালের দুটি শাখা নদী। মুসা খাঁ নদীর উৎপত্তি হয়েছে নাটোরের বাগাতিপাড়ার হাপানিয়ায়। পাইকপাড়া গিয়ে মুসা খাঁ থেকে নারদ নদীর উৎপত্তি হয়েছে। এই নদী নন্দকুঁজা নদী হয়ে আত্রাই গিয়ে মিশেছে। নাটোরের অন্যতম নদী নারদ এখন মৃত প্রায়। বড়ালের আরেকটি শাখা নদী নন্দকুঁজার উৎপত্তি হয়েছে নাটোরের আটঘড়ি থেকে। নদীটি নাটোর সদর থানা ও গুরুদাসপুরের চাঁচকৈর হয়ে আত্রাই নদীর সাথে মিশেছে। নন্দকুঁজা ও আত্রাই এর মিলন স্থল গুঁমানী নদীর নাম ধারন করে চাটমোহর নুননগরে এসে আবার বড়ালের সাথে মিলিত হয়ে নদীটি বাঘাবাড়ী পার হয়ে করতোয়ার সাথে হুরাসাগর নামে যমুনায় পতিত হয়েছে। পানি প্রবাহ ব্যাপক হ্রাস পাওয়ায় নন্দকুঁজার তলদেশ ভড়াট হওয়ার পথে। অন্যদিকে বড়ালে এসে মিশেছে গেমানী ও চিকনাই নদী। বড়াল অববাহিকার মোট আয়তন ২৩০ বর্গ কিঃ মিঃ। এই নদীর তীরে চারঘাট পৌরসভা, বনপাড়া পৌরসভা, বড়াইগ্রাম পৌরসভা, চাটমোহর পৌরসভা, ভাঙ্গুড়া পৌরসভা, ফরিদপুর পৌরসভা ও বাঘাবাড়ী নৌবন্দর অবস্থিত।

১৯৮০ দশক পর্যন্ত বড়াল ছিল স্থানীয় যোগাযোগ ও বানিজ্যের চালিকাশক্তি। বড়াল পাড় ছিল সাংস্কৃতি ও বিনোদনের প্রান কেন্দ্র। এই অঞ্চলের বেশীর ভাগ মানুষ ছিল নদীটির উপর নির্ভরশীল। তাদের দৈনন্দিন জীবিকার পুরোটাই আসত বড়াল থেকে। ১৯৮৫ সালে চারঘাটে স্লুইসগেট স্থাপনের মাধ্যমে শুরু হয় বড়ালের সংকোচন। এর পর বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের নামে শেষ করে দেওয়া হয় বড়ালের প্রবাহ। এর ফলে পরিবর্তিত হতে শুরু করে পরিবেশ ও বড়াল পাড়ের মানুষের জীবন-জীবিকা। বড়াল পাড়ের অর্থনীতি মূলত কৃষি ও মৎস সম্পদ নির্ভর। ধান, মসুর, খেসারী, সরিষা, মাস কলাই প্রভৃতি উৎপাদনের জন্য বড়াল অববাহিকার সুখ্যাতি ছিল। নৌপথ থাকাকালীন সময়ে এই সকল ফসল দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিবহন করা সম্ভব হতো। ফলে এই এলাকার ভূষালি ফসলের (ডাল, তেল জাতীয় ফসল) ব্যাবসা ছিল লাভজনক। ভূষালি ব্যাবসাকে কেন্দ্র করে নদী পাড়ে গড়ে উঠেছিল বাজার-হাট ও নৌবন্দর। মির্জাপুর, জোনাইল, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর বাজার, বাঘা নৌবন্দর, লক্ষিকোল বাজার, চাটমোহর বাজার, রামনগর, চারঘাট ইত্যাদি বড়াল পাড়ের উলে¬খযোগ্য ঘাট এবং বন্দর। শুধু ব্যাবসায়িক কাজেই নয় যোগাযোগের জন্যও ঘাট বা বন্দর গুলো ছিল মানুষের প্রানকেন্দ্র। নৌপথে যোগাযোগ সহজ ও সুলভ থাকায় এই অঞ্চল থেকে পন্য পরিবহন হতো ঢাকা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নারায়নগঞ্জসহ পাশের দেশ ভারত পর্যন্ত। নৌকা, লঞ্চ, স্টিমারসহ বড় বড় নৌযান চলত বড়ালের বুকে। নৌযান চালনাই ছিল অনেক মানুষের জীবিকার উৎস। হাজার হাজার মানুষ বড়াল নদীর মাছের উপর নির্ভরশীল ছিল । কিন্তু নদী শুকিয়ে যাওয়ায় এই নদীর উপর নির্ভরশীল হাজারো মানুষ হয়ে পরেছে বেকার। কেউ কষ্টে অন্য পেশায় যোগ দিলেও অধিকাংশ জেলে ও মাঝি পরিবার এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন। নদী পাড়ের জেলে কুমারগাড়া গ্রামের বৃদ্ধ সুবল হালদার (৮০) বলছিলেন,‘বাপু কি কবো? এই নদীত মাছ ধর‌্যাই এক সময় সংসার চালাইছি। এহন তো তোমরাই দেকতিছাও। নদীত পানিও নাই আর মাছ নাই। নদীত বাধ দিয়া পুকুর বানাইছে। নৈকাও চলেনা যে মাঝি হয়া দ্যাশ বিদ্যাশে যাবো। মানষের বাড়িতে কামলা দিয়া সংসার চালাই। নদী চালু হোক এডা আমরা চাই’।

