Posted in

জমির সঠিক ব্যবহার খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে

বিউটি সরকার, সিংগাইর মানিকগঞ্জ থেকে
‘কেউ না খেয়ে থাকবেনা ” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার নয়াবাড়ী গ্রামে গতকাল বিশ^ খাদ্য দিবস উদযাপন করা হয়। নয়াবাড়ী কৃষক-কৃষাণী সংগঠনের আয়োজনে ও বারসিক’র সহযোগিতায় উক্ত দিবসে উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কাজী ফেরদাউস , বারসিক কর্মসূচী সমন্বয়কারী শিমুল বিশ্বাস , কর্মসূচী কর্মকর্তা বিউটি সরকার এবং নয়াবাড়ী ও নয়াবাড়ী আর্দশগ্রাম কৃষক-কৃষাণী সংগঠনের সদস্যরা।


নয়াবাড়ী কৃষক-কৃষাণী সংগঠনের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম মিয়ার সভাপতিত্বে এবং কর্মসূচি কর্মকর্তা বিউটি সরকারের সঞ্চালনায় উক্ত দিবসের কর্মসূচিতে ছিল আলোচনা সভা, অচাষকৃত উদ্ভিদ প্রদর্শন, স্থানীয় জাতের বীজ প্রদর্শন, ঔষধিগাছ ও নিরাপদ খাদ্য উপস্থাপন এবং কৃষক-কৃষক বীজ বিনিময়। কার্যক্রমের শুরুতে শিমুল বিশ্বাস খাদ্য দিবসের প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। পরবর্তীতে আলোচনায় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন নয়াবাড়ী কৃষক সংগঠনের সভাপতি ইমান আলী । তিনি বলেন, ‘খাদ্যকে নিরাপদ এবং জমিকে আগের মত ফিরিয়ে আনতে হলে জমিতে জৈবসার ব্যবহার করতে হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যেন আমরা বিষ তুলে না দেয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।’


নিরাপদ খাদ্য সর্ম্পকে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কাজী ফেরদাউস বলেন, ‘আগে সরকার সবার খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য উৎপাদন বৃদ্ধির দিকে লক্ষ্য থাকলেও বর্তমানে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কাজ করছে।’ তিনি বারসিককে ধন্যবাদ জানান বিশ^ খাদ্য দিবস উদযাপনে সহযোগিতা করার জন্য। অচাষকৃত উদ্ভিদের গুরুত্ব প্রসঙ্গে নয়াবাড়ী আর্দশগ্রাম কৃষক-কৃষাণী সংগঠনের সভাপতি কমলা বেগম বলেন, ‘আমাদের বাড়ির আনাচে কানাচে অনেক নিরাপদ খাবার রয়েছে এগুলো আমরা সংরক্ষণ করতে পারি।’ শিমুল বিশ^াস বলেন, ‘কৃষকের শক্তি হল বীজ। তাই আমরা বাজার নির্ভরশীল না হয়ে বাড়িতেই বীজ সংরক্ষণ করতে পারি।’ এতিনি সবাইকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য প্রতি ইঞ্চি মাটির সঠিক ব্যবহার করার আহবান জানান। প্রকৃতি প্রেমিক ইব্রাহিম মিয়া বলেন, ‘জমির সঠিক ব্যবহার খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে।’ তিনি সকলকে অলসতা দূর করে নিরাপদ খাদ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করার আহবান জানান।


দিবসের এক পর্যায়ে কৃষাণীরা নিরাপদ খাদ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে অচাষকৃত উদ্ভিদ ও নিরাপদ সব্জি প্রদর্শন করেন। এছাড়া ৪০ প্রকারের ঔষধি গাছ প্রর্দশন ও এর গুণাবলী উপস্থাপন করেন প্রকৃতি প্রেমিক ইব্রাহিম মিয়া। পাশাপাশি সবাইকে বীজ সংরক্ষণে উৎসাহিত করার জন্য ২৫ প্রকারের স্খানীয় জাতের বীজ উপস্থাপন করা হয়।

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.