সাম্প্রতিক পোস্ট

একজন দক্ষ কৃষক, প্রশিক্ষক ও সংগঠক সায়েদ আহাম্মদ খান

নেত্রকোনা থেকে শংকর ম্রং
একটা সময় ছিল যখন মানুষের শেখার পথ ছিল খুবই সীমিত। তখন মানুষ বই পড়ে, প্রশিক্ষণ নিয়ে, অন্যের কাজ দেখে ও শুনে হাতে-কলমে করে শিখত। কিন্তু বর্তমান আধুনিক ডিজিটাল যুগে শেখার অনেক রকমের পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে। এখন শেখার বিষয়গুলো অনেক সহজলভ্য হয়েছে, ঘরে বসেই ডিজিটাল উপায়ে (মোবাইল ও কম্পিউটারে) অনেক বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা যায়। এমনকি অনলাইনে অনেক বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও উচ্চতর শিক্ষা লাভ করা যায়। তবে এই সুযোগটা বর্তমান প্রজন্মের নিকট অনেক সহজ হলেও পঞ্চাশোর্ধ কম লেখাপড়া জানা বয়সের সাধারণ লোকদের নিকট এ সেবা এখনও অনেকটা নাগালের বাইরে। শহরে প্রায় সব বয়সের লোকদের জন্য এ সুযোগ থাকলেও গ্রাম পর্যায়ে এ সেবা এখনও বয়স্ক সাধারণের নাগালের বাইরে প্রায়। তাই তো গ্রামের মানুষ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে, বই পড়ে বা অন্যের কাজ দেখে ও শুনে হাতে-কলমে করে দক্ষতা অর্জন করে থাকে। কৃষি বিষয়ে অর্থাৎ চাষাবাদ সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করতে হলে অভিজ্ঞ বা বিশেষজ্ঞ লোকের কাজ দেখে-শুনে হাতে কলমে কাজ করতে হয়। বই পড়ে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় সফর ও হাতে-কলমে করে অভিজ্ঞতা অর্জন করে গ্রামে এবং নেত্রকোনা অঞ্চলের কৃষকদের নিকট বেশ পরিচিতি পাওয়া এমনই একজন কৃষক নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলার স্বরমুশিয়া ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর গ্রামের কৃষক সায়েদ আহাম্মদ খান বাচ্চু (৫৫)। যিনি কৃষি বিষয়ে সরকারি কৃষি বিভাগ ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান আয়োজিত প্রশিক্ষণে এবং দেশ-বিদেশে অভিজ্ঞতা বিনিময় সফরে অংশগ্রহণ করে আজ একজন দক্ষ কৃষক, প্রশিক্ষক ও সংগঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। নেতৃত্ব দিচ্ছেন নেত্রকোনা অঞ্চলে গ্রাম পর্যায়ে গড়ে ওঠা বিভিন্ন শ্রেণী, পেশা ও বর্ণের প্রায় শতাধিক জনসংগঠনগুলোর। গ্রামের বিচার-শালিসেও তিনি জনগোষ্ঠীর আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন।


দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা করা কৃষক সায়েদ আহাম্মদ খান বাচ্চুর জন্ম নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলার স্বরমুশিয়া ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত ধনী কৃষক পরিবারে। স্ত্রী, এক ছেলে ও তিন মেয়েসহ ছয় জনের সংসার তার। দুই মেয়ে ও এক ছেলের বিয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে পরিবারে পুত্র, পুত্রবধু ও এক মেয়েসহ পরিবারের মোট সদস্য সংখ্যা পাঁচজন। তিনি একজন যাত্রাভিনেতাও, যাত্রাপালায় অভিনয়ের নেশায় পড়ে লেখাপড়া বেশিদূর টেনে নিতে পারেননি। সন্তানদের মধ্যে তিনজন কোন রকমে হাইস্কুল পর্যন্ত পড়াশুনা করেছে এবং ছোট মেয়ে কলেজে পড়ছে। তার মোট জমির পরিমাণ ৫.২ একর। এর মধ্যে ধানি জমি ৩.৭ একর এবং ১.৫ একর বাড়ি ভিটা, যার মধ্যে ৫০ শতাংশে পুকুর এবং বাকী ১.০০ একরে বাড়ি ও বাঁশের ঝাড় রয়েছে। পিতার মৃত্যুর পর তিনি পরিবারের তাগিদে কৃষি কাজে মনোনিবেশ করেন। ৩.৭ একর ধানি জমির মধ্যে ১.৫ একর জমি নিজেই চাষ করেন এবং বাকী ২.২ একর জমি বর্গা দিয়েছেন। সায়েদ আহাম্মদ ২০০১ সালে বারসিক’র কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হন। বারসিক’র মাধ্যমে তিনি কৃষি ও পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া দেশে ও দেশের বাইরে (ভারত, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন) অভিজ্ঞতা বিনিময় সফরে অংশগ্রহণ করেছেন। ২০০৫ সালে তিনি বারসিক এর সহযোগিতায় ফিলিপাইন সফরে যান। ফিলিপাইনে কৃষকদের নিয়ে কর্মরত বেসরকারী সংগঠন ‘ম্যাসিপেগ’ এর কার্যক্রম-কৃষক নেতৃত্বে এলাকা উপযোগি ধানের জাত নির্বাচনে প্রায়োগিক গবেষণা, কৃষক নেতৃত্বে ধানের জান উন্নয়ন (ব্রিডিং) ও কৃষক সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং সংকরায়ণের মাধ্যমে ধানের জাত উন্নয়ন (ব্রিডিং) প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এছাড়াও তিনি আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান (ওজজও) এর ধানের জাত উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করে ব্রিডিং সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। দেশে ফিরে তিনি এলাকার আগ্রহী কৃষকদেরকে ধানের ব্রিডিং প্রশিক্ষণ দেন। পরবর্তীতে ফিলিপাইনের ব্রিডিং বিশেষজ্ঞ ডঃ বং কাইয়াবান বারসিক ও কারিতাস বাংলাদেশ এর আমন্ত্রণে বাংলাদেশে এসে সায়েদ আহাম্মদ খান যেসকল কৃষকদেরকে ব্রিডিং প্রশিক্ষণ প্রদান করেছিলেন তাদেরকে পুনরায় প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। ফলে সে সকল কৃষকরা এবং সায়েদ আহম্মদ নিজেও ব্রিডিং কার্যক্রম সম্পর্কে আরও দক্ষতা অর্জনে সক্ষম হন। ২০১৫ সালে আটপাড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে তিনি জামালপুর জেলায় একমাস ব্যাপী এক টিওটি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি আটপাড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধিনে একজন কৃষক প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ আরম্ভ করেন। উপজেলার বিভিন্ন ওর্য়াডে গড়ে ওঠা কৃষক মাঠ স্কুলের মাধ্যমে তিনি কৃষকদেরকে উন্নত পদ্ধতিতে (রাসায়নিক সার ও কীটনাশক কম ব্যবহার করে) ধান, সবজি ও অন্যান্য ফসল চাষ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। প্রায় পাঁচ বছর তিনি কৃষক মাঠ স্কুলের প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেন।