নদীটিতে আগে নিয়মিত অনুষ্ঠিত হতো নৌকাবাইচ প্রতিযোগীতা। দেশের দূরদূরান্ত এলাকা থেকে মাঝিরা এই এলাকায় আসত নৌকা বাইচে অংশ গ্রহন করতে। দূর্গা পূজা উপলক্ষে চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, বড়াইগ্রাম, বনপাড়া ও বাগাতিপাড়ায় বড়াল পাড়ে ৪ দিন ব্যাপি মেলা বসত। এলাকার হাজার হাজার মানুষ নৌকায় সেই মেলায় আসত বৌ-ঝি নিয়ে। আনন্দ করত দিন ব্যাপি। এখন সেই কথা শুধুই স্মৃতি। কারন নদীকে ক্রসবাধ দিয়ে খন্ড খন্ড পুকুরে পরিনত করা হয়েছে। এছাড়া এই বড়াল নদীর পারে উপ-মহাদেশের সর্ব বৃহৎ মেলা যা চৈত্র সংক্রান্তির দিন চড়ক মেলা নামে অনুষ্ঠিত হতো। দেশের মানুষ সহ বিদেশের হাজার হাজার হিন্দু ধর্মাবলম্বিরা হাজির হতো এই বড়াল পারে। যা এখন লাখ থেকে হাজারে নেমেছে। বর্তমানে বড়ালের পানি না থাকায় এলাকার মানুষ নদীর বুকে চাষ করছে ধান, পাট, সবজি, বাদাম প্রভৃতি। আবার নদীতে পানি না থাকায় নদীর বুকেই বসানো হচ্ছে গভির নলকুপ। পলি জমে ভরাট হয়ে ও পানি শুকিয়ে যাওয়ায় কোথাও কোথাও নদীর পাড় দখলে নেমেছে এলাকার প্রভাবশালী ব্যাক্তিবর্গ।

বিভিন্ন সময় যত্রতত্র অপরিকল্পিত ভাবে অবকাঠামো যেমন, স্লুইসগেট, কালভার্ট, ক্রসবাধ নির্মানই বড়ালের এই ক্ষতির কারন বলে নদী পাড়ের জনগোষ্ঠী মনে করছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বেসিন ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় ৩টি স্লুইসগেট নির্মান করা হয়। প্রথমটি ১৯৮৫ সালে রাজশাহীর চারঘাটে, দ্বিতৃয়টি ১৯৯৫-৯৬ সালে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার আটঘড়ি নামক স্থানে এবং তৃতীয়টি ভাঙ্গুড়া ও চাটমোহর উপজেলার সিমান্ত এলাকা দহপাড়া গ্রামে। তৎকালীন প্রশাসন ও রাজনৈতিক মহলের প্রতাক্ষ্য ইচ্ছায় এই কাজটি সম্পাদন হয়। কিন্তু ২০০ কিঃমিঃ বড়াল নদী পাড়ের মানুষের কথা তখন মোটেও চিন্তা করা হয়নি। একই ভাবে বিভিন্ন সমস্যার তাৎক্ষনিক সমাধান হিসেবে নদীর প্রায় ২০০ কিঃ মিঃ এলাকার চারঘাট থেকে ১১ কিঃমিঃ নদীতে ৫টি ব্রিজ ও ১টি স্লুইসগেট রয়েছে।  পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলায় ৩টি ক্রসবাধ দেয়া হয়েছে। আর এতেই বড়ালের পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে একে একে বিপর্যয় হতে থাকে অর্থনীতি, সামাজিক ও পরিবেশের। নদীতে পানির প্রবাহ না থাকায় নোংড়া হতে শুরু করেছে নদী। নদীর অনেক স্থানে মুরগির খামাড়ের বর্জ্য ফেলার কারনে পানি দুষিত হয়ে গেছে। এছাড়া বদ্ধ পানি আর কচুরি পানার কারনে মশার পরিমান বাড়ছে।

পানি শুকিয়ে যাওয়া এবং যত্রতত্র অপরিকল্পিতভাবে অবকাঠামো নির্মাণ প্রসঙ্গে বড়াল রক্ষা আন্দোলনের সদস্য সচিব এস এম মিজানুর রহমান জানান, ‘শুধুমাত্র চারঘাটে একটি স্লুইসগেট নির্মানের কারনেই বড়ালের পরিবর্তন হয়েছে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ। এছাড়া যত্রতত্র ক্রসবাধ, ছোট কালভার্ট, কালভার্ট নির্মানে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট হয়ে গেছে। প্রায় ৩০টি ক্যানেল শুকিয়ে গেছে যার সাথে সম্পৃক্ত ছিল আরো ১০০টির বেশি ছোট-বড় বিল। এর বাইরে চাটমোহর উপজেলার নুননগর ও চারঘাট, আটঘড়িতে স্লুইসগেট নির্মান করে নদীটির ক্ষতি করা হয়েছে শতভাগ। শুধু নদীর ক্ষতিই নয়, ক্ষতি হয়েছে বড়াল এলাকার অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশের। যার ফল ভোগ করছে এই এলাকাগুলোর লক্ষ লক্ষ মানুষ ও কৃষক’

বড়াল নদী পাড়ের লাখো মানুষের অর্থনীতি,সামাজিক রীতি নীতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বড়াল নদীকে আবার চালু করা দরকার। বড়াল পাড়ের মানুষের দাবী, যদি আজ বড়ালকে সচল করা না হয় তাহলে হয়ত বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে বড়ালের নাম চিরতরে মুছে যাবে। বড়াল নদী পুনরায় সচল করতে এলাকাবাসী সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন। এলাকাবাসী এবং বড়াল রক্ষা আন্দোলন প্রায় ২২০ কিঃমিঃ দীর্ঘ মানববন্ধন এবং বড়াল পাড়ের সংসদ সদস্যদের নিয়ে মতবিনিয়ম সভা করেছেন। বড়াল পাড়ের মানুষের দীর্ঘ মেয়াদী আন্দোলনের ফলে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন বিভাগ বড়াল সর্ম্পকীত বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। যেমন বড়াল নদীতে মাছ চাষের লিজ বাতিল করেছে। প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় থেকে বড়াল নদীর সকল স্লুইসগেট, ক্রসবাধ, কালভার্ট অপসারনের জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়কে নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

বড়াল নদী সচল করার প্রসঙ্গে চাটমোহর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান ‘বড়াল নদী সচল করার জন্য প্রয়োজনিয় প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের দপ্তরে প্রেরন করা হয়েছে। অনুমোদন পেলেই আমরা ক্রসবাধ-কালভার্ট ভেঙ্গে নদী চালু করার ব্যাবস্থা গ্রহন করব’ । অন্যদিকে পাবনার জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দিন বলেন, হাইকোর্ট এর নির্দেশ পাওয়া মাত্রই আমরা নদী পাড়ের সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেছি। বৈঠকে নদী চালু করার জন্য প্রয়োজনিয় জরিপ করে করনীয় ঠিক করেছি। স্লুইসগেট, ক্রসবাধ ও কালভার্ট অপসারন করে নির্দিষ্ঠ স্থানে ব্রীজ নির্মানে প্রয়োজনিয় পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে। মন্ত্রনালয় থেকে নির্দেশ আসা মাত্র আমরা বড়াল নদী চালুর ব্যবস্থা গ্রহন করব।

প্রায় ৩০ বছর ধরে বড়াল পাড়ের মানুষ শুধু ব্যবস্থা গ্রহনের কথাই শুনে গেছেন। বড়াল পাড়ের সকল মানুষের প্রানের দাবী বড়াল অবমুক্ত করে পানি চলাচলসহ অর্থনীতি, সামাজিক ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা হোক। বড়াল পাড়ের জনগোষ্ঠীর দাবীর সাথে একমত পোষন করে স্থানীয় প্রবীণ সাংবাদিক এস এম হাবিবুর রহমান জানান, শুধু আমলাতান্ত্রীক জটিলতাই বড়াল নদী চালু না হওয়ার প্রধান কারন। তিনি বলেন, হাইকোর্ট এর নির্দেশের পর পাবনার জেলা প্রশাসক এক মাসের মধ্যে ক্রসবাধ অপসারণ ও ব্রীজ নির্মানের প্রয়োজনিয় সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু ১ বছর চলে গেলেও সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি।

happy wheels 2

Comments

%d bloggers like this: