Posted in

ঐক্যবদ্ধ সংস্কৃতির মাধ্যমে বহুত্ববাদি সমাজ নির্মািণ করতে হবে

ঘিওর, মানিকগঞ্জ থেকে সুবীর কুমার সরকার
“মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ধারণ করি, চলচ্চিত্রের শিল্পরথে মানবতার গান করি, বহুত্ববাদী সাংস্কৃতিক চর্চা করি”। এই স্লোগানকে সামনে রেখে গতকাল ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী বাসস্ট্যান্ডে চায়ের আড্ডা রেস্টুরেন্টে স্থানীয় সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন-রেইনবো থিয়েটার, তারেক মাসুদ মিশুক মুণীর স্মৃতি পরিষদ, আলোর পথ, কবি নজরুল- প্রমীলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ, কাকজোড় গোল্ডেন স্পোর্টিং ক্লাব ও বেসরকারি সংস্থা বারসিক এর সহযোগিতায় ঐক্যবদ্ধ সামাজিক ও সাংস্কৃতির মাধ্যমে বহুত্ববাদি সমাজ প্রণয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিক রিপন আনসারির সভাপতিত্বে ও উন্নয়নকর্মী মো. নজরুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মানিকগঞ্জের বিশিষ্ট সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশ আন্দোলনের নেতা এ্যাড. দিপক কুমার ঘোষ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মানিকগঞ্জ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সভাপতি ইকবাল হোসেন কচি ও বারসিক আঞ্চলিক সমন্বয়কারি বিমল রায়। আলোচনায় আরো অংশগ্রহণ করেন ঘিওর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রাম প্রসাদ সরকার দিপু, কবি নজরুল-প্রমীলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংঘের সাধারণ সম্পাদক কবি মইন বিশ^াস, তারেক মাসুদ মিশুক মুনীর স্মৃতি পরিষদের সভাপতি রুহিদাস চক্রবর্তী, সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক, বারসিক ঘিওর অঞ্চলের সহযোগী কর্মসূচী কর্মকর্তা সুবীর কুমার সরকার, কাকজোড় গোল্ডেন স্পোডিং ক্লাবের সভাপতি সাদিকুর রহমান, আলোর পথের সভাপতি মো.আকাশ, তারুণ্যে পক্ষে অনিক রাজবংশী। বারসিক মানিকগঞ্জ পক্ষ হতে গাজী শাহাদত হোসেন বাদল, সামুয়েল ও মো. মনির হোসেন।


আলোচনায় বক্তারা জানান, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সমাজে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে নতুন প্রজন্মের মাঝে গান, নাটক, কবিতা ও সাংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে সাংস্কৃতিক জাগরণ ঘটিয়ে বহুত্ববাদি সমাজ প্রণয়ন চাই। সড়কে মৃত্যুরোধে ও কৃষিপণ্য সহজ পরিবহনের জন্য পাটুরিয়া-মানিকগঞ্জ-ঢাকা রেল লাইন চালু করা হোক। পরিবহন শ্রমিক ও জনসাধরণের মধ্যে নিরাপদ সড়কের ট্রাফিক আইন মেনে চলতে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।’ তারা বলেন, ‘জ¦ালানি সাশ্রয়ী ও কার্বন নিরপেক্ষ জীবন গড়তে জনসচেতনতা তৈরী করতে হবে। প্রয়াত চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ ও সাংবাদিক মিশুক মুণীর প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে জোকাতে ভাস্কর্য্যসহ গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। সর্বোপরি আমরা সামজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা মিলিতভাবে বহুত্ববাদি সমাজ প্রণয়নের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.