একজন সফল কৃষক: সায়েদ আহম্মদ খান বাচ্চু কৃষক প্রশিক্ষকের পাশাপাশি নিজেও একজন সফল কৃষক। তিনি ১.৫ একর জমিতে আমন ও বোরো দু’টি মৌসুমে ধানের চাষ করেন। বোরো মৌসুমে দু’টি ধানের জাত চাষ করেন (ব্রি-২৮ ও ব্রি-২৯) এবং আমন মৌসুমে চার জাতের (ব্রি-৩২, ব্রি-৩৪, কালিজিরা ও কাবুন্দুলান) ধান চাষ করেন। বসতভিটায় বছরব্যাপী বিভিন্ন ধরণের সবজি ও ফলের চাষ করেন। ১২ শতাংশ জমিতে তিনি সারাবছর বৈচিত্র্যময় সবজি ও অন্যান্য ফসলের চাষ করেন। তিনি যেসব সবজি ও শস্য চাষ করেন তার মধ্যে- দুই জাতের বেগুন (লাফাইয়া ও ডিম বেগুন), ভূট্টা, সালগম, পাটশাক, পুইশাক, ঢেড়স, লালশাক, ডাটা, করলা, লাউ, মিষ্টিকুমড়া, চালকুমড়া, টমাটো, মরিচ, পেঁপে, রসুন, ঝিঙ্গা উল্লেখযোগ্য। বসতভিটার চারপাশে বেগুণ, মরিচ, কালোকচু, শিম, বড়ই, আদা, হলুদ, পেঁপে, লেবু, লিচু, কাঁঠাল ও ডালিমসহ বিভিন্ন ধরণের সবজি ও ফল চাষ করেছেন। পুকুরেও তিনি ৮ জাতের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালোবাউশ, গনিয়া, কার্প, সরপুটি, তেলাপিয়া) মাছ চাষ করেছেন। তিনি সম্পূর্ণ জৈব উপায়ে (রাসায়নিক সার ও কীটনাশকমুক্ত) এসব ফসল ও মাছ চাষ করেন। জমিতে সার হিসেবে তিনি পঁচা গোবর, কেঁচো কম্পোস্ট, ছাই ব্যবহার করেন এবং ফসলের পোকা দমনে তিনি পরিবেশবান্ধব সেক্স ফেরোম্যান ফাঁদ ও ছাই ব্যবহার করেন। সায়েদ আহাম্দ বলেন, ‘কৃষি ফসল চাষ করে লাভবান হতে চাইলে আগাম চাষ করতে হবে, যাতে বাজারে সবার আগে নামানো যায়। তাই কৃষকদেরকে মৌসুমের সময়কাল হিসাব করে পূর্ব প্রস্তুতি নিতে হবে শস্য ফসল চাষের। ভাদ্র মাসে বেগুণ চারা রোপণ করলে কার্তিক মাসে আগাম ফলন হবে এবং বাজারে ভালো মূল্য পাওয়া যাবে। রোজার মাসে যেহেতু বেগুন, শসা ও কাঁচা মরিচের ভাল দাম পাওয়া যায় তাই রোজাকে কেন্দ্র করে এগুলোর চাষ করা উচিত।’ তার মতে, কৃষকরা এখন জমি চাষের জন্য পাওয়ারটিলার বা কলের লাঙ্গলের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ায় সঠিক সময়ে জমি চাষ করতে পারেনা। এর কারণ ট্রাক্টরের সহজলভ্যতা না থাকা। ট্রাক্টরের মালিকরা কম পরিমাণ জমি চাষ করতে চায়না। অন্যদিকে লাঙ্গল-জোয়াল না থাকায় গরু দিয়ে কৃষকরা জমি চাষ করতে পারছেনা। ফলে ট্রাক্টরের জন্য অপেক্ষা করে মৌসুম পিছিয়ে যায় এবং কৃষকরা সঠিক সময়ে বাজার ধরতে পারেনা।’


একজন দক্ষ সংগঠক: সায়েদ আহম্মদ খান একজন দক্ষ সংগঠক। রামেশ্বরপুর গ্রামের কৃষকদের সংগঠিত করে তিনি গড়ে তোলেন তুষাইপাড়ের কৃষক সংগঠন নামে একটি কৃষক সংগঠন। সংগঠনের মেট সদস্য সংখ্যা ২৬০ জন। সংগঠনের উদ্যোগে বারসিক’র সহযোগিতায় তিনি গ্রামে বিভিন্ন ধরণের গবেষণা ও সমীক্ষা পরিচালনা করেন। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের জনগোষ্ঠীকে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, শ্রেণী, পেশা ও বয়স নির্বিশেষে সংগঠিত হয়ে জনসংগঠন গড়ে তোলার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। তারই উৎসাহে আটপাড়া উপজেলায় গড়ে ওঠে বিভিন্ন পেশা ও বয়সের (নারী, কৃষক, জেলে, কুমার, কুটির শিল্পী, যুব ও কিশোরী) ১৮টি জনসংগঠন। তুষাইপাড়ের কৃষক সংগঠনের উদ্যোগে কৃষকদের বীজের সমস্যা দূরীকরণে তিনি বারসিক’র সহযোগিতায় নিজ বাড়িতে গড়ে তোলেন স্থানীয় জাতের শস্য ফসলের বীজঘর। যেখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সংগৃহীত বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন (সুগন্ধি, খরা, পানি, লবন ও রোগ-বালাই সহনশীল) প্রায় ৪ চার শতাধিক ধানের জাত সংরক্ষণ করেন এবং কৃষকদের সাথে বিনিময় করেন। বীজঘর থেকে কৃষকরা তাদের কাঙ্খিত বৈশিষ্ট্যের ধানের বীজ সংগ্রহ করে চাষ করেন। সংগঠনের মাধ্যমে কৃষকদের অধিকার সুরক্ষায়, সমাজিক সমস্যা সমাধান ও পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ ও প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তিনি সকল জনসংগঠনকে উপজেলা ও জেলার বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের সেবাসমূহ পেতে সহযোগিতা করেন। নেত্রকোনা জেলা ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন উপজেলায় (আটপাড়া, নেত্রকোনা সদর, কলমাকান্দা, কেন্দুয়া, মদন, তারাকান্দা, ফুলপুর, ময়মনসিংহ সদর) গড়ে ওঠা প্রায় শতাধিক জনসংগঠনকে নিয়ে বারসিক’র সহযোগিতায় তিনি গঠন করেন নেত্রকোনা জেলা জনসংগঠন সমন্বয় কমিটি। জেলা জনসংগঠন সমন্বয় কমিটির আহবায়ক নির্বাচিত হন সায়েদ আহম্মদ খান। বিগত প্রায় পাঁচ বছর যাবত তিনি সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন।


দেশের জনপ্রিয় গণমাধ্যম চ্যানেল আই এর কৃষি ও পরিবেশ বিষয়ক বেশ কয়েকটি টকশোতে তিনি অংশগ্রহণ করেছেন। এছাড়াও দেশ বরেণ্য গণমাধ্যম কর্মী ও অনুসন্ধ্যানী গবেষক জনাব শায়েখ সিরাজ সায়েদ আহম্মদ খান এর বীজঘর ও কার্যক্রম পরিদর্শন করে চ্যানেল আই এ প্রচার করেছেন।


দক্ষ গবেষক: কৃষক সায়েদ আহম্মদ খান একজন গবেষকও। তুষাইপাড়ের কৃষক সংগঠনের উদ্যোগে তিনি এলাকা উপযোগি ধানের জাত নির্বাচনে ২০০৫ সালের আমন মৌসুমে রামেশ্বরপুর গ্রামে ১০ শতাংশ জমিতে স্থাপন করেন প্রায়োগিক কৃষি গবেষণা। প্রায়োগিক গবেষণা কার্যক্রম শুরু থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত নেত্রকোনা অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গবেষণা থেকে এলাকার জন্য নির্বাচিত ধান ও বীজঘর থেকে ৬৩টি ধানের জাত ১৩টি জেলার ২১টি উপজেলার ৩৮টি ইউনিয়নের ৬৫টি গ্রামের ৪৮৩ জন কৃষকের নিকট বিস্তার ঘটেছে। প্রায় ৯১.৬৯ একর জমিতে এসব ধান চাষ হয়েছে। রামেশ্বরপুর কৃষক সংগঠনের মাধ্যমে নেত্রকোনা অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামে প্রায়োগিক গবেষণা কার্যক্রমটি সম্প্রসারিত হয়েছে। বিভিন্ন গ্রামে কৃষক সংগঠন পরিচালিত প্রায়োগিক কৃষি গবেষণা কার্যক্রম বাস্তবায়নে তিনি পরামর্শ ও দিক নির্দেশনা দিয়ে সহযোগিতা করেন। তারই পরামর্শ ও সহযোগিতায় নেত্রকোনা অঞ্চলের চারজন কৃষক সংকরায়ণের মাধ্যমে (ব্রিডিং) ১৮টি ধানের জাত উন্নয়নে সক্ষম হয়েছে। এর মধ্যে আগামশাইল (আগাম শাইল= আ = আব্দুল আলীম, গা = গাজী ইরি, ম = মোগল শাইল) নামের জাতটি কৃষকদের নিকট বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

happy wheels 2

Comments

%d bloggers like this: